ম্যান্ডারিন ভাষায় প্রচার তৃণমূল কংগ্রেসের, চিনা ভোট টানতেই অভিনব পদক্ষেপ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। আর একসপ্তাহ পরেই বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। আর তার মধ্যেই এবার সামনে এল তৃণমূল কংগ্রেসের অভিনব ভোট প্রচার। এটাকে অনেকে নতুন রণনীতিও বলছেন। যে স্ট্র্যাটেজির মূলে রয়েছে চিনা ভোটব্যাঙ্ক। আর তাই ইতিমধ্যেই কলকাতার চিনা সম্প্রদায়ের মন পেতে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল। আর আজ, বুধবার নববর্ষের দিন দেখা গেল, রীতিমতো ম্যান্ডারিন ভাষায় ঘাসফুলকে সমর্থন করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাভেদ খান।

এদিকে এই ম্যান্ডারিন ভাষায় তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোটে সমর্থন করতে বলার মধ্যে চিনা ভোটব্যাঙ্ক ইভিএমে নিয়ে আসতে চাইছেন বলে মনে করা হচ্ছে। একদা কলকাতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় চিনারা বাস করতেন। ১৯৬০ সালে চিনাদের জনসংখ্যা ছিল ৫০ হাজার। পরে তাঁদের বেশিরভাগই সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দিলে জনসংখ্যা কমে যায়। এখন চিনাদের জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই এখনও কলকাতায় থাকেন। ব্যবসা–বাণিজ্য করে নিজেদের বাড়ি গড়ে ফেলেছেন। আর সেই ভোটব্যাঙ্কও এবার হাতছাড়া করতে চায় না তৃণমূল কংগ্রেস। তাই তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে সমর্থনের জন্য ট্যাংরার দেওয়ালে ম্যান্ডারিন ভাষায় গ্রাফিতি এঁকেছেন।

অন্যদিকে এবার এসআইআর প্রক্রিয়ার পর বহু চিনাদের নাম বাদ গিয়েছে। তারপরও যে সংখ্যাটা পড়ে আছে সেটা হাতছাড়া করতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষে কলকাতায় চিনা বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে একজন ছিলেন টং আচু। তিনি ১৭৭৮ সালে বজবজের কাছে একটি চিনিকল শুরু করেছিলেন। তবে কসবা কেন্দ্রের অন্তগর্ত চিনা পাড়ায় ম্যান্ডারিন ভাষায় প্রচার করা হয়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান বলেন, ‘‌আমার নির্বাচনী এলাকাটি একটি মিনি–ইন্ডিয়া। যেখানে নানা ধর্ম, বর্ণ ও ভাষাভাষীর মানুষ একসঙ্গে বসবাস করেন। আমি আমার নির্বাচনী এলাকার চিনা ভোটারদের সম্মান রক্ষার জন্য ম্যান্ডারিন ভাষায় আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’‌

এছাড়া এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নানা ধরণের প্রচার দেখা গিয়েছে। তবে ম্যান্ডারিন ভাষায় নির্বাচনী প্রচার এবং গ্রাফিতি আঁকা সত্যিই অভিনব পদক্ষেপ। ইন্ডিয়ান চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে খবর, চিনা জনগোষ্ঠী সাহায্যের জন্য সেভাবে সরকারের কাছে যান না। তবে বেশিরভাগ মানুষ এখানে একসঙ্গে ভোট দেন। আর এখানের তরুণ প্রজন্ম রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। কলকাতার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে অন্তত ৪৮৪ জন চিনাকে ২০২৬ সালের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ৪৮৪ জনের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের কোনও খোঁজ মেলেনি।

কেলোর কীর্তি, টানা ১০ বছর সেনেগাল ফুটবল দলের প্রধান চিকিৎসকের দায়িত্বে স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ

বর্ষাকালের ‘অজুহাত’ দেখিয়ে ব্রিগেডে শহিদ সমাবেশের প্রস্তাবে না মমতাপন্থী তৃণমূলের

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের পরিবারের সদস্যরা ইডির নজরে

কত শূন্যপদ রয়েছে? অরণ্য সপ্তাহ কর্মসূচির মাঝেই জানতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

শাহরুখ খানকে স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট, ‘মন্নত’ সংস্কারে বাধা কাটল

ধর্ষণ-খুন কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বারুইপুরে নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগ

লাইব্রেরির চাকরি ছেড়ে ঘর মোছার চাকরি বাছলেন তরুণী, কারণ জানলে চমকে যাবেন

‘ভয় পাই না’, সেমিফাইনালের লড়াইয়ের আগে ফ্রান্সকে হুঙ্কার ইয়ামালের

রাজ্যের গোয়েন্দা প্রধান হলেন এন রমেশবাবু, বদল বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারও

হরমুজে জাহাজে হামলায় নিহত ভারতীয়, ইরানি দূতকে তলব বিদেশ মন্ত্রকের

‘তৃণমূল সরকার গাছকেও ছাড়েনি, সব ধ্বংস করে দিয়েছে,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশিতে জেরবার, ইমিউনিটি বাড়াতে খান ৫ পুষ্টিকর স্যালাড

মৃত ব্যক্তিও পাচ্ছেন আবাস যোজনার টাকা! চাঞ্চল্য মঙ্গলকোটে

পহেলগাঁও হামলায় অভিযুক্ত হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় পরোয়ানা জারি