আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ফোন হাতে না থাকলেই কি বুক ধড়ফড় করে? জেনে নিন বাঁচার উপায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক মিনিটের জন্য ফোনটা খুঁজে পাচ্ছেন না, সঙ্গে সঙ্গে মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব গুরুত্বপূর্ণ খবর, মেসেজ আর নোটিফিকেশন যেন আপনারই জন্য অপেক্ষা করছিল! পকেট, ব্যাগ, বালিশের নিচে সব জায়গায় হাতড়াতে শুরু করেন। পরে দেখা গেল ফোনটা তো আপনার হাতেই! শুনতে মজার লাগলেও এ ধরনের অস্থিরতার একটি নাম আছে- নোমোফোবিয়া। অর্থাৎ মোবাইল ফোন ছাড়া থাকার অযৌক্তিক ভয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন “নোমোফোবিয়া বা ‘নো মোবাইল ফোন ফোবিয়া’ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক রোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে প্রযুক্তি নির্ভরতার কারণে তৈরি হওয়া এক ধরনের উদ্বেগজনিত সমস্যা হিসেবে এটিকে বিবেচনা করা হচ্ছে।” আজকের দিনে স্মার্টফোন শুধু কথা বলার যন্ত্র নয়। কাজের আপডেট, সামাজিক যোগাযোগ, বিনোদন এমনকি নিরাপত্তাবোধ সবকিছুর সঙ্গেই এটি জড়িয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: ভ্রু ঘন করার সেরা ৫টি উপায়, পার্লার না গিয়ে বাড়িতেই পান মনের মতো লুক

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোন ব্যবহার আমাদের মস্তিষ্কে একটি ডোপামিন রিওয়ার্ড সাইকেল তৈরি করে। প্রতিবার নোটিফিকেশন, মেসেজ বা লাইক দেখলে মস্তিষ্ক আনন্দের সংকেত পায়। ফলে মানুষ বারবার ফোন চেক করতে চায়। আর যখন ফোন কাছে থাকে না, তখন সেই আনন্দের প্রবাহ থেমে গিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়।

নোমোফোবিয়ার সাধারণ লক্ষণ
নোমোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু সাধারণ আচরণ
দেখা যায়-
ফোন হাতের কাছে না থাকলে অস্বস্তি বা বুক ধড়ফড় করা
ফোনের চার্জ কমে গেলে অকারণ দুশ্চিন্তা
নেটওয়ার্ক না থাকলে বিরক্তি বা অস্থিরতা
ঘুমানোর সময়ও ফোন পাশে না থাকলে অস্বস্তি
সরাসরি কথা বলার চেয়ে ফোনে যোগাযোগে বেশি স্বস্তি পাওয়া

এই লক্ষণগুলো যদি কারও দৈনন্দিন জীবন, কাজ বা সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

কারা বেশি ঝুঁকিতে?
গবেষণায় দেখা গেছে, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে নোমোফোবিয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এর কয়েকটি কারণ হলো-
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবসময় আপডেট থাকার চাপ বা ফিয়ার অব মিসিং আউট (FOMO)
অনলাইন পরিচয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
মানসিক চাপ বা একঘেয়েমি থেকে মুক্তি পেতে ফোনের ওপর নির্ভরতা
তবে শুধু তরুণরাই নয়। কাজের চাপ, একাকিত্ব বা দীর্ঘদিনের মানসিক উদ্বেগ থাকলে যে কোনো বয়সের মানুষই এ সমস্যায় পড়তে পারেন।

নোমোফোবিয়া কমানোর সহজ কিছু উপায়
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ফোন ব্যবহার না করার অভ্যাস তৈরি করা
ঘুমানোর সময় ফোন দূরে রাখা
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা
হাঁটা, বই পড়া বা অন্যান্য অফলাইন কাজের সময় বাড়ানো
প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরমে হাঁসফাঁস পোষ্যও! স্বস্তি দিতে মেনুতে রাখুন এই খাবারগুলি

মাত্র ২৯৯ টাকায় একাধিক ওটিটি সাবস্ক্রিপশনের অফার? ফাঁদে পা দিলেই ফাঁকা হবে অ্যাকাউন্ট

ডায়াবেটিসে এই ক্লান্তি কেন?ফিট থাকলেও শরীর দিচ্ছে সতর্কবার্তা

মে মাসে একাধিক ট্রেনের রুট পরিবর্তন, ভ্রমণের আগে সম্পূর্ণ তালিকা দেখে নিন

কর্মক্ষেত্রে বার বার বাধার সম্মুখীন? ৫ লক্ষণেই রয়েছে ইঙ্গিত

দেশজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে তাপমাত্রা, কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ