নবরাত্রির ৯ দিনে কেন বৃদ্ধি পায় তান্ত্রিক ক্রিয়া, এড়ানোর উপায় কী?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : চৈত্র নবরাত্রির সময় গ্রহের অবস্থানের কারণে তান্ত্রিক সাধনা ও শক্তি জাগরণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই সময়টি সাধারণ মানুষের জন্য পূজা-অর্চনা, ধ্যান এবং ইতিবাচক শক্তি বিকাশের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ পাওয়া যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

নবরাত্রি এলেই পরিবেশ অনেকটাই আলাদা হয়ে যায়। ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানো থেকে মন্দিরে মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হয়। এই সময়ে মনের মধ্যে আলাদাই শক্তি অর্জন হয়ে থাকে। এই বছরের চৈত্র নবরাত্রি শুধু পূজা-অর্চনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুসারে, গ্রহের অবস্থান তন্ত্রসাধনা এবং শক্তি জাগরণের জন্য অনুকূল। যদিও মানুষ সাধারণত এটিকে ভক্তির উৎসব হিসেবে বিবেচনা করে। নবরাত্রির সময় চন্দ্রের অবস্থানের ওপরে শক্তির একটি বিশেষ প্রভাব থাকে। এই সময়ে চন্দ্রের অবস্থান এমন কিছু যোগ সৃষ্টি করে যা মানসিক একাগ্রতা এবং ধ্যানের জন্য সহায়ক। এই কারণেই সাধকরা এই সময়ে তান্ত্রিক আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে অধিক ফলপ্রসূ বলে মনে করেন।

কেউ কেউ মনে করেন, চন্দ্র ও মঙ্গলের মতো গ্রহগুলি অনুকূল অবস্থানে থাকে। এই শক্তি তন্ত্র সাধনায় সাহায্য করে। গ্রাম থেকে শুরু করে বড় শহর পর্যন্ত, এই সময়ে বহু মানুষকে বিশেষ মন্ত্র জপ করতে এবং ধ্যান করতে দেখা যায়। যাঁদের জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্র দুর্বল অবস্থানে থাকে অথবা কোনো পাপী গ্রহের সঙ্গে থাকে, তাঁরা এই সময় সমস্যায় পড়তে পারেন। তন্ত্র সাধনার জন্য মাঘ ও আষাঢ় মাসের গুপ্ত নবরাত্রি অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হলেও, চৈত্র নবরাত্রিও কোনো অংশে কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়। এবারের গ্রহবিন্যাস একে আরও বিশেষ করে তুলেছে।

নবরাত্রির রাতগুলিতে মহাজাগতিক শক্তি তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এই কারণেই তান্ত্রিক সাধনা প্রায়শই রাতে করা হয়। অনেক সাধক বিশ্বাস করেন যে এই নয় রাতে ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক সাধনা করলে দ্রুত ফল লাভ হয়।

তান্ত্রিক আচারের প্রভাব অস্থায়ী হলেও, কারও কারও ওপরে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। নিজের সুরক্ষার জন্য আপনার নিয়মিত ভগবান হনুমানের পূজা করা উচিত। পাশাপাশি কারও দেওয়া কোনও নৈবেদ্য বা অন্য কোনও জিনিস গ্রহণ না করাই উচিৎ। পাশাপাশি, রাস্তার মোড়ে করা কোনো জাদুবিদ্যার উপর পা না দেওয়ার ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হবে। এই ধরনের জায়গা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

আফগানদের দুরমুশ করে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে পুলেন শ্রেয়সরা

৪ ডিসেম্বর লখনউয়ে সপা সাংসদের সঙ্গে মালা বদল করবেন রিঙ্কু সিংহ

ছাদে গাছ বসাতে ভালবাসেন? এই ৫ ভুলে বাড়িতে লাগতে পারে বাস্তুদোষ

অল্প বয়সেই স্ট্রোক? শরীর এই ৫টি সঙ্কেত দিলেই সাবধান হোন

ফের ব্যাটিং বিপর্যয় আফগানদের, সিরিজ জিততে শ্রেয়সদের চাই মাত্র ১৬০ রান

সকালের জলখাবারে নতুন কিছু ট্রাই করতে চান? বানান চিজ-গার্লিক মাঙ্কি ব্রেড

বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টির অধিনায়কের পদ থেকে ইস্তফা জ্যোতির

পীর বাবার পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল একাদশ শ্রেণির দুই পড়ুয়ার

UPI-তে দু’হাজার টাকার বেশি লেনদেনে দিতে হবে মাশুল, কারা দেবেন? জানিয়ে দিল কেন্দ্র

সন্ধ্যার পর শহরের রাস্তা থেকে উধাও বেসরকারি বাস, ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

বারুইপুর এনকাউন্টার কাণ্ডে তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হতেই ঋতব্রতদের নোটিস পাঠালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

৩০ বছর বাদে ফের বার্সেলোনার মাঠে বসছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বেহাল, নিউ মার্কেটের শপিং মল পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুব্ধ দমকল আধিকারিকরা