আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌নির্বাচন কমিশনারের জেল হওয়া উচিত’‌, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে তোপ গোখলের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে এসআইআর নিয়ে রোজই নানা অভিযোগ উঠছে। এই আবহে এবার নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সাখেত গোখলে। এমনিতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জেরে বেকায়দায় পড়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যেই গোখলের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন এমন কাজ করেছে, যাতে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটার এখন বিপদের মুখে পড়েছেন। তাই সাকেত গোখলে দাবি করেছেন, এই ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশনারের জেল হওয়া উচিত। একইসঙ্গে অমিত শাহকেও আক্রমণ করেছেন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তাই এসআইআর পর্বে কলকাতা হাইকোর্টের হাতে ক্ষমতা দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। জুডিশিয়াল অফিসারদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। আর আজ, বুধবার সাকেত গোখলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তোপ দেগেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‌এসআইআর চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকা মিলিয়ে দেখতে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ওই পুরনো তালিকা এআই–এর সাহায্যে বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করা হয়। সেখানে নামের বানানে গরমিল দেখা দেয়। যেমন ‘অমিত’ অনুবাদ হয়ে যায় ‘ও–মিট’। তাই ইংরেজি বানান না মেলায় বহু নামকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত করে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়।’‌

 

অন্যদিকে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসারদের ‘মাইক্রো–অবজার্ভার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এই বিষয়ে সাকেত গোখলের অভিযোগ, মাইক্রো–অবজার্ভারদের শুধু পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থাকলেও বেআইনিভাবে ভোটার বাদ দেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয়। হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নির্দেশ জারি করে নির্বাচন অফিসারদের পাশ কাটানো হয়। তবে সাকেত গোখলের দাবি, ‘‌এই তথাকথিত সফটওয়্যার বিভ্রাটের জেরে প্রায় ১.৬৭ কোটি ভোটারকে সন্দেহের তালিকায় ফেলে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৯৫ লক্ষ মানুষকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়।’‌

এছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিক পথে চলছে না বলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়। আর শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, মাইক্রো–অবজার্ভারদের বদলে বাংলার বর্তমান এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা বিচারকদের দিয়ে শুনানি চালাতে হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পরে বাকি নামের তালিকা সাপ্লিমেন্টারি হিসাবে বের করতে হবে। সেগুলি চূড়ান্ত তালিকার সঙ্গে যুক্ত হবে। এই কথা জানিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘নাগরিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সুবিচার করতেই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ প্রয়োগ করছি।’ আর সাকেত গোখলের কথায়, ‘‌এখন প্রায় ৮০ লক্ষ বৈধ ভোটারের শুনানি তিনদিনের মধ্যে শেষ করার চাপ তৈরি হয়েছে। গোটা প্রক্রিয়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ফলে বাংলার প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার হওয়া উচিত।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

সতর্ক হোন, ১ মে থেকে বদলে যাচ্ছে রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের নিয়ম

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, জারি কমলা সতর্কতা!

বৈষ্ণোদেবীকে দর্শন করে ফেরার পথে গাড়িতে আগুন, পুড়ে ছাই ৫ জন

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ