‘‌তপসিলিদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে’‌, তোপ অভিষেকের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করলেন নজরুল মঞ্চে। এই সভার পোশাকি নাম—‘‌তপসিলি সংলাপ’‌। শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন এখন কঠিন লড়াই। বিজেপি হিন্দু–মুসলিমের রাজনীতি করে চলেছে। জাতি, সম্প্রদায় ধরে রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে তপসিলি জাতি এবং উপজাতিদের অবিরাম, বর্বর নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। জাতপাত নিয়ে বিজেপি নেতারা তাদের উপর অপমান করে, তাদের গভীর গোঁড়ামি প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ অভিষেকের। বিজেপি নেতারা গর্ব করে বলেছে যে ‘‌৪০০ পার’‌। পরে তারা সংবিধানকে ধ্বংস করবে, ভারতের বৈচিত্র্যময় পরিচয় মুছে ফেলার জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রয়োগ করবে এবং সংরক্ষণ সম্পূর্ণ বাতিল করবে বলে অভিযোগ অভিষেকের।

এদিকে তপসিলি জাতি এবং উপজাতিদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। এই তথ্য এনসিআরবি রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই তথ্য দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘‌উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানে সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে তপসিলি জাতি, উপজাতি মানুষজন। মণিপুরে জনজাতির উপর অত্যাচার করেছে। তাই বিজেপি কখনও সমাজের বন্ধু হতে পারে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলছেন, আম্বেদকরের নাম নেওয়া এখন ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। তাই এদের সরকার আবার কেন্দ্রে এলে সংবিধান পাল্টে ফেলার চেষ্টা করবে। বিআর আম্বেদকরের তৈরি করা সংবিধান পাল্টে ফেলতে চায়।’‌

অন্যদিকে তপসিলি জাতি–উপজাতিদের একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তপসিলি জাতি–উপজাতিদের জন্য কী কী কাজ করেছে তাও তুলে ধরেন সাংসদ। বিজেপিকে একহাত নিয়ে অভিষেকের বক্তব্য, ‘‌বাংলার দলিত এবং আদিবাসীদের বিজেপিকে সত্যিকার অর্থে শকুন হিসেবে দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা ভোটের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং বিশ্বাসঘাতকতার পরিকল্পনা করছে। নির্বাচনের সময় এই ভণ্ডরা যখন মধুর মিথ্যা কথা নিয়ে প্রচার করে বেড়াচ্ছে, তখন তাদের দেওয়া অপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলির কথা মনে রাখবেন। বিজেপিকে বিশ্বাস করলে ঠকবেন। বিজেপিকে যারা ভোট দিয়েছেন তাদের বাড়ি গিয়ে বোঝাবেন।’‌

এছাড়া বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে তুলোধনা করেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। এই বিষয়ে সভা থেকে সুর সপ্তমে চড়িয়ে অভিষেক বলেন, ‘‌আমরা দেখে এসেছি জুলাই আগস্ট মাসে রথযাত্রা হয়। জগন্নাথদেবের রথের কথা শুনেছি। শ্রীকৃষ্ণ–অর্জুনের রথের কথা শুনেছি মহাভারতে। আর এই দু’‌নম্বরি নেতাদের রথে চড়তে দেখছি। বিরোধী আসনে বসে ৭০টি আসন পেয়েই রথে চড়ছে। ২০০ পার করলে কীসে চড়ত?‌ এদের পা মাটিতে পড়ছে না। রথ নিয়ে এই বিজেপি নেতারা এলে মাছ–মাংস খাওয়াবেন। বলবেন, আমাদের টাকা তো এত বছর ধরে আটকে রেখেছেন। এই খাবার খান। মিষ্টি থেকে চা সব খাওয়াবেন। আর ওই রথগুলি যত্ন করে রাখতে বলবেন। কারণ ওই রথগুলিতে করেই ফিরে যেতে হবে।’‌

রাজ্য সরকার চাষীদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবন্ধকতা করবে না, প্রতিশ্রুতি কৃষিমন্ত্রীর

নবদ্বীপে জামাইষষ্ঠী খেয়ে ফেরার পথে ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনায় মৃত ২, আহত ২

জটিলতা কাটিয়ে পেট্রাপোল সীমান্তে নতুন ভবনে স্থানান্তরিত থানা

লেবাননে ইজরায়েলের হামলার প্রতিবাদে ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

হাকিমপাড়ায় গণ জামাইষষ্ঠী ,বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ মায়েদের হাতেই বরণ

আফগানদের চুনকাম করে একদিনের সিরিজ জিতলেন শুভমনরা

সাবধান! বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠলে এ বার পকেট থেকে খসবে দ্বিগুণ টাকা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভিটে কিনবে রাজ্য, জানালেন শুভেন্দু

সিপিএম-তৃণমূলের খুঁড়ে যাওয়া গর্ত ঠিক করে সুপারফাস্ট স্পিডে কাজ শুরু হয়েছে: মোদি

মহারাষ্ট্রে মন্দিরের ছাদ ভেঙে মৃত্যু ৪ জনের, ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে উদ্ধার ২৩ জনকে

প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের ৫ উইকেট, ২১৮ রানে গুটিয়ে গেল আফগানিস্তান

তারকেশ্বরে দাঁড়িয়ে বাবা তারকনাথকে স্মরণ করে বক্তব্য শুরু করেন মোদি

সুখবর, মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী সামান্থা প্রভু

হাড়োয়া পিজি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দেড় কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ