এই মুহূর্তে




সোমে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় সরাসরি টিভিতে সম্প্রচার হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সোমবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে ঘটতে চলেছে বড় ঘটনা। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হবে রায়দান। ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে উঠেছে হাসিনার বিরুদ্ধে। গণহত্যার বিরুদ্ধে হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তারই রায়দান হবে সোমবার। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এই রায়দান সরাসরি সম্প্রচার করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রাক্তন প্রধান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার রায়দান করবে।ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা ১২টা ৯ মিনিটে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদসহ অন্যরা ছিলেন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে।  বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও প্রাক্তন পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার রায়দান হবে।  বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মহম্মদ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী রয়েছেন ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হিসেবে। এই মামলার পক্ষে বিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পরেই রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

জানিয়ে রাখা ভালো, তিন অভিযুক্তের মধ্যে প্রাক্তন পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।  শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। হাসিনার বিরুদ্ধে এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন সাক্ষী । তাদের মধ্যে ছিলেন গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতা, স্বজনহারা পরিবারের সদস্যরা, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় অশান্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। মৃত্যু হয়েছিল বহু মানুষ। ক্ষমতাচ্যুত হন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মামালা দায়ের করা হয় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। মামলার পর ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচারকাজ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাইব্যুনাল সেই দিনেই মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। প্রথমে মামলায় শেখ হাসিনাই ছিলেন একমাত্র আসামি, পরে বাকিদের নাম জড়ায়।  জানিয়ে রাখা ভালো, শেখ হাসিনার এই মামলায় ৮৪ জনকে সাক্ষী করা হলেও ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ৫৪ জন। আমির হোসেন তাদের সবাইকেই জেরা করেছেন । মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ১২ মে প্রতিবেদন জমা দেয় ।   মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে।  যার মধ্যে তথ্যসূত্র রয়েছে  ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, বাজেয়াপ্ত তালিকা ও দালিলিক প্রমাণা  ৪ হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ রয়েছে ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বর্তমানে হাসিনা বাংলাদেশে নেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। সোমবার হবে হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘লাশের পরিবর্তে লাশ’, ফের রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়ার হুমকি হাসিনা উচ্ছেদ আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ডের

ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জয়েশের সহযোগী সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের  

‘নিরাপদ নয়’, বাংলাদেশে ঘোরা নিয়ে নাগরিকদের সতর্ক করল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

‘সেভেন সিস্টার্সকে বিচ্ছিন্ন করে দেব’, হুঙ্কার মোল্লা ইউনূসের পোষ্যপুত্র হাসনাতের

আইপিএলের নিলামে দল পাবেন সাত বাংলাদেশি ক্রিকেটার?

পাক হানাদারদের পথ অনুসরণ করে এবার বুদ্ধিজীবী‌ নির্মূল অভিযান শুরু মোল্লা ইউনূসের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ