দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না’‌, মোটরবাইক বন্ধে কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে চলছে প্রথম দফার ১৫২টি আসনে নির্বাচন। মোট ১৬টি জেলা এবং আসন ১৫২টি। আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সমগ্র উত্তরবঙ্গ এবং গোটা জঙ্গলমহলের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। আর আজই বিধানসভা নির্বাচনের তিনদিন আগে মোটরবাইক ব্যবহার করা নিয়ে যে বিধিনিষেধ জারি হয়েছিল তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোড়ন পড়ে যায়। আর আজ এই মামলায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন বিচারপতি। এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘‌অযৌক্তিকভাবে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন ভোটের তিনদিন আগে থেকে মোটরবাইক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?‌ শুক্রবার হলফনামা দিয়ে সেটা জানাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।’‌ এই ভাষাতেই আজ নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ভোটার এদিন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী এই পর্বে লড়াইয়ে রয়েছেন। প্রায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যা অতীতের তুলনায় নজিরবিহীন। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। যার শুনানি ছিল আজ। এই গোটা বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করেন, ‘‌আপনাদের কর্তৃপক্ষ কেন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে না? দু’দিন আগে থেকে ইমারজেন্সি ঘোষণা করে ভোট করতে পারতেন। তা না হলে মানতে হবে কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ। এভাবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না। আপনারা কেন আপনাদের কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে পারছেন না? শুধু মোটরবাইক কেন, তাহলে গাড়িও বন্ধ করে দিন। তাতেও তো লোকজন বোম, অস্ত্র নিয়ে গিয়ে গোলমাল পাকাতে পারে। আদালতকে দেখান, গত পাঁচ বছরে কত মোটরবাইকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে।’‌

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের এমন নিষেধাজ্ঞার জেরে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তা নিয়ে রাজ্যে যথেষ্ট চর্চা হয়েছে। আর সেটাকেই সামনে নিয়ে এসে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘‌দুদিন আগে থেকে সব কিছু স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটা কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা। আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যেহেতু ভোটের সময় আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার রয়েছে সেটার অপব্যবহার করছেন। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করা যায় না। নাগরিককে হেনস্থা করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার জন্য হলেও মানা যায়, এখানে ৭২ ঘণ্টার বেশি! আপনাদের পুলিশ প্রশাসন আছে, সিসিটিভি আছে তাহলে এগুলির দরকার কি? সব বন্ধ করে দিন। অযৌক্তিকভাবে এতদিন ধরে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কালীঘাটের ‘ওয়াররুমে’ কড়া নজর মমতা–অভিষেকের, চলছে হিসেবনিকেশ, অঙ্ক কী বলছে?‌

শহরে বসেই বাংলার ভোটে নজরদারি শাহের, আচমকাই হাজির সল্টলেকের ‘ওয়ার রুম’-এ

বাইকের পর গাড়ি ব্যবহারেও শুরু কড়াকড়ি, কারা পাবেন ছাড়? জেনে নিন…

চার ঘণ্টায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা পড়ল ২৬০ অভিযোগ, নজর তৃণমূলের

জায়গায়-জায়গায় EVM খারাপ, নওদায় বোমাবাজি, কী বার্তা CEO মনোজ আগরওয়ালের?

‘আগে ভোট, তারপর জলপান,’ বার্তা শাহের! মহিলা ও যুবদের বেশি করে ভোট দেওয়ার আর্জি মোদির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ