কবর বা দাহ নয়, এখানে মানুষের মৃতদেহ গাছের নিচে রাখা হয়, সেটাই দেখার জন্য ভিড় জমান পর্যটকরা

Share:

আন্তর্জাতিক ওয়েবডেস্ক: ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা এই লাইন একদম অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। মানুষ জন্মগ্রহণ করলে তাঁর মৃত্যুও হবে, এটা স্বাভাবিক। হিন্দু ধর্মের রীতি অনুযায়ী, মানুষ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর তাঁকে দাহ করা হয়। কোনও কোনও ধর্মে আবার কবর দেওয়ার রীতি রয়েছে। তবে পৃথিবীতে এমন একটি জায়গা আছে যেখানে মৃতদেহ গাছের নিচে রাখা হয়। ঘটনাটি কাল্পনিক মনে হলেও বাস্তবে ইন্দোনেশিয়ার ত্রুনিয়ান গ্রামে ঠিক এই প্রথা বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে।

ইন্দোনেশিয়ার বালির উত্তর পূর্ব প্রান্তে বিচ ক্লাব এবং স্মুদি বোল থেকে কিছুটা দূরে ত্রুনিয়ান গ্রাম। বাতুর হ্রদের ক্যালডোরের তীরে অবস্থিত সেটি। বহু মানুষের কাছে এই গ্রাম একটি পর্যটন স্থান হিসেবে জায়গা পেয়েছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ ত্রুনিয়ানে ছুটে আসেন। একটাই কারণ, তা হল মৃতদেহ সমাধিস্থ করার এক অন্যরকম পদ্ধতি দেখতে। যা অন্য যে কোনও সমাধি প্রথার চেয়ে আলাদা। জানা গিয়েছে, এখানে মৃতদেহ সমাধিস্থ করার পদ্ধতির নাম মেপাসাহ।

আরও পডুন: যমুনা নদীতে নৌকাডুবিতে ৬ ভক্তের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও অনেকে

কী সেই পদ্ধতি? ত্রুনিয়ান গ্রামে কোনও ব্যক্তি মারা যাওয়ার তাঁর মৃতদেহটি মেনিয়ান নামক একটি গাছের নিচে রাখা হয়। প্রথমে মৃতদেহ জলে ধুয়ে মুখ খুলে রেখে সাদা কাপড়ে মোড়া হয়। পরবর্তীতে বাঁশের তৈরি সাধারণ বেড়ার ভিতরে সেই মৃতদেহ রেখে তাঁর সমস্ত ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়। সেই সঙ্গে কোনও কোনও সময় ছবিও দেওয়া হয় মৃত ব্যক্তির। তবে ওখানে ১১টি বাঁশের খাঁচা থাকার ফলে নতুন কোনও মৃতদেহ আসার পর আগের মৃতদেহ সরিয়ে ফেলতে হয়। এই কাজ অবশ্যই সসম্মানে করা হয়ে থাকে। সে সময় আগের দেহাবশেষের মাথার খুলি ও হাড়গুলি একটি পাথরের উপরে রাখা হয়। বলাবাহুল্য, এমন সমাধিস্থ প্রথা শুধুমাত্র বিবাহিত ব্যক্তি এমনকি স্বাভাবিকভাবে মৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেই করা হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে কবর দেওয়া হয়।

আজ ধনতেরাসের সন্ধ্যায় এই ৫ জায়গায় জ্বালান প্রদীপ, মা লক্ষ্মীর কৃপায় আসবে সুখ-সমৃদ্ধি!

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন

দীপাবলির আগে মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ সূর্যকুমারের পরিবারের, খুদের ভজন শুনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

সন্দেশখালিতে ছেলের সামনেই মায়ের শ্লীলতাহানি, পুলিশের জালে শাহজাহানের শাগরেদ

রিলস স্ক্রল করা বন্ধ করতে পারছেন না? জেনে নিন এই সহজ কৌশল

আঘাতের পর ফের ওয়ার্কআউট! জানুন হাঁটু সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায়

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

দীপাবলির আগে অমিতাভের ‘জলসা’য় বোমা হামলার হুমকি!

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় এবারও অনলাইনে স্টল বুকিং, থাকছে বিশেষ শর্ত

সর্ষে অতীত, এবার ভাত পাতে রাখুন পোস্ত পাবদা, রইল রেসিপি

অল্প তেলেই বানিয়ে ফেলুন ফুলকপি পাতুরি, ভাত বা পরোটার সঙ্গে জমে যাবে