ওজন কমানোর ওষুধেই বাড়তে পারে সমস্যা! কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ওবেসিটি বা স্থূলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। অতিরিক্ত ওজনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্লিপ অ্যাপনিয়া, ফ্যাটি লিভার এবং অস্থিসন্ধির সমস্যার মতো একাধিক জটিলতা। দীর্ঘদিন ধরে স্থূলতার চিকিৎসায় খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির উপর নির্ভর করতেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেমাগ্লুটাইডের মতো নতুন প্রজন্মের ওজন কমানোর ওষুধ ও ইনজেকশনের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, অস্ত্রোপচার ছাড়াই কি এবার অতিরিক্ত ওজন কমানো সম্ভব? নাকি গুরুতর স্থূলতার ক্ষেত্রে এখনও প্রয়োজন ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি?

ওজন কমানোর ওষুধ কীভাবে কাজ করে?

বর্তমানে GLP-1-ভিত্তিক ওষুধ এবং এই ধরনের অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ওষুধগুলি বিপাকীয় প্রক্রিয়ার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করলে অনেকের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ওজন হ্রাস সম্ভব হয়। তবে ওষুধের কার্যকারিতা সবার ক্ষেত্রে এক রকম নয়। কারও ক্ষেত্রে ভাল ফল পাওয়া যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে ওজন কমার পরিমাণ প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে। দীর্ঘদিন ওষুধ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে। পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ওষুধের খরচ, সহজলভ্যতা এবং নিয়মিত ব্যবহারের বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে কিছু মানুষের ওজন আবার বেড়ে যেতে পারে।

তাহলে কি ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির প্রয়োজন ফুরিয়ে গিয়েছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের স্থূলতা অত্যন্ত বেশি এবং তার সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। এর ফলে উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী ওজন হ্রাসের পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যার উন্নতি হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের আগে রোগীর বিপাকীয় স্বাস্থ্য উন্নত করতে ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে। অন্যদিকে, সার্জারির পরেও কারও ওজন পুনরায় বেড়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাৎ, ওষুধ ও সার্জারিকে সব সময় পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী দুই পদ্ধতি আলাদা সময়ে বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একসঙ্গেও চিকিৎসার অংশ হতে পারে।

ভারতকে হারাতে মরিয়া নিউজিল্যান্ড, শেষ তিন T-20-র আগে কিউয়িদের দলে একাধিক বদল

ভারতে ঢুকে বালি-পাথর চুরি করছিল, বাধা দিতেই BSF-র উপর হামলা বাংলাদেশিদের

লক্ষ্মীপুজোর দিনে বাড়িতেই নিজের হাতে বানিয়ে নিন রাজকীয় ‘ছানামুখী’

ভাড়া বাড়িতে জাল নোটের কারখানা! ভাড়াটিয়ার কীর্তিতে হতবাক বাড়িওয়ালা, উদ্ধার ৩৭ লক্ষ টাকা

দুর্গাপুজো হয় না, চার দিন ধরে ধুমধাম করে চলে লক্ষ্মীপুজো! বালুরঘাটের গ্রামের এই বিশেষ রীতি জানেন?

‘স্কুলে পাস-ফেল প্রথা চালু করতে হবে,’ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

‘তৃণমূলের মতো ভেজাল পার্টি দেখিনি, দলটা উঠেই গেল’ কটাক্ষ দিলীপের

মা লক্ষ্মীর ভোগের জন্য অল্প সময়েই বানিয়ে ফেলুন আলু ফুলকপির ডালনা

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত শিল্পী যোগেন চৌধুরী

SIR-এ কোন সফ্টওয়্যারের ব্যবহার করা হয়েছিল? উত্তর দিতে নারাজ জ্ঞানেশের কমিশন

‘হবু পরিচালকদের মগজধোলাইয়ের চেষ্টা চলছে’, SRFTI-এ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে নাসিরুদ্দিন

রবি রাতেই ইরানের ‘খেলা শেষ’! ভয়ানক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বাগদানের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় মৃত ৩, দেহ উদ্ধারে ডাক পড়ল বুলডোজারের

ফ্রান্সের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ক্যাপ্টেন আমেরিকা-ব্ল্যাক প্যান্থার! গ্রেফতার এক হাজার