এই মুহূর্তে

‘ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই’, ক্ষমতালোভী মোল্লা ইউনূসের রক্তচাপ বাড়ালেন খালেদা-পুত্র

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: সংস্কারের অছিলায় পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার জন্য মরিয়া মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। পাকিস্তানি দালাল জামায়াত ইসলামী-জাতীয় নাগরিক পার্টিকে পাশে নিয়ে বিদেশি সংস্থার কাছে দেশ বিক্রি করতে কোমর কষে ঝাঁপিয়েছেন। শনিবার থেকেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তোলাতে শুরু করেছেন পোষ্যভৃত্য শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামদের দিয়ে। যদিও একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক সেনাবাহিনীর দোসর ইউনূসের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিতে আসরে নেমেছে খালেদা জিয়ার দল বিএনপিও। রবিবার (২৫ মে) কোনও রাখঢাক না রেখে মোল্লা ইউনূসের রক্তচাপ বাড়িয়ে খালেদা-পুত্র তারেক রহমান হুঙ্কার ছেড়েছেন, ‘ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। নির্বাচন পিছিয়ে ক্ষমতা ভোগ করার ষড়যন্ত্রকারীদের কীভাবে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় নামানো যায়, তা ভালই জানা আছে।’ শুধু তারেক-ই নন, ইউনূস সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা গয়েশ্বর রায়। তিনি হুঙ্কার ছেড়ে বলেছেন, ‘বিএনপি কর্মীরা রাস্তায় নামলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ল্যাজ গুটিয়ে পালাবে ইউনূস।’

গত বুধবারই তদারকি সরকারকে নির্বাচনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামান। ঢাকার সেনাকুঞ্জে সেনার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে হবে। কোনও অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ সরকার জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।’ সেনাপ্রধানের ওই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা ইউনূস গ্যাংয়ের অবশ্য সেনাপ্রধানের ওই মন্তব্য পছন্দ হয়নি। তাই ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না করার জন্য ফের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা করতে শুরু করেছে। এদিনই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার এজেন্ট তথা রাজাকার পুত্র প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকেও বসেছেন মোল্লা ইউনূস।

যদিও পাকিস্তানের পোষ্যভৃত্য তদারকি সরকারের নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা মোটেও ভাল চোখে দেখছেন না বিএনপি নেতারা। গতকাল শনিবারই (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে বিএনপি নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে এসেছিলেন, ‘অপমানিত হয়ে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে না চাইলে অবিলম্বে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করুন’। এদিন ফের একবার ডিসেম্বরে নির্বাচন করার দাবি তুলেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ‘তদারকি সরকারের নেতৃত্বে জনগণ দেশের ইতিহাসে অবিলম্বে অবাধ, নিরপেক্ষ একটি জাতীয় নির্বাচন দেখতে চায়। দেশে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। যে কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথে নেমে আসছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই মুহূর্তে তাদের দাবি শোনার কেউ নেই।’ তদারকি সরকার দেশবাসীকে সংস্কারের নাম গাজরের মুলো দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে তারেক বলেন, ‘অল্প কিংবা বেশি সংস্কার বলে কিছু নেই। রাষ্ট্র ও রাজনীতির প্রয়োজনে সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে পুঁথিগত সংস্কারের চেয়ে প্রায়োগিক সংস্কার বেশি জরুরি।’

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মৌলবাদীদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ঢাকায় পয়লা বৈশাখে বের হল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

২০২৪ সালের ৪ অগস্টই শেখ হাসিনাকে খুনের ছক কষেছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার

বর্ষবরণের আগে ইলিশ ছুঁলে লাগছে ছ্যাঁকা, কেজি ছাড়াল ৭,৫০০

গান-বাজনার উল্লাসের মাঝেই যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ৫

তারেকের জমানায় মবের মুল্লুক, কুষ্টিয়ায় হামলা চালিয়ে পীরকে পিটিয়ে হত্যা মৌলবাদীদের

ভয় দেখিয়ে তিন ছাত্রকে ধর্ষণ, গ্রেফতার নরপিশাচ মাদ্রাসা শিক্ষক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ