‘অতীতে আটকে থাকলে…’, তারেক রহমানকে ‘রাজধর্ম’ স্মরণ করালেন দীনেশ ত্রিবেদী

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা টেনে লাগাতার দিল্লিকে নিশানা করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্যাঙাতরা। এবার বাংলাদেশের বর্তমান শাসককুলকে ‘রাজধর্ম’ পালনের কথা স্মরণ করালেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষা‍ৎ করেন তিনি। তার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দীনেশ বলেন, ‘অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।’ কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, অতীত আঁকড়ে থেকে যেভাবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্যাঙাতরা, তাতে যে মোদি সরকার খুব একটা সন্তুষ্ট নন, তাই বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রদূত।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লিকে শিক্ষা দিতে পাকিস্তান ও চিনের দিকে ঝুঁকেছেন তারেক রহমান। চিন থেকে যুদ্ধবিমান কেনার পাশাপাশি পাকিস্তানের সহায়তায় দেশে দ্বিতীয় সমরাস্ত্র কারখানা গড়ে তোলারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও অতীত ভুলে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের জন্য একাধিকবার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনাকে না ফেরত দেওয়া পর্যন্ত দিল্লির মাটিতে পা রাখবেন না বলে দিল্লিকে জানিয়ে দিয়েছেন খালেদা-পুত্র।

এদিন স্থানীয় সরকার ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মোদির দূত দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কী হচ্ছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। করাও উচিত নয়। দেশের মানুষ ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত সরকারই জনগণের জন্য কোনটি ভাল, তা ভাল বুঝবে।অতীত আমরা ভুলতে পারি না, কিন্তু অতীতে আটকে যাওয়ারও কোনও জায়গা নেই। অতীতে আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না।’

দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা যে একটা বড় চ্যালেঞ্জ তা স্বীকার করে নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ থাকবেই। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ যেমন বিবেচনায় নিতে হবে, তেমনি ভারতের চ্যালেঞ্জও বুঝতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব দুই দেশেরই রয়েছে। আমরা বলি, সীমান্তের সঙ্গে আমরা স্বপ্নও শেয়ার করি। সেজন্য প্রতিবেশী হিসেবে দায়িত্ব বেড়ে যায়। আমরা সমান। কেউ বড় কিংবা ছোট নয়।’

 

সকালে জলখাবারে পরোটা নয়! বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে মুলোর চিল্লা, রইল সহজ রেসিপি

সোরিয়াসিসের সমস্যা বাড়ছে? বাড়িতেই এই ৫ নিয়ম মেনে যত্ন নিন ত্বকের

রাম একাদশী কবে, জেনে নিন দিনক্ষণ, পুজো দেওয়ার সঠিক সময়

ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি ফেরাতে কার্তিক মাসে করুন প্রদীপ দান? জেনে নিন এর সঠিক নিয়ম

সৌদিতে শিরশ্ছেদ হওয়া বাংলাদেশি যুগলের চুমুর দৃশ্য ফেসবুকে আপলোড, জেলের ঘানি টানছে মুর্শিদাবাদের যুবক

SRFTI-তে অশান্তির ঘটনায় পড়ুয়াদের কাঠগড়ায় তুলে রিপোর্ট পেশ তদন্ত কমিটির

দক্ষিণ ভারতের পথে অর্ণব, বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মঙ্গল থেকেই ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

‘বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করব’, প্রেমিককে হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রহস্যমৃত্যু তরুণীর 

ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে উত্তেজনা

মা তারার আবির্ভাব তিথিতে বিশেষ পুজো তারাপীঠে, ভোগেও রয়েছে অভিনবত্ব

লক্ষ-লক্ষ মানুষের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, মাঠে নামানো হল ৭০ হাজার পুলিশ

মালদহে ভয়ানক পরিস্থিতি, গঙ্গার জল ঢুকতে পারে শহরে, ভাঙন দেখে আশঙ্কা মুখ্যসচিবের

লক্ষ্মীপুজোর দিনেই রীতি মেনে সম্পন্ন হল নৈহাটির বড়মার কাঠামো পুজো

সঙ্ঘের মিছিল লক্ষ্য করে মসজিদ থেকে পাথর বৃষ্টি, উত্তেজনা জলগাঁও-তে