এই মুহূর্তে




লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে বিরাট সাফল্য NIA-র, শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার আত্মঘাতী জঙ্গি উমরের সহযোগী

নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীনগর: রাজধানী  দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে ফের বড়সড় সাফল্য জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ)। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিস্ফোরণেকাণ্ডের মূলপাণ্ডা তথা আত্মঘাতী জঙ্গি উমর নবীর ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত এক ব্যাক্তিকে শ্রীনগর থেকে পাকড়াও করেছে। ধৃতের নাম জাসির বিলাল ওরফে দানিশ। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতএর বাড়ি অনন্তনাগ জেলার কাঞ্জিগুন্ডে। দানিশই বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের কারিগরি সহায়তা করেছিলেন।

গত সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টা বেজে ৫২ মিনিটে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী দিল্লির ব্যস্তবহুল এলাকা লালকেল্লা। মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে গাড়ি বিস্ফোরণের সাহায্যে  ওই ভয়াবহ ঘটনা ঘটানো হয়। এখনও পর্যন্ত ওই ভয়াবহ বিস্ফিরণে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন। তদন্তে নেমে জাতীয় তদন্ত সংস্থার দুঁদে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, পুলওয়ামার বাসিন্দা উমর নবী নামে এক জঙ্গি ওই আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিযেছিলেন। বিস্ফোরণে হুন্ডাইয়ের আই-২০ মডেলের একটি গাড়ি ব্যবহৃত হয়েছিল।

গতকাল রবিবার (১৬ নভেম্বর) দিল্লি বিস্ফোরনকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আমির রশিদ আলি নামে এক যুবককে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছিলেন এনআইএ’র গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তিনিই উমরকে i20 গাড়িটির ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি নথিভুক্ত ছিল কাশ্মীরের এই আমিরের নামেই।

দিল্লি পুলিশের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব  নেওয়ার পর এনআইএ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তাতেই মিলেছে সাফল্য। তদন্তকারীদের মতে, আলী গাড়িটি কেনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, যা পরে  গাড়িটিকে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তে পরিণত করা হয়েছিল।

জম্মু ও কাশ্মীরের পাম্পোরের সাম্বুরার বাসিন্দা আমির রশিদ আলীর বিরুদ্ধে ১০ নভেম্বর  সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ডক্টর উমরের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ  আনা হয়েছে।  এনআইএ-এর তথ্য অনুসারে, হুন্ডাই আই২০ গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে আলির ভূমিকা ছিল। ফরেনসিক  ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত করেছে যে বিস্ফোরণে নিহত ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর উমর উন নবী গাড়িটির চালক ছিলেন।

দিল্লি পুলিশের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব নেওয়া এনআইএ নবীর আরেকটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত  করেছে এবং ৭৩ জন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহতও রয়েছেন। চলমান তদন্তে একাধিক রাজ্যের পুলিশ বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের রহস্য উদঘাটন করা হচ্ছে। এই ঘটনায়  জৈইশ-ই-মহাম্মদ (জেইএম)  জঙ্গি সংগঠনের  যোগ রয়েছে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। দিল্লিতে হামলার পর  অত্যাধুনিক “হোয়াইট-কলার” সন্ত্রাসী মডিউলের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। যা সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভয়ানক।

 

 

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মেসির, মাঠে হাজির রাহুল গান্ধিও

আড়াই লাখ টাকার পোষা ম্যাকাওকে বাঁচানোর চেষ্টা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ব্যবসায়ীর, কী করল পাখি?‌

বামেদের হটিয়ে তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগম দখল করল বিজেপি, খুশিতে ডগমগ ‘মোদিভক্ত’ শশী থারুর

যুবভারতী থেকে শিক্ষা, মেসির জন্য বিশেষ নিরাপত্তা মুম্বই পুলিশের

এনডিএ সাংসদদের বিশেষ নৈশভোজ মোদির, বিলাসবহুল খানাপিনার মেনুতে কী ছিল?‌

‘আনমোল বিষ্ণোইকে এক বছর হেফাজতে নিতে পারবে না কোনও রাজ্য পুলিশ’, বেনজির নির্দেশিকা শাহি মন্ত্রকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ