এই মুহূর্তে

ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যত কার্যত অন্ধকার, সরল স্বীকারোক্তি চিদম্বরমের

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়া দিল্লি: প্রবীন কংগ্রেস নেতা পি. চিদম্বরম ইন্ডিয়া ব্লকের বর্তমান অবস্থা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, জোট এখনও পুরোপুরি ঐক্যবদ্ধ কিনা সেই বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। চিদম্বরমের আশঙ্কা জোটের ‘সেলাই ছিঁড়ে গিয়েছে’।

প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ এবং মৃত্যুঞ্জয় সিং যাদবের লেখা ‘কনটেস্টিং ডেমোক্রেটিক ডেফিসিট’ নামক উপন্যাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসে প্রবীন নেতা এই বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “ভারতে জোটের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল নয়।”

‘জোট দুর্বল হয়ে পড়েছে’

চিদম্বরম বলেন, “মৃত্যুঞ্জয় যাদবের মনে হয়েছে ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, কিন্তু আমার তা মনে হয় না। তিনি মনে করে যে জোট এখনও অক্ষত, আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নই। একমাত্র সলমন (খুরশিদ)ই উত্তর দিতে পারবেন কারণ তিনি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের জন্য আলোচনাকারী দলের অংশ ছিলেন। যদি জোট সম্পূর্ণরূপে অটুট থাকে, তাহলে আমি খুব খুশি হব। কিন্তু মনে হচ্ছে এটি দুর্বল হয়ে পড়েছে।” এরপরেই চিদম্বরম আশা প্রকাশ করে বলেন যে জোট এখনও একত্রিত হতে পারে কারণ এখনও সময় রয়েছে।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিরোধী দলকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মতো ‘শক্তিশালী যন্ত্রের’ বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয় বরং একটি যন্ত্রের পিছনে থাকা আর একটি যন্ত্র যা ভারতের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।”

প্রবীন কংগ্রেস নেতার আরও সংযোজন, “আমার অভিজ্ঞতা এবং ইতিহাসের অধ্যয়ন অনুসারে বলতে পারি, বিজেপির মতো এত শক্তিশালীভাবে সংগঠিত আর কোনও রাজনৈতিক দল নেই। নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে দেশের ক্ষুদ্রতম থানা পর্যন্ত, তারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গণতন্ত্রে এই ধরনের শক্তির যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণ থাকে।”

২০২৯ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেছেন

সলমন খুরশিদ এবং মৃত্যুঞ্জয় যাদবের বইটিতে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ থেকে ইন্ডিয়া জোট গঠন পর্যন্ত কংগ্রেসের রাজনৈতিক যাত্রার বর্ণনা করা হয়েছে। ব্যাখ্যা করা হয়েছে কিভাবে বিভিন্ন বিরোধী দল একত্রিত হয়ে এক অন্তর্ভূক্তিমূলক এবং বহুত্ববাদী ভারতকে রক্ষা করেছিল।

চিদম্বরম বলেন, “ভারতে কেউ নির্বাচন এড়াতে পারবে না। হস্তক্ষেপ থাকতে পারে, কিন্তু ৯৮ শতাংশ ভোট নিয়ে কোনও দলই জিততে পারবে না।” তিনি সতর্ক করে দেন যে, যদি ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি শক্তিশালী হয়, তাহলে ইন্ডিয়া জোট সহ কংগ্রেস আর নিজেকে প্রমাণ করার সময়টুকুও পাবে না।

খুরশিদও প্রবীন কংগ্রেস নেতার সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলেন, “জোটের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে যেগুলির সমাধান করা প্রয়োজন। বিরোধী দল যদি ২০২৯ সালে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে চায়, তাহলে তাদের কেবল আসন ভাগাভাগির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বড় ধরনের চিন্তা করতে হবে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

৪৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার মুম্বই পুর নিগমে সবচেয়ে বড় দল বিজেপি, কে হচ্ছেন মেয়র?

৭০ হাজার টাকা হোন্ডা সিটি কিনে লাখ টাকার জরিমানা, মাথায় হাত পড়ুয়ার

মহারাষ্ট্রের জলগাওয়ের পুর ভোটে জয়ী ছেলে, স্বামী ও শাশুড়ি, আনন্দে যা করলেন মহিলা…

‘ঠিক কেরালা স্টোরির প্রতিচ্ছবি’, জোর করে হিন্দু বান্ধবীকে বোরখা পরিয়ে দিল মুসলিম ছাত্রীরা, বিতর্ক

একঘরে করেছে সমাজ, HIV সংক্রমিত মায়ের মৃতদেহ আগলে ১০ বছরের শিশু

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! গাড়ির কাঁচ ভেঙে ঢুকে পড়ল বিশালাকায় নীলগাই, মায়ের কোলেই মৃত্যু শিশুর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ