আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাজ্য মন্ত্রিসভায় উদ্বাস্তু কলোনিগুলির স্বীকৃতি, নির্বাচনের মরশুমে মাস্টারস্ট্রোক নবান্নের

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। তার মধ্যেই বাংলায় চলছে এসআইআর পর্ব। আর তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে রাজ্য–রাজনীতিতে। এই নিয়ে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর নির্বাচন কমিশনের দৌলতে ব্যাপক হয়রানি ও হেনস্থার শিকার হয়েছেন বাংলার মানুষজন। আত্মহত্যা থেকে আতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। মৃত্যুমিছিলের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। তারপরও সঠিক সময়ে শুনানি শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। এই আবহে এবার রাজ্যের একাধিক উদ্বাস্তু কলোনিকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, সরকারি–বেসরকারি জমিতে নানা জেলার আরও ১২টি উদ্বাস্তু কলোনিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নানা জেলা থেকে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ওইসব কলোনির বাসিন্দাদের হাতে বসবাসের শংসাপত্র তুলে দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর।

এদিকে সব কিছু যাচাই করার পর কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়ার ছাড়পত্র দেয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা। তাই বাকি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়ায় উদ্যোগী হয়েছে নবান্ন। নবান্ন সূত্রে খবর, ওই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কলোনির তালিকায় রয়েছে—উত্তর দিনাজপুরের বীরনগর কলোনি, উত্তর ২৪ পরগনার দ্বিজহরি স্কোয়্যার কলোনি, চাষিপাড়া কলোনি, নিউ ফরোয়ার্ড কলোনি (পার্ট ২বি) এবং মানসা কলোনি। আর কলকাতা পুরসভার নানা ওয়ার্ডের একাধিক উদ্বাস্তু কলোনি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কামরা কলোনি, আনন্দময়ী পার্ক উদ্বাস্তু কলোনি, রামকৃষ্ণ পল্লি উদ্বাস্তু ফেজ–২ কলোনি এবং সুকান্ত সরণি উদ্বাস্তু কলোনিও এই তালিকার যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে এই কাজ করতে নানা আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তাই সেসব নিষ্পত্তি করার পর তাতে সিলমোহর দেয় ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর বলে সূত্রের খবর। এই কারণে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে। আর কাজ সম্পন্ন হতেই সেটা জানিয়ে দেওয়া হয় নবান্নে। তারপর রাজ্য মন্ত্রিসভায় বিষয়টি অনুমোদন পাওয়ায় অবশেষে কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। এই বিষয়ে ভূমি রাজস্ব দফতরের দাবি, মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনীতি বা বিধানসভা নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং যেটা আছে তা হল, মানবিক এবং প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই এমন উদ্যোগ।

এছাড়া উদ্বাস্তু কলোনি এলাকাগুলিতে বিরোধী দল বিজেপি জায়গা করার চেষ্টা করেছিল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে উদ্বাস্তু কলোনিগুলিতে প্রচারও করেছে বিজেপি। ক্ষমতায় এলে তারা কোন কোন কাজ করবে তার ফিরিস্তিও তুলে ধরা হয়েছে। একটি শক্ত ঘাঁটি গড়ে তুলতে ঢাল করা হয়্যেছিল উদ্বাস্তু কলোনিগুলিকে। কিন্তু মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে কার্যত তা ভেস্তে গেল বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের এই কাজে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটবাক্সে প্রভাব পড়বে বলেও অনেকের ধারণা। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে উদ্বাস্তু কলোনির স্বীকৃতি মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করা হচ্ছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ