এই মুহূর্তে

কর্মক্ষেত্রে সুখী পরিবেশের জন্য চালু হচ্ছে দেশের প্রথম পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি: রুজি-রোজগারের জায়গা নিয়ে কর্মীদের ক্ষোভ অন্তহীন। কারও আক্ষেপ বেতন নিয়ে। কারও বা নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি না হওয়া নিয়ে। ফলে এক অসুখী মন নিয়েই কাজ করে চলেন সিংহভাগ কর্মীরা। তার প্রভাব পড়ে সংস্থার কাজের ক্ষেত্রেও। সেই অসুখ দূর করতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে সুখী পরিবেশ তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বেশ কয়েকজন উদ্যোগপতি। চালু হচ্ছে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’।  আগামী  জুলাই মাসের শেষের দিকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইতে ওই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে ভারতের শিল্প দুনিয়ার শীর্ষ কর্তারা খাতের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

আচমকাই কেন চালু হচ্ছে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’? এর মূল লক্ষ্য হল, বিভিন্ন কর্মীদের মনোভাব জানা, তাদের ক্ষোভ চিহ্নিত করে সংস্থাগুলোকে ভবিষ্যতে মসৃণ পথে চলতে সংস্থাগুলোকে সাহায্য করা। বাস্তবসম্মত ও অর্থবহ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় সুস্থ কর্মসংস্কৃতি রয়েছে, সেই সব সংস্থাকে বাকিদের কাছে আদর্শ হিসাবে তুলে ধরা। কর্মীদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এবং ব্যবসায়িক ফলাফলের সঙ্গে এক সমন্বয় ঘটানোই মূল লক্ষ্য। আয়োজকদের মতে, ‘এই পুরস্কারগুলো সেইসব সংস্থাকে কুর্নিশ জানাবে যারা অর্থবহ কর্মপরিবেশ বজায় রেখে চলছে।’‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’-এর পুরস্কার কারা পাবেন তা নির্ধারণ করতে এক জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাতে রয়েছেন আরপিজি গ্রুপের চেয়ারম্যান হর্ষ গোয়েঙ্কা। টাটা প্লে’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও হরি‍ৎ নাগপাল, ইয়াপ ডিজিটালের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান অতুল হেগড়ে, ‘এইচআর কথা’র সম্পাদক প্রজ্জ্বল সাহা, বিপিসিএলের কার্যনির্বাহী পরিচালক পুষ্পকুমার নায়ার। এই জুরি বোর্ড জমা পড়া আবেদনপত্রগুলো বিচার করে পুরস্কার বিজয়ীদের বেছে নেবেন। আরপিজির চেয়ারম্যান হর্ষ গোয়েঙ্কার মতে, ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’ পুরস্কারের জন্য যে জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধি রয়েছেন। সংস্থার অগ্রগতি ও কর্মক্ষমতার ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রের সুখী পরিবেশ একটি চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ ‘হ্যাপিএস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক’-এর প্রতিষ্ঠাতা রাজ নায়েকের মতে, ‘অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে উপেক্ষা করে।এই পুরস্কার সেইসব প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেবে যারা দৈনন্দিন কর্ম অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া  হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের অনুভূতি উন্নত করতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্য করাই মূল লক্ষ্য।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

১৫০ দিনের ভ্যালিডিটি দিচ্ছে BSNL, জলের দরে মিলছে ২ জিবি ডেটা ও আনলিমিটেড কল

নববর্ষে মুখে হাসি গহনাপ্রেমীদের, ফের সস্তা সোনা, ২২ ক্যারেটের দাম কত হল?

যুদ্ধের আবহেও শেয়ার বাজার খুলতে বিরাট লাফ সেনসেক্সে, মুখে হাসি বিনিয়োগকারীদের

ভ্যাপসা গরমে মিলবে স্বস্তি, ১.৫ টন এসিতে বাম্পার ডিসকাউন্ট দিচ্ছে Amazon

পয়লা বৈশাখের আগে স্বস্তি, কলকাতায় সোনা ও রুপোর দামে সামান্য পতন

Jio-তে ২০০ টাকার কমেই মিলবে প্রতিদিন ২ জিবি ডেটা ও আনলিমিটেড কলিং

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ