সিএপিএফ বিলে মানা হয়নি সংসদীয় নিয়ম, ওয়াকআউট ডেরেক–সহ তৃণমূল সাংসদের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে এখন জোরদার ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। সব দলের প্রার্থীরাই এখন নিজ নিজ কেন্দ্রে চষে বেড়াচ্ছেন। তার মধ্যে এবার নয়াদিল্লিতে সিএপিএফ বা কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ও নিয়োগ সংক্রান্ত নতুন বিলের প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেতা ডেরেক ও’‌ব্রায়েন–সহ দলের সাংসদরা। এই বিল পেশের ক্ষেত্রে যে নিয়ম মানা উচিত ছিল তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ তুলে আজ, সোমবার ওয়াকআউট করেন তৃণমূল সাংসদরা।

এদিকে আজ, সোমবার সংসদের কার্যসূচিতে আধা সেনা বিল পেশ হওয়ার কথা ছিল। রাজ্যসভায় আজ বিলটি পেশ করার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। কিন্তু বিলটির বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন বিরোধী সাংসদেরা। বিল পেশের বিরুদ্ধের নোটিস জমা দেন বিরোধীরা। অভিযোগ, বিল পেশের ৪৮ ঘণ্টা আগে কোনও নোটিশ পাননি সাংসদরা। নিয়ম অনুযায়ী, বিল পেশের আগে সাংসদদের বিলের কপি দেওয়া হয় পড়ার জন্য। সেটা দেওয়া হয়নি। মোদি আমলে একাধিক বিলের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ উঠেছে। এসবের প্রতিবাদেই তৃণমূল সাংসদরা রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, এই বিলটি পেশ করার সময় সংসদীয় নিয়ম মানা হয়নি এবং কেন্দ্রীয় সরকার এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেয়নি।

অন্যদিকে অমিত শাহকে নিশানা করে রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘সংসদে অধিবেশন চলাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে থাকা উচিত। কিন্তু এখন তিনি বাংলায় অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন পরিচালনায় ব্যস্ত।’ এই কথা বলেই ডেরেক–সহ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা ওয়াকআউট করেন। আর দলের সাংসদদের নিয়ে তখনই অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ডেরেক ও’‌ব্রায়েন। প্রস্তাবিত আধা সেনা বিলে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীগুলিতে আইপিএস অফিসারদের জন্য আইজি স্তরের ৫০ শতাংশ পদ সংরক্ষণের সুপারিশ আছে। এই সুপারিশকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সিএপিএফ বিলের বিরোধিতায় কার্যত একজোট বিরোধী শিবির। বিরোধী সাংসদদের মতে, এই বিল ‘অবৈধ’, ‘অসাংবিধানিক’। তাঁদের মতে, এই বিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপন্থী।

এছাড়া এই বিলের ফলে সিএপিএফ বাহিনীর নিজস্ব ক্যাডারদের পদোন্নতির সুযোগ কমে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এই বিলের মাধ্যমে সিএপিএফ নিয়োগ, ডেপুটেশন এবং পদোন্নতি নিয়ন্ত্রণ করতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি ‘‌ছাতা আইন’‌ নিয়ে আসছে বলে বিরোধীদের দাবি। এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল সাংসদরা অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায়ে জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব ক্যাডারদের শীর্ষ পদে বসানোর প্রশ্নে অগ্রাধিকার দেওয়ার হোক। প্রয়োজনে নিয়ম বদলানো হোক। কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ধীরে ধীরে আইপিএসদের নিয়োগ কমিয়ে আনার পক্ষেই মত দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

আজকের রাশিফল: নিজের কথায় সংযত রাখুন, অন্যথায় বিপদ বাড়বে..

মমতার দেশবিরোধী মন্তব্য, এবার লালবাজারে অভিযোগ দায়ের হিন্দু মহাসভার

তারেক রহমানের ‘লাল টেলিফোনের’ তার চুরি, পাকড়াও দুই সাগরেদ

ফিরহাদের দুয়ারে এবার সিআইডি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে জেরা

স্বস্তির বৃষ্টিতে মুহুর্মুহু বাজ পড়ে তিন জেলায় প্রাণ হারালেন সাত জন

রাজ্যসভার ১১ আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, কারা টিকিট পেলেন?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বিরোধী দলনেতা? ব্যাখ্যা দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

কটাক্ষের শিকার, ইনস্টা লাইভ চলাকালীন বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা নেটপ্রভাবীর

‘রেজিনগর থেকে উপনির্বাচনে লড়ুন’, নিঃসঙ্গ মমতাকে প্রস্তাব হুমায়ুন কবীরের

রাহুলের ‘গদ্দারি’তে ক্ষুব্ধ স্ট্যালিন, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত ডিএমকে’র

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়ার কাজ শুরু রাজ্য সরকারের

ঋতব্রতদের শিবিরে ভাঙন! মমতাকেই দলনেত্রী মানছেন বিদ্রোহী বিধায়কদের একাংশ

২৪ ঘণ্টায় বিএসএফ-এর দশটি পুশব্যাক রুখে দেওয়ার দাবি বিজিবি’র

‘এবার থেকে ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করবেন’, প্রযোজকদের আশ্বাস পাপিয়া অধিকারীর