চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’‌, ভোটার তালিকায় নাম বিতর্কে আদালতে জবাব পেশ সোনিয়ার

courtesy: Google

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। তার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা পুনর্বিবেচনার আবেদনের বিষয়ে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে লিখিত জবাব পেশ করলেন কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী। আজ, শনিবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী দাবি করেছেন যে, ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার তিন বছর আগেই তাঁকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সেটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সোনিয়া গান্ধী এই বিষয়ে একটি পাল্টা হলফনামা জমা করার পর আদালত এখন ২১ ফেব্রুয়ারি মামলাটির পরবর্তী শুনানি দিন ধার্য করেছে।

এদিকে আজ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনজীবী বিকাশ ত্রিপাঠি এই পুনর্বিবেচনার আবেদনটি পেশ করেছেন। এই আবেদনটি বিশেষ বিচারক বিশাল গোগনের সামনে জমা দেওয়া হয়। যিনি ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের ম্যাজিস্ট্রেটের একটি নির্দেশের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানি করছেন। ওই নির্দেশে অভিযোগটি তদন্ত করতে অস্বীকার করা হয়েছিল। নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে নিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী বলে অভিযোগ ওঠে। আগে এই মামলায় বাড়তি সময় চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি ওঠে।

অন্যদিকে এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তদন্ত শুরু করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে দায়ের করা পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি ১৯৮৩ সালের ৩০ এপ্রিল ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেন। তবে তাঁর নাম ইতিমধ্যেই ১৯৮০ সালের নয়াদিল্লির ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করা হয়েছিল। আবেদনে এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, যখন সোনিয়া গান্ধীর কাছে সেই সময়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব ছিল না, তখন কীসের ভিত্তিতে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

এছাড়া আবেদনকারী আরও দাবি করেছেন যে, ১৯৮২ সালে সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন ওঠে, যদি নামটি সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি মুছে ফেলার প্রয়োজন হলো কেন? আবেদনে গুরুতর অভিযোগও করা হয়েছে যে, সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেন। তার আগে, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কী কী নথি ব্যবহার করা হয়েছিল? জাল নথি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আবেদনটি খারিজ করে দেওয়ার পর, একটি রিভিউ পিটিশনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। তবে রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত সোনিয়া গান্ধীর জবাব পেশের পর ২১ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৪ ঘন্টা ঘুরপাক খেতেই আতঙ্কে চোখে জল যাত্রীদের

জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা! মৃত ১০, আহত একাধিক

‘HR-কে জড়িয়ে ধরে চুমু’! প্রকাশ্যে নাসিকের মতো ঘটনা, গ্রেফতার NGO-র চেয়ারম্যান

বদ্রীনাথের দৈব মানবকে ৪০ কেজি চাল ও মাংস নিবেদন, জানেন কি এই প্রাচীন প্রথা?

মুখে নারী ক্ষমতায়ন! বাংলার প্রথম দফার ভোটে বিজেপির মহিলা প্রার্থী মাত্র ১৫

তামিলনাড়ুতে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে মৃত্যু ১৬ শ্রমিকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ