আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অভিষেকের হুমকিতেই ঘুম ভাঙল কমিশনের, বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মুরুগনের জবাব তলব

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সি মুরুগনের হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হুমকি দিয়েছিলেন, ‘সি মুরগনের বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের পথে যাওয়া হবে।’ সেই হুমকির পরেই ‘কুম্ভকর্ণের ঘুম’ ভেঙে জেগে উঠল জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। কেন হোয়াটসঅ্যাপে মাইক্রো অবজারভারদের নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন তা নিয়ে পছন্দের পাত্র সি মুরগনের ব্যাখ্যা তলব করেছে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ‘বাঙালি হেনস্থায় বিশেষ হাতিয়ার তামিলনাডুর বাসিন্দা সি মুরুগনের অপকর্ম আড়াল করতেই ব্যাখ্যা তলবের নাটক করছে ‘বিশ্বাসযোগ্যহীন’ নির্বাচন কমিশন।’

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) নামে বৈধ ভোটারদের নির্বাচন কমিশন হেনস্থা করছে অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মামলার শুনানিতেই তিনি প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চের সামনে নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, ‘অবৈধভাবে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসার ও মাইক্রো অবজারভারদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সমাজমাধ্যমে বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক তথা বিতর্কিত আমলা এবং ‘গেরুয়া ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে অভিযুক্ত সি মুরুগনের সঙ্গে মাইক্রো অবজারভারদের একাধিক কথোপকথনের স্ক্রিনশট ফাঁস করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে মাইক্রো অবজারভারদের দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কাজ করাচ্ছে কমিশন।’ তাঁর অভিযোগ, ‘ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ না করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে গোপন নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সি মুরুগন সরাসরি মাইক্রো অবজারভারদের নির্দেশ দিচ্ছেন জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা খতিয়ে দেখতে। অথচ মাইক্রো অবজারভারদের কাজ মূলত তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও, তাঁদের ব্যবহার করে ভোটার তালিকা থেকে বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘বিভিন্ন জেলার রোল অবজারভারদের নামে যে লগইন শংসাপত্র রয়েছে, তা কলকাতার একটি কেন্দ্রীয় স্থান থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে নিশানা করতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে দেখা যাবে যে লগইন করা ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস এবং টাওয়ার লোকেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অবস্থানের কোনও সামঞ্জস্য নেই।’ অভিষেকের ওই অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। এর পরেই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

অপেক্ষার অবসান! আজই প্রকাশিত ICSE এবং ISC পরীক্ষার ফল, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

সতর্ক হোন, ১ মে থেকে বদলে যাচ্ছে রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের নিয়ম

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, জারি কমলা সতর্কতা!

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

‘আমি এইরকম ভোট কখনও দেখিনি’, মিত্র ইনস্টিটিউট থেকে বেরিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ