চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিরোধী পরিসরের দখল নিচ্ছে বামেরা, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে মাঠে নামছে গেরুয়া

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিপিআই(এম) নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট(Left Front) বাংলায়(Bengal) রাজত্ব করেছে ৩৪ বছর ধরে। তাঁদের সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। ২০১১ সালেই তাই রাজ্যের বিরোধী দলের স্তরে পৌঁছে যায় বামেরা। কিন্তু সেই ছবিতে বদল আসে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। কেননা সেবার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়েও বিরোধী দলের তকমা ধরে রাখতে পারেনি বামেরা। সেই পদ গিয়েছিল কংগ্রেসের দখলে। আর ২০২১ সালে তো বাম আর কংগ্রেস দুই ভাইকেই বাংলার জনতা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রাজ্যের বিধানসভা থেকেই বার করে দিয়েছে। স্বাধীনতার পরে এই প্রথম বাংলার বিধানসভা বাম-কংগ্রেস শূন্য। সেই জায়গা এখন চলে গিয়েছে বিজেপির দখলে। কিন্তু আর জি কর কাণ্ডকে হাতিয়ার করে আন্দোলনের মাধ্যমে রাজ্যের বিরোধী পরিসরের প্রায় দখল নিয়েই ফেলেছে বামেরা। সেটা বুঝেই এবার নিজেদের পায়ের তলায় অবশিষ্ট জমিটুকু ধরে রাখতে বঙ্গ বিজেপিকে মাঠে নামাচ্ছে পদ্মের শীর্ষ নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন, বাংলার সব পুরসভাতেই Unit Area Assessment চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার

২০২৬ সালেই রয়েছে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। হাতে সেই হিসাবে এখনও প্রায় দেড় বছর সময় রয়েছে। কিন্তু বামেরা যে দ্রুত গতিতে বিরোধী পরিসর দখলে নেমে পড়েছে, তাতে করে এখনই কিছু পাল্টা কর্মসূচী না নিলে নিজেদের অস্তিত্বটুকুই যে ধরে রাখা যাবে না সেটা বিলক্ষণ টের পেয়েছেন পদ্মনেতারা। এমনিতেই একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে বাংলার মাটিতে বিজেপির গ্রাফ ক্রমশ নিম্নমুখী। কোনও নির্বাচনেই তাঁরা আর জয়ের মুখ দেখতে পারছেন না। লোকসভা নির্বাচনেও তাঁদের আসন সংখ্যা কমেছে। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা আর জি কর কাণ্ড(R G Kar Incident) না ঘটলে এবং বাংলায় বিজেপি(BJP) যেভাবে চলছে সেভাবে চলতে থাকলে ২৬’র ভোটে বিজেপি টেনেটুনে হয়তো গোটা ৫০ আসন পাবে। কিন্তু সেই হিসাবও গুলিয়ে দিয়েছে আর জি কর কাণ্ড ও তার জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি ও আন্দোলন। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে, আর জি কর নিয়ে আন্দোলন বাম নেতাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। এখন তো আবার সেই নিয়ন্ত্রণ অতি বামদের হাতে চলে গিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ২৬’র ভোটে যে ৫০টাও আসন জুটবে না সেটা বুঝেই বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেডকে এই উৎসবের মরশুমেই মাঠে নামাতে চলেছে পদ্মশিবির। কার্যত তাঁদের বলেই দেওয়া হয়েছে, তৃণমূল বিরোধিতায় থাকতে গিয়ে বামেদের এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে দেওয়া চলবে না। 

আরও পড়ুন, ‘ডাক্তাররা মিথ্যে কথা বলছেন’, সন্তানহারা মায়ের আকুল আর্তি

তা কী করবে গেরুয়া শিবির থুড়ি বঙ্গ বিজেপি? জানা গিয়েছে, উৎসব মরশুমে গ্রাম বাংলার বিশেষ করে জেলার মাটি দখল ধরে রাখতে হবে বলে বাংলার পদ্মশিবিরকে জানিয়ে দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলের আন্দোলন শুধু কলকাতায় আটকে না রেখে তা গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় কিছু বড় আন্দোলনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এ বার মূল নজর দিতে হবে জেলায়। জেলায় জেলায় করতে হবে ছোট ছোট সভা। রেল স্টেশন, বড় বাস স্ট্যান্ড এবং বাজার এলাকায় সেই সব সভার আয়োজন করতে হবে। পুলিশ অনুমতি না দিলে করতে হবে পথসভা। সেই সব সভায় রাজ্য নেতারা না গেলেও স্থানীয় সাংসদ, বিধায়কদের আবশ্যিক ভাবে যেতে হবে। সেই সঙ্গে জেলার নেতাদেরও প্রতিদিন কোনও না কোনও সভায় হাজির থাকতে হবে। সেই সব সভায় শুধু আর জি করের কথাই নয়, রাজ্য সরকারের সার্বিক দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরতে হবে। মহালয়ায় রাজনৈতিক সংঘাতে দলের নিহত কর্মীদের স্মৃতির উদ্দেশে তর্পণ করতে হবে। সেই দিন যেহেতু গান্ধিজির জন্মদিন তাই খাদির পোশাক কেনার কর্মসূচিও রাখতে হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

‘এবারে সরকার গড়তে না পারলে আর কোনও দিনই পারব না’,তমলুকে মন্তব্য হিমন্ত’র

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’,অনাহারে দিন কাটছে ৯৪ বছরের বাউল শিল্পীর

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ