হার্ট অ্যাটাকের পর দেখা দিতে পারে ‘কার্ডিয়াক ডিপ্রেশন’, জানুন লক্ষণ ও সমাধানের উপায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট সার্জারির পর শারীরিক সুস্থতার দিকে বিশেষ নজর দেন কমবেশি  সকলেই। কিন্তু শরীরের পাশাপাশি যে মনেরও যত্ন প্রয়োজন, তা অনেক সময় উপেক্ষিত থেকে যায়। হৃদরোগের ধাক্কা সামলে ওঠার পর অনেক রোগীই গভীর ভয়, উদ্বেগ, একাকীত্ব কিংবা অবসাদে ভুগতে পারেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই মানসিক অবস্থাকে বলা হয় ‘কার্ডিয়াক ব্লুজ’ বা কার্ডিয়াক ডিপ্রেশন। 

অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর হার্ট হেলথ-এর তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া বা হার্ট সার্জারির পর প্রায় ৭৫ শতাংশ রোগীর মধ্যে কোনও না কোনওভাবে এই ধরনের মানসিক অবসাদের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। মৃত্যুভয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং হঠাৎ জীবনযাত্রায় পরিবর্তন সব মিলিয়েই তৈরি হতে পারে এই মানসিক চাপ।  

কীভাবে বুঝবেন রোগী অবসাদে ভুগছেন?

হার্ট অ্যাটাক বা সার্জারির পর কিছুদিন মন খারাপ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে সেই অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সতর্ক হওয়া জরুরি। বিশেষ করে রোগী যদি—

 ** সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকেন এবং নিজেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের থেকে গুটিয়ে নেন 
 

** আগে যে কাজ বা বিষয়গুলি পছন্দ করতেন, সেগুলির প্রতিও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন;
 

** কথাবার্তা কমিয়ে দেন এবং বেশিরভাগ সময় একা থাকতে চান 
 

** নিজের স্বাস্থ্য, আবার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করতে থাকেন  তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ৬ সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে বা তা ক্রমশ বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শুধু হার্ট নয়, মনেরও চিকিৎসা জরুরি

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, হৃদরোগের পর সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নিলেই হবে না, প্রয়োজন অনুযায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকিয়াট্রিস্টের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী থেরাপি কিংবা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

কি করলে ভাল হবে মন? 

একা  থাকবেন না

কার্ডিয়াক ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীকে ঘরবন্দি করে না রেখে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দিতে হবে। নিজের ভয়, উদ্বেগ বা মনের কথা কাছের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শে হাঁটাচলা

হার্টের অবস্থার কথা মাথায় রেখে চিকিৎসকের অনুমতি অনুযায়ী নিয়মিত হালকা হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করা যেতে পারে। শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা অনেকের ক্ষেত্রে মন ভালো রাখতে এবং আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

মনে রাখতে হবে, হার্ট অ্যাটাকের পর সুস্থ হয়ে ওঠা মানে শুধু হৃদযন্ত্রের সুস্থতা নয় মনের সুস্থতাও তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ, ভয় বা উদ্বেগকে অবহেলা না করে সময়মতো বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়ার বার্তাই দেওয়া হয়। 

NRS-এ নার্সের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস‍্যমৃত‍্যুর মামলা রুজু করল লালবাজার

ঘাড় শক্ত হওয়া কি স্ট্রোকের লক্ষণ? সতর্ক করছেন স্নায়ুরোগের চিকিৎসকরা

অর্থ কষ্টে ভুগছেন? দুহাতে রোজগার করতে মানিব্যাগ থেকে আজই সরান এই জিনিসগুলি

পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইটে মহাপ্রভুর জন্মস্থান হিসেবে নবদ্বীপের সঙ্গে মায়াপুরের নাম, বিতর্ক

সস্তার রিচার্জ প্ল্যান বন্ধ করে দিল Airtel, মাথায় হাত গ্রাহকদের

রোজকার রান্নায় গুজরাতি টুইস্ট! বানিয়ে নিন কাথিয়াওয়াড়ি আলু সবজি

৭০০০mAh ব্যাটারি সহ 5G স্মার্টফোন! কত টাকায় মিলবে Realme 16x?

ফ্রিজ ম্যাগনেট কেনার আগে সাবধান! ভুল চৌম্বক লাগালে কিন্তু পকেটে টান পড়তে পারে

স্বাধীনতা দিবসে মেট্রোয় রদবদল, কোন লাইনে কত ট্রেন? জেনে নিন সময়সূচি

নেতাজিকে অপমান, অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নিল শুভেন্দুর সরকার

সিলেবাসে আগামী শিক্ষাবর্ষেই শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে অধ্যায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচের জন্য এশিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়াল ভারত

আবাস যোজনা’র সমীক্ষার মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হল, ঘোষণা দিলীপ ঘোষের

খাস কলকাতায় নেতাজির মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা, তদন্তে পুলিশ