Naihati Boro maa : কেন এই মাকে বড়মা ডাকা হয় ? জেনে নিন কারণ

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় :  “ধর্ম হোক যার যার, বড়মা সবার”

 বিশাল প্রতিমা, অপার মহিমা, তিনিই বড়মা। নৈহাটির এই বড়মার পুজোর কথা সর্বজনবিদিত। বড়মার কাছে কেউ আলাদা নয়। তিনি উচ্চ নীচ ধনী দরিদ্র ছোট বড় নির্বিশেষে সকলের বড়মা। গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালেই নৈহাটিতে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বড়মার স্থায়ী মন্দির। বসেছে মায়ের কষ্টি পাথরের অভূতপূর্ব মূর্তি। নৈহাটি বড়মার পুজো নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ আবেগ উদ্দীপণার অন্ত নেই। আগামী ৩১ তারিখ অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই আসছে বড়মার পুজোর দিন। তাই আবার নতুন করে সেজে উঠেছে নৈহাটির বড়মার মন্দির। সারা বছরই এখানে অগণিত ভক্তের ভিড় থাকে। জানা যায়, এক অমোঘ টানে প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্ত মানত করেন, পুজো দেন, ভিড় করেন শুধুমাত্র একঝলক বড়মাকে দেখার জন্য। স্থানীয় বাসিন্দারা নৈহাটির অরবিন্দ রোডের ২১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ধর্মশালা বড় কালীমাতা ঠাকুরাণীকেই “বড়মা” বলে ডাকেন। খুব বড় উচ্চতা বলেই বড়মা নামেই তিনি পরিচিত।

কালীপুজোর সকাল থেকেই এই ঐতিহ্যবাহী পুজোয় হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়। অনেকে মনোবাসনা পূরণ করার জন্য গঙ্গাস্নান করে মায়ের কাছে দণ্ডি কাটেন। দেখতে দেখতে ১০০ বছর পূর্ণ করে ফেলেছে বড়মার এই পুজো। তবে এই পুজো আগে এত জনপ্রিয় ছিল না। রাস্তার ধারে রক্ষাকালী মূর্তিতেই পুজো করত একদল যুবক। তাহলে কি ভাবে এই পুজো এতো বড় হল ?

জনশ্রুতি আছে , প্রায় ১০০ বছর আগে ভবেশ চক্রবর্তী ও তাঁর চার বন্ধু মিলে নবদ্বীপে ভাঙা রাস দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে বড় বড় মূর্তি দেখে চোখ কপালে ওঠে ভবেশ বাবুর। বিস্মিত হয়ে বড় বড় মূর্তি দেখে তিনি নৈহাটিতে অরবিন্দ রোড এলাকায় একটি রক্ষাকালী মূর্তিকে বিশালাকার মূর্তি গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনকি, মায়ের চিন্তা করায় স্বপ্নেও বিশালাকার মূর্তি দেখেন ভবেশ। কথিত আছে, এই পুজো ভবেশ চক্রবর্তী শুরু করেছিলেন বলে এই দেবীকে ভবেশ কালীও বলা হয়। প্রথমে সকলে ভবেশ কালীই বলে ডাকতেন, তারপর ভক্তরা বিশালাকার এই মূর্তিকে বড়মা বলে অভিহিত করেন। স্থানীয়দের মতে, এই পুজো সার্বজনীন হলেও কারও কাছ থেকে কখনও চাঁদা বা দক্ষিণা নেওয়া হয় না। দেবীর গায়ের গয়না থেকে ভোগ, পুজোর সামগ্রী,পুজোর সমস্ত খরচ করে থাকেন সাধারণ ভক্তরাই। জানা যায়, ভক্তরাই মনোবাসনা পূরণ করার জন্য বিভিন্ন সময় সোনা ও রুপোর গয়না মানত হিসেবে দিয়ে থাকেন বড়মাকে। বলা বাঞ্চনীয় যে, তিনি নিজের ইচ্ছায় ভক্তদের কাছ থেকে নিয়ে নেন সেসমস্ত গয়না।

পুজো সমিতির তরফে খবর, এইবছর নৈহাটির বড়মার পুজোর ১০১ তম বর্ষ। প্রতিবছরের মত এবছরেও কাঠামো পুজোর মধ্যে দিয়েই সূচনা হয়েছে মায়ের সুউচ্চ প্রতিমা তৈরীর কাজ আর এই কাঠামো পুজোর মধ্যে দিয়েই শুরু হয়ে যায় নৈহাটির বড়মার পুজোর সূচনা। পুজোর দিন ১০০ কেজির সোনা ও ২০০ কেজি রুপোর গহনা পড়ানো হয় মাকে। থাকে কড়া নিরাপত্তা। শুধু একদিন বা দুদিন নয়, টানা পাঁচদিন ধরে চলে বড়মার উপাসনা। নিরঞ্জনের দিন দেবীমূর্তিকে ফুলের সাজে সাজিয়ে গোটা এলাকায় বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। স্থানীয়দের মতে, বড় মায়ের বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত নৈহাটির অন্য কোনও কালীমূর্তিকে বিসর্জন করা যায় না। এই দিন আলোর কার্নিভালেরও আয়োজন করা হয়। বলা হয়ে থাকে, বড়মা নাকি কাউকে খালি হাতে ফেরার না; আর সেই বিশ্বাস থেকেই আজ দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসেন এই বড়মার কাছে।

হুইলচেয়ারে অলকা, হাঁটাচলা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে তাঁর? ভক্তদের কী জানালেন গায়িকা?

কৃষকের ছদ্মবেশে কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে পাকড়াও, বড় সাফল্য হবিবপুর থানার পুলিশের

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

মোদির সঙ্গে বৈঠকে অ্যামাজন সিইও, ৪.১ লক্ষ কোটি বিনিয়োগের ঘোষণা

কলকাতা হাইকোর্টে দৌড়েও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের আপ্তসহায়ক

মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

‘মেয়ের পড়াশোনা নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল ওর বাবার!’ তারাতলা দুর্ঘটনায় অকালমৃত্যু ভাটপাড়ার পাপ্পুর

শুরুতেই চমক, সেরা পাঁচে ‘কুমকুম’, ‘পরশুরাম’-এর মুখে ছ্যাকা দিয়ে TRP-র শীর্ষে কে?

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

তারাতলা দুর্ঘটনায় মৃত-আহতদের পরিবারের পাশে কেন্দ্র, আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ভেনিজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল স্থগিত

রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ IAS কৃষ্ণ গুপ্তা

আমিষপ্রেমীদেরও তাক লাগিয়ে দেবে এই মুচমুচে নিরামিষ ‘ফিশ ফ্রাই’, রইল সহজ রেসিপি

ক্যাফের স্বাদ এবার বাড়িতেই, সহজ উপকরণ দিয়েই তৈরি করুন স্ট্রবেরি প্যানকেক