দেবীর বিসর্জন অবধি নেভে না যজ্ঞ কুণ্ডের আগুন, জানুন বক্সী পরিবারের দুর্গাপুজোর ইতিহাস

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দশমীর দিন বাঙালির ঘরে ঘরে বিষাদের সুর। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের জানাঘাটি গ্রামের বক্সী বাড়ির এই পুজোয় দেবী মূর্তির বিসর্জনের দিন পর্যন্ত নেভে না যজ্ঞ কুণ্ডের আগুন। ১৬৪ বছরে পা দেওয়া বক্সী বাড়ির দুর্গাপুজোর এই রীতিই তাকে আর পাঁচটা বনেদি বাড়ির পুজো থেকে আলাদা করে তুলেছে। সপ্তমী থেকে শুরু হয় যজ্ঞ। তারপর সেই অগ্নিকুণ্ডের আগুন জ্বলে থাকে বিসর্জনের আগে পর্যন্ত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এই নিয়ম। 

বক্সী বাড়ির দুর্গাপুজোর রীতিতে রয়েছে বিশেষত্ব। স্বপ্নাদেশ পেয়েই বাড়িতে দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন শ্রী হরি বক্সী। এক সময় যাঁদের পদবি ছিল মহান্তি। তাঁদের পূর্বসূরিদের সামাজিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ময়ূরভঞ্জের রাজাদের দেওয়া পদবি থেকেই বক্সী পরিবারের পরিচয়। শ্রীহরি বক্সী ছিলেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক এবং মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। এখানে দেবী দুর্গার দুই সখী জয়া ও বিজয়ারও আলাদা করে পুজো ও অঞ্জলি হয়। সপ্তমীর সকালে সুবর্ণরেখা নদীর জল এনে বাড়ির উঠোনে ঘট স্থাপন করা হয়। মানকচুর পাতাকে বউয়ের আদলে সাজিয়ে দেবীর রূপে পুজো করার পর সেই ঘট নিয়ে যাওয়া হয় মূল পুজোমণ্ডপে।এখানে পুজো হয় কালিকাপুরাণ মতে, একারণে পশুবলির বদলে চালকুমড়ো বা আখ বলির রীতি রয়েছে।

এই পুজো ঘিরে লোকমুখে বহু গল্পগাঁথা প্রচলিত রয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জনের পর দশমীর রাতে শুরু হয় অপরাজিতা পুজো। পরিবারের স্বগোত্রীয়দের মঙ্গল কামনায় তাঁদের হাতে পরিয়ে দেওয়া হয় নীল অপরাজিতা ফুলের লতা দিয়ে তৈরি বালা। মাথায় ছিটিয়ে দেওয়া হয় শান্তির জল। অর্থাৎ দেবী বিদায় নিলেও পুজোর রেশ সেদিনই শেষ হয় না। এক সময় বক্সী বাড়ির পুজোই ছিল এলাকার একমাত্র দুর্গাপুজো। রাস্তা-ঘাটের তেমন অস্তিত্ব ছিল না। তবু পুজো দেখতে মানুষ সুবর্ণরেখা নদী পেরিয়ে, কাঁধে সাইকেল নিয়ে হাজির হতেন জানাঘাটিতে। আজ সময় বদলেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থাও বদলেছে। কিন্তু বদলায়নি পুজোর আমেজ। 

ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের ছোট ক্ষতও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ!

কানে ঢুকেছে মাছি বা পোকা? আতঙ্কে এই কাজ করলেই বিপদ, জানুন কী করবেন

সিংহ রাশিতে কেতুর প্রবেশ, ৯০ দিনে ৬ রাশির জাতকদের জীবনে সুদিন

আজকের রাশিফল: বিদেশ থেকে সুখবর পাওয়ার সম্ভাবনা, কর্মক্ষেত্রে তর্ক এড়িয়ে চলুন

কাদা-মাটিতে হাত দিলেই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! গবেষণায় উঠে এল চমকপ্রদ তথ্য

স্বাস্থ্যবিমা কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করুন এই ৫টি জরুরি বিষয়!

অভিবাসন তল্লাশি ছাড়া দিল্লি ছাড়লেন তিন ইতালীয়, এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ

‘অসুরদের থেকে দূরে থাকবেন,’ গণেশ চতুর্থীতে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী

জোর ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, আফগান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বরুণ চক্রবর্তী

ঋতব্রত-ফিরহাদদের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

জীবন নিয়ে খেলা! ৯০ হাসপাতাল-দোকানে ক্যান্সারের নকল ওষুধ সরবরাহ, জালে চক্রের পাণ্ডা

আগের মতোই চলবে মিড ডে মিল, ইসকনকে সরিয়ে জানাল শিক্ষাদফতর

‘মাকে খুনের চেষ্টা,’ প্রতিবাদে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন রেখা পাত্র

বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়ল দেবজিতের, পেলেন প্রধান মুখপাত্রের পদ