অপারেশন সিঁদুরের জন্য ভাওয়ালপুর থেকে কোটলি পর্যন্ত এলাকা কেন বেছেছিল ভারতীয় সেনা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়া দিল্লি: পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হামলায় সিঁদুর মুছেছিল ২৫ জন ভারতীয় নারীর। এক স্থানীয় ভারতীয় কাশ্মীরি মুসলিমের মৃত্যুতে স্বামীহারা হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। এই সকল নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মৃতদের প্রতি সম্মান জানিয়েই ৬মে গভীর রাতে পাকিস্তানের উপর করা হয়েছে স্ট্রাইক। নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, এয়ারস্ট্রাইকের পর ‘অপারেশন সিঁদুর’। যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব থাকলেও যুদ্ধ নয়, শুধুমাত্র ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করে পাকিস্তানে ঘাঁটি করে থাকা জঙ্গিদের উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা। স্থল, বায়ু ও নৌসেনার মিলিত অভিযান ছিল এটি। এখনও পর্যন্ত এতে ৯০ জন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। হামলা চালানো হয়েছে ভারতের এয়ারস্পেস থেকে। সূত্রের খবর, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, কোটলি, গুলপুর, সাওয়াই, সরজল, বারনালা, মুজ্জফরাবাদ ও মেহমুনাতে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ভারত।

পহেলগাঁও হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন এর জবাব দেওয়া হবে। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে ভারত। যারা এই হামলার মূল চক্রান্তকারী তাদের স্বমূলে ধ্বংস করা হবে। সেই কথায় রেখেছে নয়া ভারত। জঙ্গি ঘাঁটির সঠিক তত্ত্ব তালাশ করে ওই এলাকাগুলিতেই খুঁজে খুঁজে হামলা চালিয়েছে নয়াদিল্লি। এই এলাকাগুলিতেই ঘাঁটি বেঁধে ছিল লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিরা। যাদের ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আর হামলা করা ছাড়া এই পৃথিবীতে কোনও কাজ নেই। তাই তাদের পৃথিবী থেকেই নিকেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতের তিন বাহিনী। হামলা চালানো জায়গাগুলির বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে বিশদে।

ভাওয়ালপুর: এই এলাকা জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর মূল কার্যালয়। পাকিস্তানের দক্ষিণ পাঞ্জাবে অবস্থিত এই এলাকাটি।

মুরিদকে: লাহোর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪০ কিমি। লাহোরের উত্তরে অবস্থিত এই স্থান। এখানে লস্কর-ই-তৈবার একাধিক এনজিও আছে। পাশাপাশি রয়েছে লস্করের ঘাঁটি ও ট্রেনিং সেন্টার।

কোটলি: পিওকে বা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত কোটলি। এই স্থানটিকে ভারত বিরোধী কাজের জন্যই ব্যবহার করত জঙ্গিরা। ভারতের অনুপ্রবেশের আগে এখান থেকেই  সন্ত্রাসবাদীদের আত্মঘাতী হামলার ট্রেনিং দেওয়া হয়।

গুলপুর: জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি ও পুঞ্চে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল এই এলাকাটি।

সাওয়াই: সোনমার্গ, গুলমার্গ ও পহেলগাঁওতে হামলা চালাতে গেলে এই এলাকাগুলি ব্যবহার করত জঙ্গিরা।

সরজল ও বারনালা: এই দুটি এলাকা দিয়েই পাকিস্তান থেকে ভারতে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। ফলে জঙ্গিদের কুকর্মের স্বর্গদ্বার এটি।

মেহমুনা: পাকিস্তানের শিয়ালকোটের কাছে অবস্থিত এই প্রদেশটিতে হিজবুল মুজাহিদ্দিনের জন্য চারণভূমি। হিজবুলের এই সংগঠন এখন সেভাবে আর সক্রিয় নেই। এছাড়াও মুজফফরাবাদে লস্কর ও জইশ জঙ্গিদের ঘাঁটি রয়েছে।

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই