দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘ভোর পর্যন্ত চলত ভাঙচুর, ভয়ে গুটিয়ে থাকতাম’, বাবা-মায়ের ঝগড়া শুনে রাতে ঘুম আসত না রণবীরের

নিজস্ব প্রতিনিধি: রণবীর কাপুর, বলিউডের আইকনিক ফিল্ম পরিবার থেকে আসা সত্ত্বেও, নিজের সুদক্ষ অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। কোন ও স্টারকিড খ্যাতিতে নয়, বরং নিজের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছিল, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘Animal’-এ। বক্সঅফিসে প্রায় ২,০০০ কোটি আয় করেছিল ছবিটি। তাঁকে আগামীতে নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’-এ দেখা যাবে। ছবিটি দুটি ধাপে মুক্তি পাবে, প্রথম ২০২৬ সালে মুক্তি পাবে। ভগবান রামের চরিত্রে রণবীরকে দেখার জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর ছেন ভক্তরা। যাই হোক, এত বড় অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও রণবীর কাপুর সর্বদা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখেন। এমনকী অভিনেতার কোনও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলও নেই। মাঝে মধ্যে স্ত্রী আলিয়া রণবীরের সঙ্গে ছবি দেন তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে।

যাই হোক, অভিনেতার থেকেও রণবীরের প্রথম পরিচয় তিনি কাপুর পরিভারের বংশধর। ঋষি কাপুর এবং নীতু কাপুরের একমাত্র ছেলে। তাঁর বাবা মা দুজনেই বলিউডের আইকনিক অভিনেতা। তাঁর দাদু রাজ কাপুর ছিলেন বলিউডের কিংবদন্তি পরিচালক এবং অভিনেতা। যাই হোক, বছর কয়েক আগেই ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ঋষি কাপুর। তাঁর মৃত্যুতে গোটা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল। নীতু কাপুরকে ভালবেসেই বিয়ে করেছিলেন ঋষি কাপুর। বলিউডের আইকনিক জুটি ছিলেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের মধ্যেও ঝগড়া অশান্তি হত। একবার একটি সাক্ষাৎকারে রণবীর নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তাঁর বাবা-মা নীতু কাপুর এবং ঋষি কাপুরের মধ্যে প্রায়শই ঝগড়া হত। একবার তাদের দাম্পত্য জীবনের ঝামেলা জনসমক্ষেও চলে এসেছিল। তা নিয়ে বিব্রত বোধ করেছিলেন রণবীর। তিনি রাত জেগে তাঁর বাবা-মার ঝগড়া এবং জিনিসপত্র ভাঙচুরের আওয়াজ শুনতে পেতেন।

‘ব্রহ্মাস্ত্র’ অভিনেতার কথায়, “সেই সময় সংবাদমাধ্যমের কোনও গুরুত্ব ছিল না। আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতাম। তাই তাদের ঝগড়া সেই পর্যায়ে যেতে দেখেও আমিও এর খুব একটা অংশ নিতে পারতাম না। আমরা একটি বাংলোতে থাকি। আমার বাবা-মা নীচে থাকতেন এবং আমি উপরের তলায় থাকতাম। আমার মনে আছে, একবার রাত ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত চার ঘন্টা সিঁড়িতে বসে আমি আমার বাবা-মায়ের ঝগড়া, ভাঙ্গচুরের আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলাম। ভয়ে গুটিয়ে থাকতাম। কিন্তু সেটাই একবার সংবাদের শিরোনামে চলে আসে। স্কুলের বন্ধুরা সব জেনে গিয়েছিল। যা আমাকে লজ্জিত করেছিল। আমার বাবা-মায়ের বিবাহের ঝামেলা শিরোনামে পরিণত হয়েছিল। সবাই এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যায় কিন্তু আমার বাবা-মা সেলিব্রিটি ছিলেন তাই এটি সহজেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। স্কুলে এটি একটু লজ্জাজনক ছিল। আমি জানতাম আমার বন্ধুরা সব জানে। তাই তাদের কাছে যাওয়া আমার পক্ষে লজ্জা জনক ছিল। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমার বাবা-মা যখন ঠিক হয়ে গিয়েছিলেন, সেই পর্যায় থেকে বেরিয়ে এসে আবার সাহচর্য এবং বন্ধুত্ব খুঁজে পাওয়া আমার পক্ষে মুশকিল গজল।” ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল, ঋষি কাপুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

চা-কফি বাদ, মেকআপে শুধুই সানস্ক্রিন, সুতির শাড়ি-চুড়িদার পরেই প্রচারে ঝড় তুলছেন লাভলি

বক্সঅফিসে সুনামি, ৭ দিনে ১৩৫ কোটি আয় ‘ভূত বাংলা’র, কেরিয়ারে খরা কাটছে অক্ষয়ের

‘হক’ সিনেমার জন্য কোরান পাঠ করতেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম

অনলাইনে ভোট দিতে বলে নিজেই চেন্নাইয়ের বুথে হাজির, জ্যোতিকার কীর্তিতে বিতর্ক

তপ্ত মুর্শিদাবাদে নির্বিঘ্নে ভোট দিলেন সস্ত্রীক অরিজিৎ সিংহ ও গায়কের বাবা

‘পুরোদমে শুটিং করছেন নায়িকা’, ‘রাকা’তে দীপিকার বাদ পড়ার গুজব ওড়াল নির্মাতারা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ