জানেন কি রুটি জনপ্রিয় হওয়ার আগে ভারতীয়দের কাছে জনপ্রিয় ছিল এই ৭ প্রাতরাশ?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আজকের ব্যস্ত জীবনে সকালের খাবার মানেই অনেকের কাছে পাউরুটি, টোস্ট বা স্যান্ডউইচ। কিন্তু একসময় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে দিনের শুরু হতো সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের আঞ্চলিক ও ঘরোয়া খাবার দিয়ে। স্থানীয় শস্য, চাল, ডাল, দই, গুড় এবং ঋতুভিত্তিক উপকরণ দিয়ে তৈরি সেই সব খাবার শুধু পেট ভরাত না, বরং স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাদ্যঐতিহ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। সময়ের সঙ্গে এই খাবারগুলির অনেকই মূলধারার বাইরে চলে গেলেও এখনও কিছু পরিবারে সেগুলির প্রচলন রয়েছে।

অসমের জল্পান

অসমের ঐতিহ্যবাহী এই প্রাতরাশে ছিল চিঁড়ে, মুড়ির সঙ্গে গরম দুধ ও গুড়। বিশেষ করে বিহু উৎসবের সময় এই খাবারের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।

বিহারের দহি-চূড়া

চিঁড়ে, দই, দুধ, গুড় ও মৌসুমি ফল দিয়ে তৈরি এই পদটি গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পুষ্টিকর সকালের খাবার হিসেবেও পরিচিত।

তামিলনাড়ুর ভেন পঙ্গল

চাল ও মুগডাল দিয়ে তৈরি এই নরম ও সুস্বাদু খাবারে সর্ষে, আদা, গোলমরিচ ও হিংয়ের ফোড়ন দেওয়া হয়। দক্ষিণ ভারতে এটি এখনও জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী ব্রেকফাস্ট।

গুজরাতের হ্যান্ডভো

চাল ও ডালের ফারমেন্টেড ব্যাটারে সবজি মিশিয়ে তৈরি এই পদ বাইরে থেকে মুচমুচে, ভিতরে নরম। পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরেই গুজরাতের ঘরোয়া রান্নার অংশ।

অওধের রোঘিনী রুটি-আলু কি কাতলি

অওয়াধি রান্নাঘরে প্রাতরাশের জন্য তৈরি হতো রোঘিনী রুটি। এই রুটি যা ক্রিম দিয়ে তৈরি করা হতো এবং এর সাথে থাকত আলু কি কাতলি, যা মশলাদার আলুর পদ। ক্রিম বা দুধ দিয়ে তৈরি নরম রোঘিনী রুটির সঙ্গে পরিবেশন করা হতো এই মশলাদার আলুর পদ। একসময় রাজকীয় প্রাতরাশের তালিকায় এই খাবারের বিশেষ স্থান ছিল।

মহারাষ্ট্রের জুঙ্কা ভাকরি

মহারাষ্ট্রে, জোয়ার, বাজরা, রাগি বা চালের মতো আটা দিয়ে তৈরি রুটি ভাকরি বহুকাল ধরেই একটি প্রধান খাদ্য। এর সাথে প্রায়শই জুঙ্কা পরিবেশন করা হতো, যা হল বেসনের তরকারি এবং যা একসময় স্বল্পমূল্যের গণক্যান্টিন ও বাড়ির রান্নাঘর উভয়কেই সচল রাখত। এটি এমন এক ধরনের প্রাতরাশ যা অবসরের জন্য নয়, বরং পরিশ্রমের জন্য তৈরি।

বাংলার পিঠে ও পাটিসাপটা

বাংলা ও পূর্ব ভারতের শীতকালীন খাদ্যসংস্কৃতির অন্যতম পরিচয় পিঠে ও পাটিসাপটা। চালের গুঁড়ো, নারকেল ও গুড়ের পুরে তৈরি এই পদ একসময় অনেক পরিবারে সকালের খাবারের অংশ ছিল।খাদ্যবিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঐতিহ্যবাহী প্রাতরাশগুলি শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্থানীয় উপকরণ, ঋতুভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস এবং সুষম পুষ্টির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় হারিয়ে যাওয়া এই খাবারগুলি আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরে আসতে পারে, যদি ঘরোয়া রান্নার ঐতিহ্যকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে পাঁচ রাশির জাতকদের পকেটে আসবে কাড়ি কাড়ি টাকা! কারা তাঁরা?

গাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণ, হঠাৎ অর্থপ্রাপ্তি, রাশি মিলিয়ে দেখে নিন আজকের দিনটি কেমন যাবে?

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যুমিছিল, নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১,৪৩০

করাচিতে আধা সামরিক বাহিনীর ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৪

‘হুগলির ভূগোলই ঠিকমতো জানে না,’ রচনার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কল্যাণ

মেলোডির পর মালদহের আম যাচ্ছে মেলোনির কাছে

অনুমতি ছাড়াই দলের নাম-লোগো ব্যবহার, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ কালীঘাট তৃণমূলের

বিয়েতে ১০০’র বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা করের প্রস্তাব বাংলাদেশ সংসদে

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যের জন্য হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান, রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬.২, কাঁপল পাকিস্তান-ভারত

বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর কন্যাকে সরকারি চাকরি, ঘোষণা শুভেন্দুর

জানেন কি রুটি জনপ্রিয় হওয়ার আগে ভারতীয়দের কাছে জনপ্রিয় ছিল এই ৭ প্রাতরাশ?

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে খুন করে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী স্বামী

ভাগবত পাঠের আসরে নাচার শাস্তি, কুড়ুল দিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ধড়মুণ্ডু আলাদা করলেন স্বামী