সীমান্তে রাজ্য পুলিশের অফিসারদের বছরে ৫০ রাত কাটাতে হবে, নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ থেকে এপারে চলে আসছে নাগরিকরা। অনুপ্রবেশ ঘটছে। এমনই অভিযোগ বারবার তুলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জবাবে রাজ্য সরকার জানিয়ে দেয়, সীমান্তে কারা দায়িত্বে?‌ আর তার মন্ত্রী কে?‌ এসব কথা বলে লাভ নেই। এই নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য আকচাআকচি অব্যাহত। এবার এই আবহে বাংলার সীমান্তে কাঁটাতার না থাকা, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ তুলে বড় নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অমিত শাহর মন্ত্রক আজ, বুধবার জানিয়ে দিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং সীমান্তবর্তী রাজ্য পুলিশের অফিসারদের বছরে অন্তত ৫০ রাত সীমান্তবর্তী গ্রামে কাটাতে হবে। বাংলার মতো সংবেদনশীল রাজ্যগুলিকে গুরুত্ব দিতে বলেছে নর্থ ব্লক।

এদিকে কদিন আগে বাংলায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তখনও সীমান্ত অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তখনই বোঝা গিয়েছিল, কোনও পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে। এবার তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেল। বাংলাদেশের এখন পরিস্থিতি খারাপ। সেখান থেকে মানুষজন বাংলায় ঢুকে পড়তে চাইছে। বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলার সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২০০ কিলোমিটার। সেখানে কাঁটাতারহীন বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দাবি। তাই মৌলবাদী শক্তির সক্রিয়তা বাড়ার প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে কেন্দ্র।

অন্যদিকে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বিএসএফ, আইটিবিপি, সশস্ত্র সীমা বল, অসম রাইফেলসের শীর্ষ আধিকারিকদের। এমনকী সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির পুলিশপ্রধানদের কাছেও এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সুতরাং রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের কাছে এই নির্দেশ এসে পৌঁছেছে বলে সূত্রের খবর। গত নভেম্বর মাসে রায়পুরে ডিজি–আইজি সম্মেলনের পরেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, শুধু কাঁটাতার বা টহল বাড়ালেই সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। সীমান্ত গ্রামগুলির মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং স্থানীয় স্তরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহই আসল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই আধিকারিকদের নিয়মিত নিশিযাপনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কোচবিহার জেলাগুলিকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে নয়া নির্দেশিকায়। এই সব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অনুপ্রবেশ, ভুয়ো নথি, পাচার এবং সীমান্তপারের নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে। কেন্দ্রের ভাইব্রান্ট ভিজিলেন্ট প্রোগ্রাম চালু হয় ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল। যার লক্ষ্য, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা। ৫০ দিনের সফরে অফিসাররা গ্রামবাসী, যুবক–যুবতী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনসিসি ক্যাডেট এবং সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কথা বলবেন। বাংলাদেশের বাস্তবতাকে সামনে রেখে কেন্দ্রের এই নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

গরম ভাতের সঙ্গে জমে যাবে দুপুরের খাওয়া, ট্রাই করুন ঝিঙে-পটল-চিংড়ির এই রেসিপি

মেক্সিকোতে ভূমিকম্প, মাত্রা ৭.৪! সুনামি সতর্কতা জারি

শেখ হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দিচ্ছে দিল্লি? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

ট্রফি, পদকের পাশাপাশি প্রথমবার বিশ্বকাপজয়ীরা পাবেন বিশেষ আংটি

প্রয়াত কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্যার গ্যারি সোবার্স

স্কুলে আর মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নয়! কড়া নির্দেশ সংসদের

বিয়ের পর বাড়ছে অশান্তি? বেডরুম থেকে আজই সরিয়ে ফেলুন এই ৭ জিনিস

মিড ডে মিলে ৫৬ ভোগ! রথের পরে বিরাট আয়োজন স্কুলে

‘জোর করে জমি অধিগ্রহণ নয়,’ মেজিয়া থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

SIR-এ ডিলিটেড ভোটারদের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা যায়? খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট

‘দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা,’ মুর্শিদাবাদে লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

ক্যালসিয়ামের ওষুধ খেলে বাড়তে পারে কিডনি স্টোনের ঝুঁকি! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

‘পরিবার, কেরিয়ার শেষ করে দিয়েছে অভিষেক,’ মমতার সঙ্গ ছাড়ার আগে বিস্ফোরক রাজীব

ভারতে লঞ্চ হল Tecno Camon 50 Ultra 5G, জেনে নিন দাম ও ফিচার