বাংলাদেশের ক্যাবিনেট সচিব পদে হিযবুতের শীর্ষ নেতাকে নিয়োগ মোল্লা ইউনূসের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ক্ষমতায় থাকাকালীন গত ১৮ মাসে বাংলাদেশকে ‘দ্বিতীয় পাকিস্তান’ হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন রাজাকার মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। বিচারপতি থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ পদে বেছে বেছে পাকিস্তানপন্থী ও রাজাকার পরিবারের সন্তানদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। আর বিদায় লগ্নে এবার দেশের মন্ত্রিপরিষদ সচিব (ক্যাবিনেট সচিব) হিসাবে নিয়োগ করলেন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর শীর্ষ নেতা নাসিমুল গণিকে। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রকের তরফে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। আর তার পরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ‘প্রশাসনে থাকা পাকিস্তানপন্থীদের রক্ষা করতেই নাসিমুলকে ক্যাবিনেট সচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে।’

২০০০ সালে খালেদা জিয়ার সরকার থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রেশনের অধ্যাপক তথা জামায়াতে ইসলামী নেতা সৈয়দ গোলাম মাওলার উদ্যোগে গড়ে ওঠে জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর। তাঁকে সাহায্য করেছিলেন নাসিমুল গণি ও কাওসার শেহনওয়াজ। মূলত আসনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জামায়তুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের জঙ্গিদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার জন্য গঠিত হয়েছিল হিযবুত তাহরীর। বাংলাদেশকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং ভারতে নাশকতা চালানোই ছিল মূল লক্ষ্য। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা জমানায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় হিযবুত তাহরীরকে।

প্রশাসনে থেকেই হিযবুতকে আর্থিক সাহায্য করতে থাকেন গণি। গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ২৯ মে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক আবসরে পাঠানো হয় তাকে। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরে বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন গণি। গ্রেফতারের ভয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার উ‍ৎখাতের পরে করাচি থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন। ওই বছরের ১৮ অগস্ট গণিকে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব নিযুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পরেই শেখ হাসিনা জমানায় গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জেএমবি-সহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন গণি।

বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে যাতে পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতে নাশকতা চালাতে পারে তার জন্য সক্রিয় হয়েছিলেন হিযবুত তাহরীর প্রতিষ্ঠাতা। গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বরেই গোপনে পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন গণি। এর পর দিল্লি বিস্ফোরণের আগে গত ৭ নভেম্বর টানা নয়দিনের সফরে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। পাকিস্তান সফরে আইএসআইয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠকের পাশাপাশি মাসুদ আজহার ও হাফিজ সাইদের সংগঠনের শীর্ষ পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। গত ১০ থেকে ১২ নভেম্বর টানা তিন দিন ভাওয়ালপুর, মানসেরা ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির পরিদর্শন করেন গণি। তার মধ্যে সেনশাহ, কোটলি, বারালি, ডুঙ্গি ও বারনালায় মাসুদ আজহারের জয়েশ-ই মহম্মদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির ঘুরে দেখেন। সূত্রের খবর, ওই জঙ্গি শিবিরে থাকা প্রায় শতাধিক বাংলাদেশি সন্ত্রাসীর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন তিনি। পাকিস্তানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শেষে ওই বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন নাসিমুল।’ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রকের (পড়ুন স্বরাষ্ট্র) বিশেষ সচিব দাউদ মোহাম্মদ বারেচের সঙ্গেও তিন দফায় বৈঠক করেছেন তিনি। দাউদই জয়েশ প্রধানের সঙ্গে নাসিমুলের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করিয়ে দেন।

জঙ্গল, পাহাড়ি রাস্তা আর নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে চান? গন্তব্য হোক ডাউহিল

মেসবাড়িতে ‘ভাত চুরি’র অভিযোগে পিটিয়ে মারা হল বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াকে, ভয়ঙ্কর ঘটনা খুলনায়

দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে আছেন? সাবধান! নীরবে ক্ষতি হতে পারে হৃদ্‌যন্ত্রের

অজান্তেই বিপদ বাড়ছে না তো? ৫ খাদ্যাভ্যাসে হতে পারে স্বাস্থ্যের ক্ষতি!

FSSAI নম্বরের ১৪ অঙ্কেই লুকিয়ে খাবার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, মানে জানেন কি?

দিল্লির ভোটার তালিকা থেকে সপরিবারে বাদ কেজরিওয়াল, পেলেন এসআইআর নোটিশ

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে সাইবার প্রতারণা, নাগেরবাজারে গ্রেফতার ২

পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন মাকে, রক্তাক্ত দেহ আঁকড়ে অঝোরে কান্না দেড় বছরের শিশুর

মা হলেন দীপিকা, ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন অভিনেত্রী

ইস্টবেঙ্গলের স্বপ্ন চুরমার করে কলকাতা লিগ ঘরে তুলল মোহনবাগান

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, সভাপতি-সহ তিন পদে জয়ী এবিভিপি প্রার্থীরা

তোলাবাজি করলে বা ঘুষ নিলে চাকরি যাবে সিভিকদের, কড়া নির্দেশ লালবাজারের

ইমরান খানের পাশে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

বাবা বাস কন্ডাক্টর, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি হয়ে ইতিহাস ছেলের