এই মুহূর্তে




‘তিনি আমার সবকিছু ছিলেন’, মৃত্যুর তিনদিন পর ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন হেমা মালিনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘকালীন অসুস্থতার পর ২৪ নভেম্বর চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়েছে বলিউডের এক অধ্যায়। আইকনিক ছবি ‘শোলে’-র ৫০ বছর পূর্তিতেই মারা গেলেন বীরু। যে ছবিতে বীরুর ভূমিকায় ধর্মেন্দ্র আর জয়ের ভূমিকায় অমিতাভ বচ্চনের অভিনয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে। বলিউডে প্রায় ৩০০-র বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র। যার মধ্যে ৭৫ টি ছিল ব্লকবাস্টার। তাঁর অবদান কোনদিনও ভুলতে পারবে না বলিউড। গানে-অভিনয়ে চিরকাল থেকে যাবেন তিনি সকলের মনে। প্রায় ৭ দশক ধরে তিনি বলিউডে রাজত্ব করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কান্নায় ফেটে পড়েছে গোটা দেশ। চলতি মাসের শুরুতে তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়ে ছিল। যেখানে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত কারণে ভর্তি ছিলেন এবং ভেন্টিলেশনে ছিলেন। যদিও তখনই অভিনেতার মৃত্যু নিয়ে গুজব উঠেছিল। কিন্তু তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং এশা দেওল গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে, ধর্মেন্দ্র ঠিক আছে। সুস্থ হয়ে উঠছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।

হাসপাতাল থেকে মুক্তির ১২ দিন পর মারা গেলেন ধর্মেন্দ্র। তবে অভিনেতার পরিবার থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর সেদিন দেওয়া হয়নি। গোপণেই অভিনেতাকে শ্মশানে নিয়ে যায় দেওল পরিবার। যেখানে গিয়েছিলেন বলিউডের একাধিক তারকা।চোখের জলে বন্ধুকে বিদায় দিয়েছেন, শত্রুঘ্ন সিনহা, অমিতাভ বচ্চনরা। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দেওল পরিবারে ধর্মেন্দ্রর শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই আবহে স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন কিংবদন্তি অভিনেত্রী হেমা মালিনী। অবশেষে তিনি স্বামীর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন। আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্টে হেমা মালিনী লিখেছেন, “ধরম জি, তিনি আমার কাছে অনেক কিছু ছিলেন। আমাদের দুই মেয়ের স্নেহময় স্বামী, এশা ও আহানার স্নেহময় বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি, প্রয়োজনের সকল সময়ে আমার কাছে ‘থেকে যাওয়া’ মানুষ। আসলে, তিনিই আমার কাছে সবকিছু ছিলেন! সবসময় ভাল এবং খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তিনি আমার পরিবারের সকল সদস্যের সঙ্গে সহজ, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ভাগ করে নিতেন। যা তাঁকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছিল, সর্বদা তাদের সকলের প্রতি স্নেহ এবং আগ্রহ প্রদর্শন করতেন তিনি।”

 

অভিনেত্রী আরও লেখেন, “একজন জনসাধারণের ব্যক্তিত্ব হিসেবে, তার প্রতিভা, তার জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও তার নম্রতা এবং তার সর্বজনীন আবেদন তাকে সকল কিংবদন্তির মধ্যে অতুলনীয় একজন অনন্য আইকন হিসেবে আলাদা করেছিল। চলচ্চিত্র জগতে তার স্থায়ী খ্যাতি এবং অর্জন চিরকাল থাকবে। আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি অবর্ণনীয় এবং যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা আমার বাকি জীবন জুড়ে থাকবে। বছরের পর বছর একসঙ্গে থাকার পর, আমার কাছে অসংখ্য স্মৃতি রয়ে গিয়েছে।” ধর্মেন্দ্র এবং হেমা মালিনীর ১৯৮০ সালে বিয়ে হয়েছিল। বিবাহিত সত্ত্বেও ড্রিম গার্লের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। শোনা যায়, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কউরের অনুমতিতেই হেমাকে বিবাহ করেছিলেন অভিনেতা। কিন্তু প্রথম স্ত্রীকেও ছাড়েন নি তিনি। বিয়ের আগে, হেমা ও ধর্মেন্দ্র পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন। ১৯৮১ সালে, তাদের প্রথম কন্যা এশা দেওলের জন্ম হয় এবং ১৯৮৫ সালে তাদের দ্বিতীয় কন্যা অহনা দেওলের জন্ম হয়। রিপোর্ট অনুসারে, দেওল পরিবার ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, বৃহস্পতিবার, মুম্বইয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে ধর্মেন্দ্রের জন্য একটি প্রার্থনাসভার আয়োজন করেছেন। অনেক সেলিব্রিটি এতে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

প্রয়াত ধর্মেন্দ্রর ৯০ বছরের জন্মদিনে বিশেষ আয়োজন পুত্র সানি-ববির, ভক্তদের জন্য কী উদ্যোগ?

ছবি মুক্তির আগে অর্থের বিনিময়ে পেইড হাইপ, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব ইয়ামি ও হৃত্বিক

প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিয়ের অদেখা বিশেষ ভিডিও শেয়ার শোভিতার

‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’-র দাপট অব্যহত, টিআরপিতে বাজিমাত করল কে?

রাজের জীবনের সমস্যা কী? সামান্থাই তুললেন প্রশ্ন

প্রাণাধিক প্রিয় সেতার নষ্ট, এয়ার ইন্ডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় হতাশ রবি কন্যা অনুষ্কা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ