হরিণ ভেবে নীল গাইকে শিকারের চেষ্টা,প্রতিরোধ গড়লেন পশুপ্রেমীরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : এ কি কাণ্ড রে বাবা! হঠাৎ করেই বনের ধারে দেখা গেল নীল গাই।এই প্রাণীটি দেখতে অত্যন্ত সুন্দর। তবে অনেকে হরিণ ভেবে ভুল করে বসলেন। কিছু অসাধু দল এই নীল গাইটিকে শিকার করার জন্য ওঁত পেতে ঝোপের মধ্যে বসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয় নি। কেননা তারা নীল গাইটিকে ধরার আগেই সেখানে হাজির হন স্থানীয় পশুপ্রেমীরা।ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে।

রবিবার থেকে দিব্যি বনের ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে নীল গাই। অনেকে শিকার করার লোভে তাকে ধাওয়া করতেও শুরু করে। পরে ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণের পরে বোঝা গেল, লোকালয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি নীল গাই! কিন্তু রবিবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নেমে যাওয়াই শিকারিরা ব্যর্থ হয়। তাদের লক্ষ্য হয় পরের দিন সকালে তারা নীল গাইটিকে ধরবে। এই খবর মুহূর্তের মধ্যে রটে যায়। খবর যায় পশুপ্রেমীদের কাছে। সোমবার সকালে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন তারা।কুলটিতে রুখে দাঁড়ালেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি বন্য বিরল এই প্রাণীটিকে বনে ছেড়ে দেওয়া উচিত।পরিকল্পনা ভেস্তে যায় অসাধুদের।

এই নিয়ে ‘ওয়াইল্ড টাস্কার্স’ সংগঠনের এক শীর্ষ সদস্য জানান, ‘হরিণ ভেবে অনেকেই ভুল করেছিলেন, আসলে এটি নীল গাই। সচরাচর এই ধরনের প্রাণী আসানসোল, কুলটি, রানিগঞ্জ অঞ্চলে দেখা যায় না বলেই সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছেন। আমরা বন দফতরের কাছে অনুরোধ করেছি তাকে ধরে যথাস্থানে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। যাতে সে নিরাপদে বনে ফিরতে পারে।’

একইসঙ্গে বন দফতরের জনৈক আধিকারিকের দাবি, ‘সাধারণত এই নীল গাই দেখা যায়। এই নীল গায়ের প্রজনন ক্ষমতা বেশি এবং মৃত্যুর হারও অন্য প্রাণীদের তুলনায় কম।বিহার, ঝাড়খণ্ড অঞ্চলে এই ধরনের নীল গাই খেতের ফসল খুব নষ্ট করে বলে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সুযোগে একটি চক্র এই প্রাণীগুলিকে ধরে বাইরে পাচার করার চেষ্টাও করে।’

তবে বন দফতর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। কীভাবে এই নীল গাই বনের মধ্যে এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই প্রাণীরা মূলত খেতের ফসল খেয়ে বেঁচে থাকে।আসানসোল বা রানিগঞ্জ অঞ্চলে সেই অর্থে তো খেত নেই।তাই হয়তো এই নীল গাই এখানে চলে এসেছে। অন্যদিকে পাচারকারীদের হাত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কেননা এরা বনের পশুদের পাচার করে দিয়ে তাকে।

আরজি কর কাণ্ডে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে, কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর

বর্ষার কাউন্টডাউন শুরু, নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রবেশ করবে মৌসুমি বায়ু

শ্রেয়স নন, ভারতের টি টোয়েন্টির অধিনায়ক হিসেবে কাকে পছন্দ রবি শাস্ত্রীর

রাজাবাজারে রাস্তা আটকে ‘জুম্মার’ নামাজ পড়তে দিল না কলকাতা পুলিশ

পেট্রোল-ডিজেলের বদলে হাইড্রোজেনে চলবে বাস, দিল্লিতে শুরু প্রথম পরিষেবা

অশনিসঙ্কেত! শেয়ারবাজারে ধস, ৯৬ টাকা পেরিয়ে গেল ডলারের দাম

গায়কের উপর দু’ঘন্টা ধরে ‘টাকার বৃষ্টি’, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলের কোচ থাকছেন আনসেলোত্তি

বিনীত গোয়েল–সহ তিন পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড, কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

মুখ্যমন্ত্রী শুরু করতে চলেছেন ‘‌জনতার দরবার’‌, মানুষের কথা শুনতে চান শুভেন্দু

‘আগামী বছর থেকে নিট পুরোপুরি অনলাইন-ভিত্তিক হবে’, কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের

প্রেসিডেন্সি জেলে কয়েদিদের কাছে ‘স্মার্টফোন’, জেল সুপারকে সাসপেন্ড করলেন মুখ্যমন্ত্রী

তমলুকের দাপুটে তৃণমূল নেতা এবং প্রাক্তন পুরপ্রধান চঞ্চল খাঁড়া গ্রেফতার

পাঁশকুড়ায় শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতার উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ৪