এই মুহূর্তে

কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা চলবে

নিজস্ব প্রতিনিধি: পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানহানির মামলা চলবে বলে জানিয়ে দিল আদালত। ২০২২ সালে এক কৃষক আন্দোলনকারীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। এরপর তিনি অভিনেত্রী সাংসদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করেছিলেন। পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে সেই মামলাই খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। শুক্রবার সেটাই খারিজ করল আদালত। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে হিমাচল প্রদেশের মান্ডির সাংসদ হয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই নানা সময়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন কঙ্গনা। যদিও তিনি বরাবরই ঠোঁটকাটা স্বভাবের। এমনকী কৃষক আন্দোলনের সময়েও নানারকম ভুলভাল মন্তব্য বিপাকে পড়েছিলেন তিনি, সেই আইনী মামলায় এখনও জড়িয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী। মাঝে মধ্যে তাঁর বেফাঁস মন্তব্যের জন্যে দলও লজ্জায় পড়ে যায়। যাই হোক, শুক্রবার পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট কঙ্গনা রানাউতের দায়ের করা একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। কৃষকদের বিক্ষোভের উপর বেফাঁস মন্তব্যের জন্য অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এরপর তিনি পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগটি খারিজ করার আবেদন করেছিলেন।

কিন্তু হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। হাইকোর্টেও মুখ পুড়ল অভিনেত্রীর। একটি প্রতিবেদন অনুসারে, হাইকোর্ট বলেছে, “আবেদনকারী যিনি একজন সেলিব্রিটি, তাঁর বিরুদ্ধে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি রিটুইটে ভুলভাল মিথ্যা অভিযোগ করে অভিযোগকারীর সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। পাশাপাশি অন্যদের দৃষ্টিতেও তাকে নীচু করেছে। অতএব, তার অধিকার রক্ষার জন্য অভিযোগ দায়ের করাকে অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা যাবে না। তাই কঙ্গনা রানাউতের দ্বারা জারি করা মানহানির মামলার খারিজ করার আবেদনটি শুনবে না আদালত।”
হাইকোর্ট আরও পর্যবেক্ষণ করেছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট রেকর্ডে থাকা উপাদানগুলির প্রতি যথাযথভাবে বিচার করা হয়েছে। এবং কঙ্গনার বিরুদ্ধে ৪৯৯ ধারার অধীনে অপরাধের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাঁকে আবারও পঞ্জাবের স্থানীয় আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

কঙ্গনার দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি ত্রিভুবন সিংহ। কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন বাথিন্ডা জেলার বাহাদুরগড় জান্দিয়ান গ্রামের মাহিন্দর কাউ (৭৩)। তিনি অভিযোগ করে ছিলেন যে, রানাউত একটি টুইটে তাঁকে ভুলভাবে শাহীনবাগ খ্যাত বিলকিস বানো হিসেবে চিহ্নিত করে মানহানি করেছেন। পাশাপাশি ইঙ্গিত করেছেন যে, এই ধরনের মহিলাদের ১০০ টাকার বিনিময়ে প্রতিবাদ করার জন্য ভাড়া করা যেতে পারে। তাই তাঁর নামে মানহানির মামলা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি অভিযোগ কারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুলভাল মন্তব্য করেছিলেন। উল্লেখ্য, দিল্লির সীমান্তে কৃষক আন্দোলনে অংশগ্রহণের সময় মাহিন্দর কৌরকে লক্ষ্য করে টুইটটি করেছিলেন কঙ্গনা, যদি তিনি পরে টুইটটি মুছে ফেলেছিলেন। ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, বাথিন্ডার বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কঙ্গনাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করে ছিলেন। এরপর কঙ্গনা নিম্ন আদালতের আদেশে ক্ষুব্ধ হয়ে, পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে ট্রায়াল কোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০২-এর ভুল প্রয়োগ করেছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

রাঘব চাড্ডার পরিবর্তে ডেপুটি লিডারের পদে বসা আপ সাংসদের বাড়িতে হানা ইডির

ছত্তিশগড় বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪, হাসপাতালে ভর্তি একাধিক শ্রমিক

ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৬ তীর্থযাত্রীর, আহত ২১

ফাঁদে ফেলে তরুণীদের গোপন মূহুর্তের ছবি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল, গ্রেফতার তরুণ

সন্তানের জন্ম দিল ১৪ বছরের কিশোরী, নবজাতকের বাবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

বৃন্দাবনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান বৃন্দা কুণ্ড, ইতিহাস জানুন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ