চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

নিয়োগ দুর্নীতির Middleman প্রসন্ন রায়ের ১৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে School Service Commission বা SSC’র মাধ্যমে Group-C ও Group-D কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে যে দুর্নীতির(School Recruitment Scam) ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনার তদন্তে নেমে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI গ্রেফতার করেছিল Middleman প্রসন্ন রায়কে(Prasanna Roy)। পরে এই মামলার আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রের আরেক তদন্তকারী সংস্থা Enforcement Directorate বা ED। এদিন অর্থাৎ শনিবার সেই ED প্রসন্ন রায়ের ১৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিল। এদিন ED’র তরফে জানানো হয়েছে, প্রসন্ন এবং তার স্ত্রী কাজল সোনি রায়ের নামে থাকা মোট ১৬৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেও সব সম্পত্তির তালিকায় আছে একাধিক হোটেল ও রিসর্টও। এই সব সম্পত্তি মূলত প্রসন্ন এবং তার স্ত্রীর নামে থাকলেও একটি সংস্থার ভাগও তাতে রয়েছে। Shree Durga Dealcom Pvt Ltd’র সম্পত্তিও বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে। ED’র তরফে জানানো হয়েছে, ওই সংস্থাটি প্রসন্নই নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করতেন। এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ফলে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ED’র বাজেয়াপ্ত করা মোট অর্থ এবং সম্পত্তির মূল্য দাঁড়াল ৫৪৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা।  

আরও পড়ুন, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য আবাসের সমীক্ষায় নয়া নিয়ম জুড়লো রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রসন্ন এখন জেল হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে বিভিন্ন সংস্থায় ২৬ কোটি ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৭২ টাকার খোঁজ পেয়েছিলেন ED’র আধিকারিকেরা। যদিও তদন্তকারীদের কাছে প্রসন্নের দাবি ছিল, এই সম্পূর্ণ টাকা কৃষিকাজের সূত্রে তিনি আয় করেছেন। আখ, পেঁপে, কলা, ক্যাপসিকাম, টম্যাটো, বিন্‌স, সর্ষে, নারকেল রয়েছে সেই চাষের তালিকায়। তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিটেও সে কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রসন্ন ইডিকে জানান, স্থানীয় চাষিদের মজুরির ভিত্তিতে জমিতে নিয়োগ করেছিলেন তিনি। রোজগার করা অর্থ নিজের বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন। তবে সেই দাবির পরেও প্রসন্ন, তাঁর স্ত্রী এবং ঘনিষ্ঠদের মোট ২৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিস পান তদন্তকারীরা। সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির Forensic Audit করিয়েছিল CBI। চার্জশিটে ED’র দাবি, অ্যাকাউন্টগুলিতে ৭২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। ED আরও জানায়, প্রসন্নের স্ত্রীর আয়ের অন্য কোনও উৎস নেই। তাঁর অ্যাকাউন্টেও ২ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে।  

আরও পড়ুন, ‘ডানা’র বৃষ্টিতে ৩ জেলার চাষে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু, ধাক্কা ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে

ED’র দাবি, প্রসন্নের জমিতে কোনও চাষবাস হয়নি। তদন্তকারীরা সংস্থার কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে সেতা জানতে পারেন। প্রসন্নের দাবির সপক্ষে তেমন কোনও নথিও পাওয়া যায়নি। নিয়োগ দুর্নীতির টাকাই যে তিনি বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে রেখেছিলেন সেটা তখন তদন্তকারীদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। দুর্নীতির উৎস আড়াল করতেই চাষবাসের উৎস দেখিয়েছিল প্রসন্ন। যদিও শেষরক্ষ হল না। এদিন ১৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED। চার্জশিটে ED জানিয়েছিল, প্রসন্নের নামে মোট ৯১টি সংস্থার হদিস পাওয়া গিয়েছে। প্রতিটি সংস্থার অধীনে বেশ কিছুটা করে জমি কেনা রয়েছে। তদন্তকারীদের প্রসন্ন জানিয়েছেন, ওই জমিতে চাষ করান তিনি। সেখান থেকেই আয় হয়। সেই আয়ের পরিমাণ নাকি ২৬ কোটি টাকা। আখ, পেঁপে, কলা, ক্যাপসিকাম, টম্যাটো, বিন্‌স, সর্ষে, নারকেল রয়েছে সেই চাষের তালিকায়। Urban Ceiling Act অনুযায়ী, কোনও সংস্থা নিজের অধীনে সর্বোচ্চ ৭ কাঠা জমি রাখতে পারে। প্রসন্নর নামে থাকা ৯১টি সংস্থার অধীনে ৭ কাঠা করেই জমি রয়েছে। আইনের চোখ এড়াতেই তিনি এতগুলি সংস্থা তৈরি করেছিলেন, দাবি ED’র।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে কী বললেন কবি শ্রীজাত?

লক্ষ্য ছাব্বিশের ভোট! ২৭ পর্যন্ত বাংলাতেই থাকবেন অমিত শাহ  

কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, কী কারণ?

বাইকই ভরসা! কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় চরম সমস্যায় সাধারণ মানুষ

তৃণমূল প্রার্থী-ভোট ম্যানেজারদের প্রয়োজনে আটকে রাখার নির্দেশ কমিশনের

ভোটের মুখে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের প্রথম তালিকা প্রকাশ করল কমিশন, কীভাবে দেখবেন?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ