চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসতে দেরি হবে, কলকাতায় গরম বাড়বে

নিজস্ব প্রতিনিধি: এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে যে বর্ষা আসার সম্ভাবনা ছিল, আগামী ১২ তারিখের মধ্যে তার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। আগামী চার দিনে ২-৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে চলেছে দক্ষিণবঙ্গে। একইভাবে উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা বাড়তে পারে। রবিবার উত্তরবঙ্গের(North Bengal) ৫ টি জেলাতে দার্জিলিং, কালিংপং, কোচবিহার বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভবনা আছে। উত্তরবঙ্গের বাকি ৩ টি জেলাতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের(Alipur Weather Office) পূর্বাঞ্চলে অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত এই খবর জানান ।তিনি বলেন,দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও দুই চব্বিশ পরগনাতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভবনা আছে।

২ জুন সোমবার উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতে বৃষ্টির সম্ভবনা আছে। আর দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিচ্ছিন্ন ভাবে বৃষ্টির সম্ভবনা আছে।৩ জুন মঙ্গলবার একই ভাবে বৃষ্টিপাত হবে।রবিবার দক্ষিণবঙ্গে(South Bengal) কিছু জেলাতে ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভবনা, বজ্র বিদ্যুৎ সহ।২ জুন উত্তর বঙ্গের পাঁচ জেলাতে বর্জ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভবনা।৩ ,৪,৫,৬ জুন কোনো বৃষ্টির সম্ভবনা নেই রাজ্যে। আগামী ১২ তারিখের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গে এবং উত্তর ভারতে প্রবল বৃষ্টিপাত হলেও দক্ষিণবঙ্গে আগামী দিনগুলিতে ফের অস্বস্তিকর গরম বাড়বে।এদিকে,মেঘভাঙা বৃষ্টিতে নতুন বিপদ উত্তর সিকিমে। জল বাড়ছে তিস্তায়, প্লাবিত একাধিক এলাকা, আটকে বহু পর্যটকরা।বৃষ্টি-ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমে নতুন বিপদ ডেকে আনল মেঘভাঙা বৃষ্টি।

শনিবার রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে উত্তর সিকিমের মংগন জেলা। বৃষ্টিতে ফিদাং গ্রামের পাশাপাশি নতুন করে প্লাবিত হয়েছে একাধিক এলাকা। সেই সঙ্গে নতুন করে জল বাড়তে শুরু করেছে তিস্তায়। পরিস্থিতি যা, তাতে রবিবার যদি নতুন করে অতি ভারী বৃষ্টি হয়, তবে সিংতাম শহরও জলমগ্ন হতে পারে।শুক্রবার রাতের প্রবল বর্ষণে একাধিক রাস্তায় ধস নেমেছে। শনিবার রাতের বৃষ্টিতে পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। একাধিক জায়গা বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন। দু’দিন ধরে নেই মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও। ফলে লাচেন এবং লাচুংয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের আত্মীয়-পরিজনরা চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। লাচেনের ১১৫ এবং লাচুংয়ের ১৩৫০ জন আটকে থাকা পর্যটককে কীভাবে উদ্ধার করা হবে, সে ব্যাপারে রবিবার সকালেও আশার আলো দেখাতে পারেনি মংগন জেলা প্রশাসন। রাস্তা মেরামত না হলে যে উদ্ধার অসম্ভব, তা মনে করিয়ে দিচ্ছেন প্রশাসনিক কর্তারা। কিন্তু রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু জন্য বৃষ্টি থামা প্রয়োজন। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে কোথায়? সবমিলিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত সিকিম।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

‘এবারে সরকার গড়তে না পারলে আর কোনও দিনই পারব না’,তমলুকে মন্তব্য হিমন্ত’র

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’,অনাহারে দিন কাটছে ৯৪ বছরের বাউল শিল্পীর

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ