চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভোটের আগেই মমতা-অভিষেককে ‘নজরবন্দি’ করছে নির্বাচন কমিশন!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ‘বিশ্বাসযোগ্যহীন’ নির্বাচন কমিশনের সঙ্ঘাত তুঙ্গে। আর সেই সঙ্ঘাতের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘নজরবন্দি’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের ভোটের পরেই তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা-নেত্রীকে ‘নজরবন্দি’ করা হবে। ভোটগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ‘নজরবন্দি’ দশা বজায় থাকবে। সেক্ষেত্রে মমতা ও অভিষেককে ভোট দেওয়ার জন্য তাদের বুথে যেতে দেওয়া হবে না। বাড়িতে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে। কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, ‘ভোটের দিন অশান্তি তৈরিতে যাতে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা-নেত্রী ভূমিকা রাখতে না পারেন তার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

ভারতের ইতিহাসে ভোটের সময়ে কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ‘নজরবন্দি’ করার নজর নেই। তবে বাংলা-সহ বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের সময়ে ‘বিতর্কিত’ ও ‘বাহুবলী’ নেতাদের ‘নজরবন্দি’ করার নজির রয়েছে। বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে বেশ কয়েকটি নির্বাচনের সময়ে ‘নজরবন্দি’ করেছিল কমিশন। এমনকি তিনি যাতে ঘরে বসে দলের নেতা-কর্মীদের কোনও নির্দেশ না দিতে পারেন তার জন্য মোবাইল ও ল্যান্ডলাইন ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁদের গতিবিধির উপরে নজরদারি চালানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ওই নির্দেশ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। যদিও তা নিয়ে কমিশনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, গত শনিবারই সল্টলেকে সিআরপিএফের তৃতীয় সিগন্যাল সেন্টারের অডিটোরিয়ামে বাংলার বিধানসভা ভোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার শীর্ষ আধিকারিকরা। ওই বৈঠকে সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, এসএসবি, ইন্দো-তিবেতিয়ান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) ডিরেক্টর জেনারেলরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে ‘তৃণমূল ক্যাডারদের’ শায়েস্তা করার জন্য আধা সেনা জওয়ান ও আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা অশান্তি করবে তাদের হাত-পা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সিআরপিএফ ও সিআইএসএফের ডিজিরা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

‘এবারে সরকার গড়তে না পারলে আর কোনও দিনই পারব না’,তমলুকে মন্তব্য হিমন্ত’র

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’,অনাহারে দিন কাটছে ৯৪ বছরের বাউল শিল্পীর

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ