বসন্ত বিলাপের রথতলা কোথায়, জেনে নিন রথের দিনে

সেই শ্যাম- রাধাকে ভোলা যায়নি আজও। পুরুষ এবং মহিলা দুই হোস্টেলের খুনসুটি আর প্রেমের গল্পে বারবার উঠে এসেছে রথতলার কথা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলচ্চিত্রের সাদাকালো যুগেও সেই ছবি ছিল রঙিন। মেদিনীপুরে শুটিং হয়েছিল সেই চলচ্চিত্রের (BASANTA BILAP)। মূল চরিত্রে ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অপর্ণা সেন। সেই শ্যাম- রাধাকে ভোলা যায়নি আজও। পুরুষ এবং মহিলা দুই হোস্টেলের খুনসুটি আর প্রেমের গল্পে বারবার উঠে এসেছে রথতলার কথা। রথ যাত্রার দিনে জেনে নিন, কোথায় ‘বসন্ত বিলাপ’- এর সেই রথতলা।

দীনেন গুপ্তের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে প্রকাশ পেয়েছিল বসন্ত বিলাপ। অধিকাংশ দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছিল মেদিনীপুর (MIDNAPORE) শহরে। শ্যুটিংয়ের সময় মেদিনীপুর শহরের কোত বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা অসিত কুমার সাহার বাড়িতে গিয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।  অসিতকুমার (মিনু) ছিলেন গীতিকার এবং সুরকার। চলচ্চিত্রে (FILM) রয়েছে সেই বাড়ির কাঁচ ভাঙার দৃশ্য। শুটিং হয়েছে সাহা দের বাড়ির পুকুরে, শহরের শেখপুরার চার্চের সামনে, স্টেশন, এলআইসি মোড়, মহুয়া সিনেমাহলের সামনে আর রথতলায়। কিন্তু মেদিনীপুর শহরে রথতলা বলে কোনও জায়গা নেই‌। তবু আছে।

মেদিনীপুর শহরের  স্টেশনের ওভার ব্রিজের সেই দৃশ্য মনে গেঁথে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রেমীদের। সৌমিত্র- অপর্ণা তাকিয়ে আছেন দুজনে দুজনের দিকে। আপনি যান নি, অনুরাধার এই প্রশ্নের উত্তরে শ্যামসুন্দর বলেছিলেন, ‘আমি জানতাম তুমি আসবে’। ‘ভালবাসি’ না বলেও শুরু হয়েছিল মনের কোনে চাপা থাকা সম্পর্কের। অবশ্য অনেকের দাবি, এই দৃশ্য শালবনী স্টেশনের। ভিড় এড়াতেই শ্যুটিং হয়েছিল এখানে। প্রশ্ন, মেদিনীপুর স্টেশন নিঃসন্দেহে তখনও ছিল শালবনীর চেয়ে বড়। এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল অনেকটা বেশি, তবে এইটুকু দৃশ্যের শ্যুটিংয়ের জন্য কেন শালবনী, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। চলচ্চিত্রে স্টেশনের মুখে দেখা যাচ্ছে, সেখানে তিনটি ভাষায় লেখা মেদিনীপুর। ‌ শুধু তাই নয় চলচ্চিত্রের শেষে সৌজন্যের জায়গায় লেখা রয়েছে মেদিনীপুর স্টেশনের নাম। সংবাদপত্র পত্রিকাতেও রয়েছে মেদিনীপুর স্টেশনের নামই। শালবনীতে শ্যুটিং হলে সিনেমার শেষে সৌজন্যে নাম থাকত এই স্টেশনের। এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে পারবেন একমাত্র অভিনেত্রী অপর্ণা সেন। ফিরে আসি রথতলা প্রসঙ্গে।

রথতলা নামে মেদিনীপুর শহরে কোনও জায়গা নেই। তবে চলচ্চিত্রে বারবার শোনা গিয়েছে রথতলার কথা। শ্যুটিং হয়েছিল জগন্নাথ মন্দিরের সামনে। এখানেই দাঁড়িয়ে থাকে তিনটি রথ। জগন্নাথ মন্দিরের সামনের এই জায়গা হয়তো চলচ্চিত্রে কাল্পনিক নাম করে নিয়েছিল ‘রথতলা’। কবি অভিনন্দন মুখোপাধ্যায় বলছেন, সম্ভবত এই রথতলা জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন রাস্তাই। কারণ চলচ্চিত্রের এক অংশে দেখা গিয়েছে, জগন্নাথ মন্দিরের সামনে রাস্তায় অপেক্ষা করছেন শ্যাম।

 আমরা তো জানিই, চলচ্চিত্র নির্মাণে বাস্তব এড়ানো যায় না। শুধু কল্পনার প্রলেপ পড়ে। সেই জগ্ননাথ মন্দির আজ রথযাত্রার দিনে সেজে উঠেছে প্রতিবারের মতই। জমিয়ে পালন করা হচ্ছে রথযাত্রা (RATHA YATRA)। হয়তো এই রথতলায় আজও অপেক্ষা করে থাকে একালের রাধার জন্য  কোনও শ্যাম।

ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফিরিয়ে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারাল জার্মানি

চক দে ইন্ডিয়া, মেয়েদের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিলেন হরমনপ্রীতরা

১৪ মাস ধরে আইএসএফ সমর্থকের স্ত্রীকে আটকে রেখেছেন তৃণমূল নেতা, চাঞ্চল্য হাড়োয়ায়

দিঘাকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র বানানো হবে বলে প্রশাসনিক বৈঠকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তৃণমূল ছেড়ে ‘অখ্যাত’ রাজনৈতিক দল ‘NCPI’-তে যোগ দিচ্ছেন দেব-সায়নীরা!

আরামবাগের প্রাক্তন পুর প্রধানকে ডিম বর্ষণ, বাঁ হাতে সামলাচ্ছেন ট্রাউজার্স,ডান হাতে পুলিশের ঢাল

মহারাষ্ট্রে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, তীর্থযাত্রীদের গাড়ি কুয়োয় পড়ে নিহত ৮

আগুনের গুজবে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ, অন্য ট্রেনের চাকার তলায় ছিন্নভিন্ন ৪ যাত্রী

ভারতের মাটি ছুয়ে নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত বিদ্যু‍ৎ রফতানি আটকে দিল মোদি সরকার

বঙ্গভবনে রাতে গেরুয়া টেবিলে নৈশভোজ কাকলিদের, মেনু শুনলে জিভে জল আসবে

নির্ধারিত সময়ের ১৭ মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে গেলেন অভিষেক

বীরের মতো ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়াকে চুনকামের লজ্জা থেকে বাঁচালেন কনোলি

আবাসে কাটমানি-বিতর্ক শান্তিপুরে, কাঠগড়ায় প্রাক্তন ও বর্তমান কাউন্সিলর

তৃণমূলে মমতার প্রয়োজন ফুরিয়েছে, পরোক্ষে বোঝালেন সুদীপ