চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শুক্র রাতে ঝালদায় অস্বাভাবিক মৃত্যু, প্রয়াত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরুলিয়া(Purulia) জেলার বহু বিতর্কিত ঝালদা(Jhalda) পুরসভা এলাকার কংগ্রেসি(INC) পরিবার হিসাবে চিহ্নিত কান্দু পরিবারে আবারও মৃত্যুর ছোবল। শুক্রবার রাতে মারা গেলেন প্রয়াত তপন কান্দুর(Tapan Kandu) স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুও(Purnima Kandu)। তিনিও ঝালদা পুরসভার কংগ্রেসি কাউন্সিলর ছিলেন। ২০২২ সালের পুরনির্বাচনে ঝালদা পুরসভার ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়েছিল। কংগ্রেস ও তৃণমূল(TMC) উভয়েই ৫টি করে ওয়ার্ডে জয়ী হয়। ২টি আসনে জেতে নির্দল প্রার্থীরা। নির্দলদের সমর্থনে সেখান পুরবোর্ড গড়তে তৎপর হয়েছিলেন সেখানকার ৪ বারের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। সেই সময়ে পূর্ণিমাও জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। কিন্তু পুরবোর্ড গঠনের আগেই দুষ্কৃতীদের হাতে খুব হয়ে যান তপন। সেই মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয় বাংলা। আদালতের নির্দেশে সিবিআই ঘটনার তদন্তে নামে। পরে বার বার নানা পালাবদলের মাধ্যমে পুরবোর্ড আসে তৃণমূলের দখলে। পূর্ণিমা কাউন্সিলর হিসাবেই কাজ করছিলেন। কিন্তু এবার তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন উঠে গেল।

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীকে ইমেল Joint Platform of Doctors’র, বিকালে জমায়েতের ডাক

জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় পূর্ণিমা কান্দুকে। নিয়ে যাওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাড়িতে সেই সময় কেউ ছিলেন না। তাঁর সন্তানরা ফিরে এসে দেখেন, মা অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মৃত্যুর কারণ ঘিরে বাড়ছে রহস্য। পূর্ণিমাদেবী ঝালদা শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত পৌনে ১১টা নাগাদ ঝালদা শহরের স্টেশন রোডের বাড়ি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় পূর্ণিমাদেবীকে ঝালদা ১ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। খবর পেয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো-সহ দলীয় নেতৃত্ব। ঘটনা প্রসঙ্গে নেপাল মাহাতো বলেন, ‘কী করে মৃত্যু হয়েছে আমিও জানি না। সন্ধে অবধি ভালো ছিল বলেই শুনেছি। ওর ছেলেমেয়েরা বাইরে ছিল। এসে দেখে মারা গিয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলেই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ডাক্তারও কনফিউজড। কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে। তার পরই আসল কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি IMA’র রাজ্য শাখার, ক্ষুব্ধ জনতা

যদিও প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে পূর্ণিমা কান্দুর। তবে এই বিপর্যয়ে সব থেকে বেশি ঝড় নেমে এল তপন-পূর্ণিমাদের সন্তানদের ওপরেই। বাবা-মা হারালো তাঁরা ১৮ বছরে পা দেওয়ার আগেই। এখন এখানেই সব থেকে বড় প্রশ্ন, এখন কে দেখবে তাদের? কারা হবেন তাদের অভিভাবক? কীভাবেই বা তাদের জীবন চলবে? অনেক প্রশ্ন ঘুরছে এখন ঝালদা জুড়ে। একই সঙ্গে পূর্ণিমা কান্দুর দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কোনও রহস্যজনক তথ্য তুলে ধরলে আবারও নতুন করে বিতর্ক মাথাচাড়া দেবে ঝালদার বুকে। তার সঙ্গে পুরসভার ক্ষমতা দখলের গপ্পো জুড়ে গেলে সেখানকার উন্নয়ন কার্যত শিকেয় উঠবে। সূত্রে জানা গিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের একটি প্রতিনিধি দল এদিন ঝালদায় গিয়ে কান্দু পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও কান্দু পরিবারের পাশেই দাঁড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পূর্ণিমার মৃত্যুতে এই পুজোর আবহেও ধাক্কা খেয়েছে ঝালদার জনজীবন। স্বামী-স্ত্রীর খুব কম সময়ের ব্যবধানের এই মৃত্যু মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না ঝালদাবাসী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ডিলিট নাম ভোটার লিস্টে তুলে দেওয়ার অছিলায়, সোনার বালা নিয়ে চম্পট শান্তিপুরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

বাংলার প্রথম দফার ভোটের ৩ দরিদ্র প্রার্থীকে চেনেন?

‘‌রায়দিঘি থেকে দিঘা বাস চালানো হবে’‌, নির্বাচনী প্রচারে বড় আশ্বাস অভিষেকের

জয়নগরে নাকা তল্লাশিতে বাইক আরোহীর কাছ থেকে উদ্ধার প্রায় ৪ লক্ষ টাকা

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ