দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আত্মঘাতী বোমা হয়ে পাকিস্তান যেতে চান কর্নাটকের মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কর্নাটক: ভারতের নেতা মন্ত্রীরা সকলেই কমবেশি এক সে বড়কর এক। তাঁদের মতামত যতই আলাদা হোক না কেন, পহেলগাঁওয়ের ঘটনার বদলা নিয়ে সবাই চাইছেন। তেমনই একজন হলেন কর্ণাটকের মন্ত্রী বিজে জমির আহমেদ খান। শুক্রবার তিনি বলেছেন যে “আত্মঘাতী বোমা হয়ে তিনি পাকিস্তান যেতে চান।” ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে এখন প্রবল উত্তেজনা চলছে। তার মধ্যেই এই মন্তব্য এসেছে।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজে জমির আহমেদ খান বলেন যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত যদি যুদ্ধে নামে তাহলে তিনি ‘লড়াই করতে প্রস্তুত’। তিনি বলেন “আমরা ভারতীয়, আমাদের এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। যদি আমাদের তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে হয়, আমি লড়াই করতে প্রস্তুত।”

কংগ্রেস নেতার আরও সংযোজন, “একজন মন্ত্রী হিসেবে বলছি যদি ভারত আমাকে পাঠায়, আমি সামনের সারিতে যাব। প্রয়োজনে আমি একটি আত্মঘাতী বোমা পরে যাব। আমি রসিকতা করছি না বা আবেগপ্রবণভাবে কথা বলছি না। যদি দেশের আমাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র) মোদি এবং (কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) অমিত শাহ আমাকে একটি আত্মঘাতী বোমা দিন। আমি তা পরব এবং পাকিস্তানে যাব।” বিজে জমির আহমেদ খানের দলের সহকর্মী এবং কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের পক্ষে নন বলে দেশব্যাপী সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন সদ্য। সেই ঘটনার পরপরই আহমেদ খানের  কণ্ঠ থেকে ঝরল হিংসাত্মক বার্তা।

২২শে এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পর জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিদ্দারামাইয়া বলেছিলেন, “পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কোনও প্রয়োজন নেই। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা যুদ্ধ করার পক্ষে নই। শান্তি থাকা উচিত, জনগণকে নিরাপদ বোধ করাতে হবে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।” পরে তিনি এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ জারি করে বলেন যে যখন জাতির কাছে আর কোনও উপায় থাকে না তখন যুদ্ধ করা উচিত।

সিদ্দারামাইয়া আরও বলেছিলেন, “শত্রুকে পরাজিত করার অন্যান্য সমস্ত উপায় ব্যর্থ হলেই কোনও দেশকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করা উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই কিছু কূটনৈতিক পদক্ষেপ শুরু করেছে, যার মধ্যে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি পুনর্বিবেচনা করাও অন্তর্ভুক্ত। আমরা বিশ্বাস করি যে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি পদক্ষেপ বিশ্বের কাছে প্রচার করার প্রয়োজন নেই। এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পাকিস্তান-মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এই অভূতপূর্ব বৈশ্বিক সমর্থন গ্রহণ করতে হবে এবং পাকিস্তানকে এমন গভীর শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা আর কখনও এই ধরনের বেপরোয়া কাজ করার সাহস না পায়।” প্রবীন কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্য পাকিস্তানি মিডিয়ায় প্রচারিত হয়। যার ফলে বিজেপি এই কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়।

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথমবার বাবা-মাকে ফ্লাইটে চড়িয়ে সারপ্রাইজ মুম্বইয়ের এক তরুণের ভাইরাল ভিডিও

রজনীকান্ত থেকে কমল হাসান, সকাল সকাল তামিলনাড়ুর গণতান্ত্রিক উৎসবে সামিল তারকারা

গর্ভপাতের পর অশালীন মন্তব্য ও ধর্মীয় পরামর্শের অভিযোগে চাঞ্চল্য TCS নাসিক কাণ্ডে

ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর আর্জি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি TVK প্রধান বিজয়ের

লক্ষ্মীবারে ধাক্কা শেয়ার বাজারে, একধাক্কায় ৬২৫ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

দু’দিনে ২ মহিলাকে ধর্ষণ, প্রকাশ্যে দিল্লিতে আমলার মেয়েকে খুনে অভিযুক্তের কুকীর্তি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ