আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সমলিঙ্গের সম্পর্ক শুধু শরীরে আবদ্ধ নেই, সেখানে মনও আছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: এতদিন ধরে সোচ্চারে যে কথাটা বার বার সমাজের প্রান্তিক শ্রেনীর কিছু মানুষ বলে এসেছেন বা বলতে চেয়েছেন দেশের কাছে, সমাজের কাছে, আজ সেই কথাই সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) কন্ঠে। সমলিঙ্গের বিয়ের(Same Sex Marriage) আর্জি জানিয়ে দায়ের হওয়া মামলাগুলির শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে(Constitution Bench)। সেই মামলার শুনানির তৃতীয় দিনে ৫ সদস্যের বেঞ্চের অন্যতম তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এমন এক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরলেন যা গত কয়েক দশক ধরে দেশের রামধনু পরিবারের(Rainbow Family) মানুষেরা বার বার তুলে ধরতে চেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, ‘আমরা তো দেখতে পাচ্ছি সমলিঙ্গের সম্পর্কগুলি শুধুই শারীরিক সম্পর্ক নয়, চিরাচরিত স্থায়ী ও আবেগের সম্পর্কের থেকেও বেশি কিছু। আর এইসব দেখে আমাদের তো মনে হচ্ছে বিয়ের সংজ্ঞাকে(Defination of Marriage) নতুন করে আরও একবার লিখতে হবে।’

আরও পড়ুন আইনজীবীরা ধর্মঘটে যেতে পারবেন না, রায় সুপ্রিম কোর্টের

সমলিঙ্গের বিয়ের অধিকার থাকা উচিত কী উচিত নয় তা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সময় যতই গড়াচ্ছে ততই বিচারপতিদের মন্তব্য আর পর্যবেক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে এক ঐতিহাসিক রায় আসা শুধুই সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ২০১৮ সালের পরে আরও এক ইতিহাস রচনার পথে মনে হয় হাঁটা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার শুনানির তৃতীয় দিনে তিনটি বড় পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের তরফে। প্রথম পর্যবেক্ষণে বিচারপতি চন্দ্রচূড় আর পাঁচটা স্বাভাবিক সম্পর্কের থেকেও সমলিঙ্গের সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছেন সেখানে মন, আবেগ ও স্থায়ীত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে। তাঁর দ্বিতীয় পর্যবেক্ষণ, দুইজন বিপরীত  লিঙ্গের মানুষের মধ্যেই কী বিবাহ সম্ভব? তার বাইরে কী কিছু হতে পারে না। তাঁদের কী বিয়ে করতেই হবে? এই পর্যবেক্ষণের স্বপক্ষে তিনি তুলে ধরেছেন, লিভ ইন রিলেশান বা স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, দেশ এই কয়েক দশকে অনেক বদলেছে। বদল এসেছে সম্পর্কের বুনিয়াদ, সম্পর্কের ধারা ও প্রকৃতিতেও। তাহলে সমলিঙ্গের বিয়ে কেন সম্ভব নয়!

আরও পড়ুন মোদির রাজ্যের আদালতে খারিজ রাহুলের আর্জি

এর পাশাপাশি আদালতের তৃতীয় এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, ২০১৮ সালের রায়ে সমকামিতাকে অপরাধমুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ তখনই আদালত দুইজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের উভয়ের সন্মতিসূচক সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। আর এই সব বক্তব্য, পর্যবেক্ষণ কার্যত ছত্রে ছত্রে বলা দিচ্ছে মোদি সরকারের হাজারো বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশ ২০১৮ সালের পরে আরও এক ঐতিহাসিক রায় পেতে চলেছে। সেই রায় ঘোষিত হওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মধ্যপ্রদেশে ৩১ যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতে ডুবল ক্রুজ! মৃত অন্তত ৪, নিখোঁজ অনেকে

শুক্র থেকেই মহারাষ্ট্রের রিকশা-ক্যাব চালকদের মরাঠিতে কথা বলা বাধ্যতামূলক

‘তিনি মাদ্রাজ-এর এপস্টিন’, তামিল সুরকারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ গায়িকার

নিরাপত্তা প্রত্যাহার ইস্যুতে পঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হরভজন

মিশন পঞ্জাব, মাদক ইস্য়ুতে আম আদমি পার্টিকে জব্দ করতে ব্লু প্রিন্ট তৈরি শাহের

বাবার বিশাল সম্পত্তির অধিকার নিয়ে লড়াই, করিশ্মার সন্তানদের পক্ষে কী রায় দিল্লি হাইকোর্টের?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ