এই মুহূর্তে

‘‌জ্ঞানেশ কুমারের জন্য নতুন প্রকল্প ছানিশ্রী’, জীবিত ভোটারদের মৃত ঘোষণায় কটাক্ষ অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিনিধি: এসআইআরের মাধ্যমে জীবিত ভোটারদের মৃত বলে ঘোষণা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। খসড়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে একের পর এক জীবিত ভোটার মৃত। এমনকী ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। আর তার জেরে আতঙ্কে মারা যাচ্ছেন একের পর এক বাংলার নাগরিক। আত্মহত্যা পর্যন্ত করছেন। এই আবহে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতার সভা থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তুলোধনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে প্রত্যেকটি সভাতেই নির্বাচন কমিশনের দাগিয়ে দেওয়া মৃত ভোটারদের সভামঞ্চে হাঁটিয়েছেন অভিষেক। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এই নিয়ে এবার নতুন প্রকল্প নিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। অভিষেক বলেন, ‘‌জ্ঞানেশ কুমারের জন্য নতুন প্রকল্প চালু করতে হবে। ছানি অপারেশনের জন্য ‘ছানিশ্রী’ প্রকল্প করতে হবে। জীবিত ভোটারদের মৃত দেখছেন তিনি। যেহেতু বিজেপি ফর্ম জমা দিতে পারেনি সেহেতু নির্বাচন কমিশন সময়সীমা বাড়িয়ে ১৯ তারিখ করেছে। যদি বিজেপি নেতা ইআরও’‌র কাছে ১০টির বেশি ফর্ম জমা দিতে আসে, রবীন্দ্র সংগীতের পাশাপাশি একটু ডিজে বাজিয়ে দেবে ভদ্র ভাবে।’‌

অন্যদিকে এসআইআর নিয়ে এখনও হয়রানি চলছে। মানুষকে ভীত–সন্ত্রস্ত করে রাখা হচ্ছে। কেউ যাতে ভয় না পান তার কথাও বলেছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেকের বক্তব্য, ‘‌আপনারা ভয় দেখাবেন আমাদের? একদিকে ইডি, একদিকে ইসি? দু‌’‌দিন আগে বাঁকুড়ায় গাড়ি ধরা পড়েছে। ১০ হাজার ফর্ম–৭। তৃণমূলের ভোটারদের চিহ্নিত করে বিজেপি নেতারা গিয়েছিল ইআরও’‌র কাছে ফর্ম জমা দেবে বলে। যাতে এঁদের তালিকা থেকে নাম বাদ যায়। গতকাল কলকাতায় রুখেছি। ১০টার বেশি কোনও ফর্ম বৈধভাবে জমা দেওয়া যায় না।’‌

এছাড়া সিপিএম এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করেন অভিষেক। এমনকী মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেন তিনি। অভিষেকের কথায়, ‘‌মেদিনীপুরে যদি কোনও বুথে, কোনও বিধানসভায় বিজেপির কোনও নেতা লিড পায়, তাহলে এই সিপিএমের হার্মাদগুলিকে অক্সিজেন দেওয়া হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে। যারা আমাদেরকে পরিবর্তন চাই বলে আমাদের সরকারকে ব্যঙ্গ করছে, ৩৪ বছর মানুষকে অত্যাচার করেছে, আজ তারা বিজেপির নেতা! বোতল নতুন, মদ পুরনো। জার্সি পাল্টেছে। আগে সিপিএমের হার্মাদ ছিল, আজ বিজেপির জল্লাদ। ২০২০ সালে এই মেদিনীপুরের মাটিতে একই মাঠে একজন গদ্দার মোদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদলেহন করে, নিজের জেলযাত্রা বাঁচানোর জন্য পায়ে হাত দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

বাড়ির বাইরে রাখা চাবি ব্যবহার করে জমি কেনার টাকা নিয়ে চম্পট চোরের

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, এবার গণ ইস্তফা দিনহাটার বিএলওদের

‘‌সৈকত পরিষ্কার আমাদের অঙ্গীকার’‌, গঙ্গাসাগর ঝাঁটা হাতে সাফাই করলেন ৬ মন্ত্রী

জোর ধাক্কা হুমায়ুনের, জানুয়ারিতে ব্রিগেডে সভার অনুমতি দিল না সেনা

SIR সংক্রান্ত নথি নিতে অমর্ত্যর বাড়িতে হাজির কমিশনের প্রতিনিধিরা

‘উত্তরবঙ্গকে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে জুড়বে ভলভো বাস’, নতুন বছরে নয়া পরিষেবা চালু মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ