এই মুহূর্তে




সাত সকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘিরে রণক্ষেত্র বেহালা




নিজস্ব প্রতিনিধি: সাত সকালেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা(Accident) খাস কলকাতার(Kolkata) বুকে। সেই দুর্ঘটনায় জীবন থেমেছে এক খুদে স্কুল পড়ুয়ার(School Student)। আর সেই দুর্ঘটনাকে ঘিরেই রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বেহালার(Behala) বড়িশা এলাকা। ক্ষিপ্ত জনতার রোষে পুড়েছে পুলিশের গাড়ি সহ একাধিক বাস ও বাইক। দফায় দফায় খণ্ডযুদ্ধে বেঁধেছে জনতা ও পুলিশের মধ্যে। ঘটনার জেরে সকাল সাড়ে ৬টা থেকেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে ডায়মন্ডহারবার রোড। শেল ফাটিয়ে, টিয়ার গ্যাস চার্জ করে, লাঠি পেটা করেও পুলিশ ক্ষিপ্ত জনতাকে না শান্ত করতে পেরেছে না ছত্রভঙ্গ করতে পেরেছে। কার্যত গোটা ডায়মন্ড হারবার রোড পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। জনতার হাতে মার খেয়ে আহত হয়েছেন জন ৬ পুলিশকর্মী। কার্যত র‍্যাফ নামিয়ে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

আরও পড়ুন ‘ইভিএম হ্যাক করার পরিকল্পনা হচ্ছে’, সতর্ক মমতা

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে অর্থাৎ শুক্রবার বড়িশা হাইস্কুলের(Barisha High School) দ্বিতীয় শ্রেনীর এক পড়ুয়া সৌরনীল সরকার(৫)-কে স্কুলে দিতে রাস্তা পার করছিলেন তার বাবা সরোজকুমার সরকার। সেই সময় ডায়মন্ডহারবার রোড দিয়ে তীব্রগতিতে যাওয়া একটি মাটি বোঝাই লরি ধাক্কা মারে দুইজনকে। লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে যায় ওই খুদে পড়ুয়া। সকাল ৬টা নাগাদ সেই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা ও বড়িশা হাইস্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা দুর্ঘটনায় আহত ওই পড়ুয়ার বাবাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার জেরে ক্ষিপ্ত জনতা ডায়মন্ডহারবার রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তাঁদের অভিযোগ, বড়িশা হাইস্কুলে সকালবেলাতেই প্রায় ১ হাজার পড়ুয়া আসে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশকে বলা হয়েছে স্কুলের সামনে ডায়ম্নডহারবার রোডে যেন যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু বাংলা মিডিয়াম স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য কোনও পদক্ষেপই করেনি পুলিশ। কিছুটা দূরে একটি নামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য সেখানে যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়।   

আরও পড়ুন ৫০ কোটিতে ৫৬টি হাসপাতালে বাড়তি ওয়ার্ডের উদ্বোধন

পুলিশ অবরোধ ওঠাতে গিয়ে লাঠিচার্জ করতেই পরিস্থিতি আরও তেতে ওঠে। ক্ষিপ্ত জনতা একাধিক বাসে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন ধরানো হয় পুলিশের গাড়িতেও। একাধিক বাইকেও আগুন ধরানো হয়েছে। ক্ষিপ্ত জনতার হাতে মার খেয়ে আহত হন জন ৬ পুলিশকর্মী। কার্যত সেই সময় থেকেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ডায়মন্ডহারবার রোড। দুর্ঘটণার পর থেকেই পড়ুয়ার মৃতদেহ রাস্তায় ফেলে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিক্ষুব্ধরা। বিক্ষুব্ধ জনতার দাবি, দুর্ঘটনার পর লরিচালককে ধরা গেলেও পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও এনেছেন স্থানীয়রা। শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ। তার জেরে আবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বেহালা চৌরাস্তা সংলগ্ন রাস্তা। রাস্তায় আটকে পড়ে প্রচুর যানবাহন। চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে নামানো হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল বাহিনীও। পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। শেষে সকাল ৯টার কিছু পড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ। সেই সঙ্গে ডায়মন্ডহারবার রোডের একাংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

হাওড়ায় পাইপ লাইনের কাজের জন্য ধস নামায় পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন, চরম ভোগান্তি

আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে হাজির থাকতে শহরে পা রাখলেন কিং খান

শিবমন্দিরে ঢুকতে যেন বাধা না পান তফসিলিরা, অবশেষে হাইকোর্টে রায়ে স্বস্তি পেলেন বঞ্চিতরা

রবিবারের বৈঠকের আগে ‘অধিনায়ক অভিষেকের’ পোস্টার ছেয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতায়

রামনবমীর দিন ইডেনের ম্যাচের নিরাপত্তা নিয়ে মুখ খুলল কলকাতা পুলিশ

চমকের অপেক্ষায় তিলোত্তমা, IPL উদ্বোধনে সঞ্চালনার দায়িত্বে শাহরুখ

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর