চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘আমার ওনাকে বঙ্গভূষণ দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল’, আশা প্রয়াণে শোকবার্তা মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘তারে ভোলানো গেল না কিছুতেই’—-স্বর্ণযুগের এই গানটি আজ বাংলার তথা ভারতের সঙ্গীত জগতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল। এই গানটি আজ বেশি করে মনে পড়ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই তো তিনি শোকে লিখলেন, ‘মহান সঙ্গীত প্রতিভা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন একজন অনুপ্রেরণাদায়ী ও মুগ্ধকর গায়িকা, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন। তিনি অনেক বাংলা গানও গেয়েছেন এবং তিনি বাংলাতেও অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০১৮ সালে আমরা তাঁকে আমাদের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রদান করতে পেরেছিলাম। তাঁর পরিবার, সঙ্গীত জগৎ এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর কোটি কোটি ভক্তদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’ 

থামল সুরের ছন্দ, নিভল প্রদীপ। রবিবার সকালে মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হল, দেশের সঙ্গীত মহলে স্বর্ণালী অধ্যায়। মহম্মদ রফি, কিশোর কুমার, লতা মঙ্গেশকর, আর ডি বর্মন-সহ একাধিক কিংবদন্তির মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হল ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রির এক যুগের। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

সুরের জগতে আজ নীরবতা। অত্যন্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণ নিয়ে গতকাল মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অনেক প্রচেষ্টার পরেও শেষ রক্ষা হলনা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন গায়িকা। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত মহলের অপূরণীয় ক্ষতি, যাঁর কীর্তি প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিল্পী ও সঙ্গীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে। শুধু পুরনো প্রজন্ম নয়, নতুন প্রজন্মের মুখে মুখে তাঁর কন্ঠ ঘুরে বেড়াবে। অর্থাৎ সকল প্রজন্মের কাছেই তিনি ছিলেন অনন্য প্রতিভা। প্রায় ২০ টিরও বেশি ভাষায় ১১,000-এরও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। তাঁর সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর কর্মজীবন বিস্তৃত ছিল। তিনি একাধিক ভাষায় হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন এবং অসংখ্য কালজয়ী ক্লাসিক উপহার দিয়েছেন যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জনপ্রিয়। রফির সঙ্গে “মাং কে সাথ তুমহারা,” “সাথী হাত বাঁধনা,” এবং “উদেন যখন যব জুলফেন তেরি” এর মতো গান তিনি ভক্তদের উপহার দিয়েছেন। ১৯৯৫ সালে, ৬২ বছর বয়সে, আশা ভোঁসলে অভিনেত্রী উর্মিলা মাতুন্ডকরের জন্যে কণ্ঠ দেন। ঊর্মিলার ‘রঙ্গীলা’ ছবির ‘তানহা তানহা’ ও ‘রঙ্গিলা রে’ গানগুলো গেয়েছেন তিনি। ২০০০ এর দশকে, তিনি “লাগান” থেকে “রাধা কায়সে না জালে”, “পেয়ার তুনে কেয়া কিয়া” থেকে “কামবখত ইশক” এবং “লাকি” থেকে “লাকি লিপস” গেয়েছিলেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও কার্যালয়ে IT হানা, কী কারণে আয়কর তল্লাশি?

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ