বিয়েতে ১০০’র বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা করের প্রস্তাব বাংলাদেশ সংসদে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বিয়ে-সহ সামাজিক অনুষ্ঠানগুলিতে অর্থশালীদের বৈভব প্রদর্শন রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ যখন পেটে একবেলার খাবার জোটাতে হিমশিম খাচ্ছেন তখন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে কোটি-কোটি টাকা ওড়াচ্ছেন ধনীরা। অনুষ্ঠানের নামে বৈভব প্রদর্শনের ‘খেলা’ রুখতে এবার বিয়ে-গায়ে হলুদ সহ সামাজিক অনুষ্ঠানে ১৯৮৪ সালের প্রবর্তিত কঠোর আইন চালুর দাবি জানালেন বিএনপি সাংসদ শাহাদাত হোসেন। জাতীয় সংসদে জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনায় তিনি দাবি জানান, ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৮৪’ কার্যকর হোক। বিয়ে-সহ সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০-র বেশি অতিথি থাকলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা হারে কর আদায় করা  হোক।’

জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপি সাংসদ বলেছেন, ‘বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বিয়েতে ব্যাপক অপচয় হচ্ছে। গায়ে হলুদ-সহ নানা আয়োজনে অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান ও নাচ-গানের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে পরিবেশিত খাবারেরও বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়।  অতীতে একটি ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ ছিল, যেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি অতিথি হলে কর আরোপের বিধান ছিল। এখন থেকে সামাজিক বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে কর নির্ধারণ করা হোক।’ তিনি যুক্তি পেশ করেছেন, ‘বিয়ে-সহ পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় কমানো গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপও কমবে। অপচয় বন্ধ করা সম্ভব হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।’

অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন কী? ১৯৮৪ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জমানায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় রুখতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। ১৯৫৬ সালের ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই বিশেষ এই আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রক। আদেশে বলা হয়, ‘কোনও ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনও খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না। বিশেষ কারণে যদি কোনও অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী আধিকারিকের কাছ থেকে আগাম অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ টাকা ফি জমা দিতে হবে। ণীয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড আধিকারিক কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি আধিকারিক অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে পারবেন এবং তল্লাশি চালাতে পারবেন।’  ২০০৩ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি বা শ্রাদ্ধের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফি’র বাইরে রাখা হয়।’

ফের অগ্নিগর্ভ দিল্লি, তলস্তয় মার্গে পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ

পড়ুয়াদের নিশানায় থাকা ধর্মেন্দ্র প্রধান ৩০ বছর আগে প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন

সুস্থ থাকতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন স্যুপ খাওয়া উপকারী?

শোওয়ার আগে এক চামচ পিনাট বাটার! সারারাত নিশ্চিন্তে ঘুমোতে সাহায্য করবে

৭ লক্ষ টিকিট বিক্রি, মুক্তির আগেই ২৩ কোটি টাকা আয় করে ফেলল বিজয়ের ‘Jana Nayagan’

‘৫ বছরে তিনবার নিট প্রশ্ন ফাঁস, জবাবদিহিতা নেই’, এবার সুর চড়ালেন বিজেপিত্যাগী আন্নামালাই

WBSEDCL-গ্রাহকদের সুখবর, এবার থেকে প্রতি মাসে দিতে হবে বিদ্যুতের বিল

প্রৌঢ়াকে ধর্ষণের পর পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা! চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাড়গ্রামে

‘প্রতিবাদ ও ভিন্নমত গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ’, যন্তরমন্তরে ধর্নাকে সমর্থন নিটের শীর্ষস্থানাধিকারীর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সুখবর, সপ্তম পে কমিশন গঠন করল শুভেন্দু সরকার

৫৭ বছরের ছোট তরুণীকে বিয়ে, সাতক্ষীরার সাংসদকে বহিষ্কার করল জামায়াতে ইসলামী

অঙ্গনওয়াড়িতে ডিম কিনতে বরাদ্দ বৃদ্ধি রাজ্যের, বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর

‘আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করলে অনশন ভাঙব,’ কেন্দ্রকে বার্তা ওয়াংচুকের

‘১০ বছরে ১৫২ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে’, মোদি সরকারকে নিশানা রাহুলের