রসগোল্লা ছাড়াও জিআই স্বীকৃতি আছে বঙ্গের এই শিল্পের

রসগোল্লা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের আরও এমন অনেক জিনিস আছে যা জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। কী কী জেনে নিন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কলকাতা ও ওড়িশার রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতির লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতে গিয়েছে কলকাতাই। কিন্তু এই রসগোল্লা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের আরও এমন অনেক জিনিস আছে যা জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। কী কী জেনে নিন। পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত দার্জিলিং চা ২০০৫ সালে সর্ব প্রথম জিআই স্বীকৃতি পায়।

নকশি কাঁথাঃ পশ্চিমবঙ্গের যে যে শিল্পগুলি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে তার মধ্যে প্রথম হল নকশি কাঁথা। সূক্ষ্ম সুতোর কাজে নানা পশু পাখি, ফুল-ফল এমনকী জীবনবৃত্তান্তের নানা গল্প ফুটে ওঠে এই নকশি কাঁথায়। বীরভূমের বহু জায়গায় এই শিল্প দেখা যায়। ২০০৮ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় বাংলার এই শিল্প। আজও কলকাতার নানা শীতকালীন মেলায় পাওয়া যায় এই নকশি কাঁথা। 

তুলাইপাঞ্জি চালঃ বিভিন্ন শিল্পের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুরের তুলাইপাঞ্জি চালো কিন্তু জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্ত। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই চাল আমাদের সবারি বড় পছন্দের। ২০১৭ সালে এই বিশেষ ধরণের চালকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 

বাঁকুড়ার ঘোড়াঃ বাঁকুড়ার পাঁচমুড়ার টেরাকোটা শিল্প দেশব্যাপী বিখ্যাত। ছোট থেকে বড় সব মাপের এবং সব রকমের দামের পোড়ামাটির এই ঘোড়া  প্রসিদ্ধ। কাউকে উপহার দেওয়ার জন্যও নানা আকারের এই টেরাকোটা শিল্প অন্যতম উপায়। ২০১৮ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্প। 

মাদুরকাঠিঃ বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে মাদুর। পুরানো দিনে মা-ঠাকুমাদের সমস্ত গোপন তথ্য জানত দক্ষিণের খলা বারান্দা আর ওই এক ফালি মাদুর। গরমের দুপুরে একটা মাদুর পেতে আরামের ঘুম এসবই ছিল একটা সময়ের জীবনযাত্রা। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এলেও মাদুর শিল্প আজও তার মত করে এগিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলা এই শিল্পের আঁতুড়ঘর। মেদিনিপুরের  বিভিন্ন জায়গায় মাদুর তৈরি হয়। মুলত বাড়ির মহিলারাই এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে। তাঁদের হাতে তৈরি মাদুরের  নানা নকশা দেখার মত। ২০১৮ সালে এই মাদুর শিল্পকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 

শান্তিনিকেতনী চর্মজাত শিল্পঃ ২০০৭ সালে শান্তিনিকেতনের এই শিল্পকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। রবি ঠাকুরের হাত ধরে শান্তিনিকেতনের এই প্রান্তিক এলাকার মানুষদের রুজি রুটির ব্যবস্থা করতেই সুদূর জাভা থেকে বাটিকের নক্সা নিয়ে আসা, কিংবা পুরানো কাপড়ের ব্যবহার করে খেশের বিখ্যাত জিনিস উৎপাদন করা অথবা বীজের নানা গয়না তৈরি শুরু হয়েছিল। এক কথায় বলতে গেলে এই শিল্পের পাশাপাশি শান্তিনিকেতনের চর্মজাত শিল্প বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চামড়ার তৈরি নানা প্রকারের ব্যাগ, পর্যটকদের মুল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। 

আফগানদের দুরমুশ করে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে পুলেন শ্রেয়সরা

৪ ডিসেম্বর লখনউয়ে সপা সাংসদের সঙ্গে মালা বদল করবেন রিঙ্কু সিংহ

ছাদে গাছ বসাতে ভালবাসেন? এই ৫ ভুলে বাড়িতে লাগতে পারে বাস্তুদোষ

অল্প বয়সেই স্ট্রোক? শরীর এই ৫টি সঙ্কেত দিলেই সাবধান হোন

ফের ব্যাটিং বিপর্যয় আফগানদের, সিরিজ জিততে শ্রেয়সদের চাই মাত্র ১৬০ রান

সকালের জলখাবারে নতুন কিছু ট্রাই করতে চান? বানান চিজ-গার্লিক মাঙ্কি ব্রেড

বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টির অধিনায়কের পদ থেকে ইস্তফা জ্যোতির

পীর বাবার পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল একাদশ শ্রেণির দুই পড়ুয়ার

UPI-তে দু’হাজার টাকার বেশি লেনদেনে দিতে হবে মাশুল, কারা দেবেন? জানিয়ে দিল কেন্দ্র

সন্ধ্যার পর শহরের রাস্তা থেকে উধাও বেসরকারি বাস, ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

বারুইপুর এনকাউন্টার কাণ্ডে তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হতেই ঋতব্রতদের নোটিস পাঠালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

৩০ বছর বাদে ফের বার্সেলোনার মাঠে বসছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বেহাল, নিউ মার্কেটের শপিং মল পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুব্ধ দমকল আধিকারিকরা