‘সেনাবাহিনীকে পরিচালনা করছে বিজেপি’, ধর্মতলার মঞ্চ খোলা নিয়ে গর্জে উঠলেন মমতা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বাংলা ভাষা আন্দোলনের’ মঞ্চ খুলে দেওয়ার পিছনে বিজেপি ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) মেয়ো রোডের আধখোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন ‘অনুমতি নিয়েই মঞ্চ গড়া হয়েছিল। অথচ সেই মঞ্চ খুলে দিয়েছে সেনাবাহিনী। আমি অবশ্য এর জন্য সেনাকে দোষ দেব না। সেনার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু ওরা কি করবে? আমি জানি প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর কথায়, বিজেপির কথায় আজ তৃণমূলের মঞ্চ খুলে দিয়েছে সেনাবাহিনী। বিজেপি সরকার নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে সেনাকে ব্যবহার করছে। এর চেয়ে লজ্জার কিছু হয় না।’ একই সঙ্গে সেনার ‘ন্যক্কারজনক’ ভুমিকার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন মমতা।

গত কয়েক মাস ধরে বিজেপি শাসিত ওড়িশা, মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে বাংলা ভাষীদের উপরে লাগাতার নির্যাতন চলছে। বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরে চলছে নির্যাতন। আটক করে রাখা হচ্ছে তাঁদের। হেফাজতে নৃশংস নির্যাতন চলছে। বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গত কয়েক মাসে বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে অত্যাচারিত হয়ে বাংলায় ফিরে এসেছেন কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক। বিজেপি’র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয় ঘোষণা করে দিয়েছেন, ‘বাংলা বলে কোনও ভাষা নেই।’ অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবার নবান্ন দখলের স্বপ্নে বিভোর হয়ে জানিয়েছেন ‘বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে বিজেপি সরকার’।

বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বাংলা ভাষা আন্দোলন। ধর্মতলায় প্রতিবাদ মঞ্চ গড়ে প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বিশেষ সভা করছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এতদিন সেনার তরফে কোনও আপত্তি না জানানো হলেও এদিন আচমকাই কয়েকশো সেনা সদস্য তৃণমূলের অবস্থান মঞ্চ খুলে দেন। ভারতীয় সেনার তরফে কোনও রাজনৈতিক দলের মঞ্চ খোলার ঘটনা এই প্রথম। মঞ্চ তৈরির সময়ে আপত্তি জানানোর নজির রয়েছে। ফলে ভারতীয় সেনার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলা ভাষার সমর্থনে আন্দোলনের জন্যই সেনাবাহিনী এমন পদক্ষেপ নিল কিনা, সেই প্রশ্নও উঠেছে। সেনা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ৩১ অগস্ট পর্যন্ত ওই মঞ্চের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। ওই সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার পরেই মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়েছে।

মেয়ো রোডে মঞ্চ খুলে দেওয়ার খবর জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে হাজির হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছুটে আসেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। মমতাকে ঢুকতে দেখেই রণে ভঙ দেয় সেনা সদস্যরা। আধ খোলা মঞ্চ রেখেই সুড়সুড় করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আধ খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়েই সুর চড়ান মমতা। তাঁর কথায়, ‘আমাদের মাইকের কানেকশন কেটে দিয়েছে। স্টেজ ভেঙে দিয়েছে, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। প্যান্ডেল আর্মিকে দিয়ে খুলিয়েছে। আমার আর্মির বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই। কারণ, আমরা সেনাকে নিয়ে গর্বিত। কিন্তু সেনাকে যখন বিজেপির কথায় চলতে হয়, তখন দেশটা কোথায় যায়, তা নিয়ে সন্দেহ জাগে! এখানে কোনও রাস্তা বন্ধ নেই। শনি এবং রবিবার কর্মসূচি হয়। তার জন্য অনুমতিও নেওয়া ছিল। দরকার হলে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে পারত। আমরাই খুলে দিতাম বা শিফ্‌ট করে দিতাম। সরি টু সে, এটা আর্মি নয়, পিছে মে ক্যায়া হ্যায়? ছুপা রুস্তম বিজেপি হ্যায়।’

দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়কের সঙ্গে জ্ঞানেশের সাক্ষাৎ! প্রশ্ন তুলল কালীঘাট তৃণমূল

মোদির ‘ছোট বোন’ কে জানেন? পরিচয় জানলে চমকে উঠবেন

পুকুর দখলের অভিযোগ হুমায়ুনের বিরুদ্ধে, গ্রামবাসীদের লাখ টাকার মাছ বিলিয়ে দিল পুলিশ

‘বাবুল কে দুয়ায়ে লেতে…’, বড় মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠাতে গিয়ে চোখে জল বনি কাপুরের

গ্রেফতার হতে পারেন ‘কুম্ভের ভাইরাল গার্ল’ মোনালিসার স্বামী ফরমান, কোন অপরাধে?

কেপ ভার্দের বিপক্ষে হারবেন মেসি, ভবিষ্যদ্বাণী করলেন নোবেলজয়ী প্রেসিডেন্ট

গ্রেফতারির ভয়! ইমেইলে হাজিরা এড়ানোর কারণ জানালেন অপরূপা

লক্ষ্মীবারে কলকাতায় লক্ষ্মীলাভ! বিয়ের মরশুমের মাঝেই কমল সোনার দাম, আজ কত রেট?

বাড়ছে বিপদ, দেবরাজের আয় বহির্ভূত সম্পদ নিয়ে তদন্তে ইডি

ভোটার কার্ড-প্যান সহ ১৫ নথি দেখিয়েও লাভ হল না, অসমের বাসিন্দাকে ‘বিদেশি’ ঘোষণা হাইকোর্টের

‘এখনই চালু করা যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ ইউজারনেম ফিচার’, মেটাকে ধাক্কা দিল কেন্দ্র

৭৮ বছর বয়সে ফের বরের সাজে বিয়ের পিঁড়িতে অভিনেতা

‘চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট দল হাইজ্যাক করেছিল’, নাম না করে অভিষেককে বিঁধলেন ঋতব্রত

এক কামড়েই পর্তুগালের স্বাদ! ঘরেই বানিয়ে ফেলুন ‘পাস্তেইশ দে নাতা’