আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

‘জয় হিন্দ, জয় ইন্ডিয়া’, পহেলগাঁওয়ের বদলায় সেনার প্রত্যাঘাতকে স্বাগত মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: পহেলাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে্ই রাজনৈতিক মতাদর্শকে দূরে সরিয়ে রেখে মোদি সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কেন্দ্রের পাশে রয়েছেন বলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে পহেলগাঁও হামলার বদলা নেওয়ায় ভারতীয় সেনাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৭ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডলে ‘অপারেশন সিঁদুর’কে স্বাগত জানিয়ে লিখেছেন, ‘জয় হিন্দ, জয় ইন্ডিয়া’।

 

গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে এক রিসর্টে অতর্কিতে হানা দিয়ে ২৬ নিরীহ পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করে পাকিস্তানি জঙ্গিরা। ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ফুঁসে উঠেছে গোটা দেশবাসী। পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দাবি উঠেছিল। ওই দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দেন, ‘পহেলগাঁওয়ের হামলাকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। জঙ্গি ও তাদের মদতদাতাদের এমন শাস্তি দেওয়া হবে যে তারা কল্পনাও করতে পারবে না।’

২৬ নিরীহ পর্যটকের হত্যালীলার পরেই জঙ্গিদের ইন্ধনদাতা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মোদি সরকার। সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখার পাশাপাশি পাকিস্তানি পণ্য আমদানি-রফতানির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আটারি সীমান্ত। ভারতীয়  বন্দরে  পাকিস্তানি জাহাজের প্রবেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। চিঠি লেন-দেনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।  যদিও পহেলগাঁও কাণ্ডের ১৫ দিন কেটে যাওয়া সত্বেও ভারতীয় সেনা প্রত্যাঘাতের পথে না হাঁটায় সাধারণ মানুষের মনে খানিকটা অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল।

গতকাল মঙ্গলবার (৬ মে) গভীর রাতে ভারতীয় সেনা অতর্কিতেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মাটিতে ঢুকে হামলা চালায়। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোটলি, বাহাওয়ালপুর এবং মুজফফরাবাদ সহ একাধিক জায়গায় ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। তার মধ্যে বাহাওয়ালপুরের ঘাঁটিতে লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সইদ উপস্থিত ছিলেন।  ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জয়েশ-ই-মহম্মদ, হিবুল মুজাহিদিনের একাধিক ডেরা। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধ্বংসের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় সেনার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে যেসব জায়গা থেকে জঙ্গি হামলার চক্রান্ত চলছিল, সেই ঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনও পাকিস্তানি সেনা কাঠামোকে নিশানা বানানো হয়নি। পাকিস্তানের পাল্টা হামলা রুখতে ইতিমধ্যেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চালু করে দেওয়া হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর সহ আন্তর্জাতিক সীমান্তে। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হানার পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবার বেশ কয়েক জায়গায় পাক সেনা গুলি চালাতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে পাকিস্তান সরকার।

ভারতের সেনার তরফে যেমন ৯ জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, তেমনই পাকিস্তান সেনার তরফেও পাল্টা ভারতের দুটি যুদ্ধবিমান রাফাল ভূপতিত করার দাবি জানানো হয়েছে। পাকিস্তানি সেনা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী দাবি করছেন, ‘বার্নালা সেক্টরে পাকিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী একটি ভারতীয় ড্রোন পাকিস্তান সেনাবাহিনী গুলি করে ভূপতিত করেছে। পরে তা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) দুদনিয়াল সেক্টরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভারতীয় সেনাদের একটি চৌকি ধ্বংস করা হয়েছে। বাহাওয়ালপুরের আহমেদপুর পূর্বের কাছে ভারতীয় বায়ু সেনার  একটি রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে।’

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘কেউ হিংসা-অশান্তিতে জড়াবেন না’, গণনার আগে বিজেপি কর্মীদের বড় বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

রবিবার সন্ধ্যের পর ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, গণনার আগে বড় দুর্যোগ বঙ্গে

সোমে গণনায় কোন জেলায় কত পর্যবেক্ষক, জানিয়ে দিল কমিশন

ভোটগণনার দিন ট্রাফিক রুটে বদল হচ্ছে, কোন পথে নো–এন্ট্রি?‌ জেনে নিন আপডেট

এক্স আর্মি লেখা গাড়ি কার? সাখাওয়াতের স্ট্রংরুমে ঢুকতেই বাইরে বিক্ষোভ তৃণমূলের

ফের ধাক্কা ধূমপায়ীদের, এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল‌ সিগারেটের দাম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ