দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘মিষ্টিতে অল্প করে মিষ্টি দিন, দেখবেন মানুষ আরও পছন্দ করবে’

Courtesy - Facebook

নিজস্ব প্রতিনিধি: মিষ্টির নাম ‘মিষ্টি’ কী করে হল তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) জানা নেই। তবে তাঁর মতে, কেউ কেউ এখন মিষ্টিতে(Mishti) এত মিষ্টি দিচ্ছেন যে অনেকে তা পছন্দ করছেন না। সেক্ষেত্রেই তাঁর পরামর্শ, ‘আমার কিন্তু ডায়াবেটিস নেই। আমি মিষ্টি খাই। তবে একটা কথা আপনাদের বলতে চাই। মিষ্টিতে অল্প করে মিষ্টি দিন। দেখবেন মানুষ আরও পছন্দ করবে। আপনাদের বিক্রি আরও বেড়ে যাবে। মিষ্টি টাকে একটু হালকা করতে হবে। আপনারা চাইলে আমি হাল্কা করে দেখিয়ে দিতে পারি। অনেকেই জানেন না আমি কত কিছু পারি।’ এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি রাজ্যকে সামলাবার পাশাপাশি, একটি রাজনৈতিক দলকে সামলানোর পাশাপাশি বাংলার মিষ্টি ব্যবসায়ীদেরও তাঁদের ব্যবসা সামলানোর পরামর্শ দিতে পারেন।

মঙ্গলবার মিষ্টি ব্যবসায়ীদের মিলন উৎসবে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার জন্য তাঁরা হরেক রকম মিষ্টি সাজিয়েছিলেন। তার মধ্যে ডায়াবেটিক সন্দেশ ও রাবড়িও ছিল। সেই সভা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মিষ্টি ব্যবসা আরও সমৃদ্ধ করে তোলার রাস্তা দেখান। সভা থেকে ৩টি নতুন মিষ্টি হাব গড়ে তোলার কথাও এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানান, রাজ্যের ক্ষদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের মাধ্যমে কলকাতার মৌলালির কাছে তৈরি হচ্ছে ‘মিষ্টিদ্যোগ’। সেখানে প্রায় ২০টা মিষ্টির স্টল থাকবে। সেখানে ফুড কোর্ট(Food Court) ও মিষ্টি প্যাকেজিংয়েরও ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, জয়নগরের মোয়া, বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা এবং রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু তিনি চান বাংলার সমস্ত মিষ্টিই GI ট্যাগ পাক। তিনি জানান, প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা দিয়ে বর্ধমান ও নিউটাউনে ‘মিষ্টি হাব’ তৈরি করেছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে ‘সরতীর্থ’ তৈরি করেছে। বসিরহাটে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা দিয়ে মিষ্টি হাব তৈরি হচ্ছে।

এসবের পাশাপাশি মিষ্টিতে ইনোভেশন আনার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, জন্মদিনে মানুষ কেক কাটছে। আপনারা ছানার কেকটাকেই জন্মদিনের জন্য প্রমোট করুন। ওটার নাম দিন পায়েস কেক। পায়েস মাঙ্গলিক ব্যাপার। আপনারা ছানার কেকই বানান উপরে একটু চালের ছিটে দিন। ওটা প্রতীকী। তার পর ওপরে নাম লেখার ব্যবস্থা করুন। আসলে মিষ্টি ব্যাপারটা বাঙালি আইডেনটিটির সঙ্গে জুড়ে রয়েছে। অনেকে ইদানীং বলে যে আমি মিষ্টি খাই না। আরে বাঙালি মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিলে এত মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে কী করে! কোথায় যাচ্ছে সে সব!’ একইসঙ্গে মিষ্টি ব্যবসায়ী, কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে ‘ভবিষ্যৎ’ প্রকল্পের(Bhabishwat Credit Card) কথাও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অনেক মিষ্টি ব্যবসায়ীর টাকার অভাব। ভাল করে ব্যবসা করতে চান? ১ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর দুয়ারে সরকার হবে। ব্যবসায়ীরা পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। ২৫ হাজার টাকা সিকিউরিটি মানি আমরা দিচ্ছি। গ্যারেন্টার রাজ্য সরকার।’ 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

যাদবপুরে নাবালিকাকে দেড় বছর ধরে আটকে রেখে যৌন নিগ্রহ, ধৃত যুবক

অশান্তি ছড়ানোয় ৪১ জনকে গ্রেফতার, পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা খারিজ সিইও’র

কালবৈশাখী আসছে! দক্ষিণের ১২ জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কবে থেকে?

‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ছাপ্পা দেওয়ার প্ল্যান করা হয়েছে’‌, মোদিকে তোপ মমতার

কালীঘাটের ‘ওয়াররুমে’ কড়া নজর মমতা–অভিষেকের, চলছে হিসেবনিকেশ, অঙ্ক কী বলছে?‌

‘‌নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না’‌, মোটরবাইক বন্ধে কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ