“খোকা কার্তিক” দেখেছেন ?  জানুন এই পুজোর অজানা কাহিনী

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : জেনে রাখা ভালো, দুর্গা পুজো- কালী পুজো চলে গেলে চন্দননগর আর কৃষ্ণনগর যেমন জগদ্ধাত্রী পুজোয় মেতে ওঠে, ঠিক তেমনই ভাগীরথীর তীরবর্তী কাটোয়া শহর বিখ্যাত তাদের কার্তিক পুজোর জন্য। এখানে কার্তিক পুজোর আড়ম্বর দেখার মতো। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে থিমের কার্তিক পুজো হয় গঙ্গা পাড়ের এই শহরে। আর এমনিতেই কার্তিক হলেন প্রেমিক দেবতা। তিনি ভালোবাসার কাঙ্গাল। প্রেম পেলে এই বীর সুপুরুষ ভগবান ভুলে যেতে পারেন সবকিছু।

বিশেষজ্ঞদের মতে অগ্রহায়ন মাসে যে নবান্ন হয় তারও প্রধান দেবতা ছিলেন কার্তিক। ঠিক এই কারণেই গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলগুলিতে কৃষি প্রাধান্যের কারণে কাটোয়া, বাঁশবেড়িয়া অঞ্চলে কার্তিকের পূজার প্রচলন হয়। জানা যায়, কাটোয়ার কার্তিক পুজোগুলির মধ্যে রাজা কার্তিক, ন্যাংটো কার্তিক বা খোকা কার্তিকের পুজো বিখ্যাত। তবে এখানে মূলত একে ন্যাংটো কার্তিকের পুজো খুবই জনপ্রিয়। তবে ন্যাংটো কার্তিকের পুজোর নেপথ্যে কী এমন কারণ আছে?

শোনা যায়, কাটোয়ার গঙ্গাতীরে বর্তমান হরিসভাপাড়ার আগে নাম ছিল চুনুরিপাড়া। এখানে পূজিত হওয়া এই ন্যাংটো কার্তিকের আরেক নাম ‘খোকা’। সাধারণত মানুষ কার্তিক ঠাকুরকে তাঁদের পুত্র হিসেবে কল্পনা করে আর তাই পুত্রসন্তান লাভের উদ্দেশ্যেই তাঁর আরাধনা করা হয়ে থাকে। এছাড়া কার্তিককে আবার পুরাণে প্রজননের দেবতা হিসেবে কল্পনা করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একদা এই পাড়াতেই গড়ে উঠেছিল এক বারবনিতা পল্লি। তাঁদের আশ্রয়দাতা ছিলেন তখনকার জমিদার, বাবু ও বণিকরা। এই অঞ্চলের রক্ষিতা ও গণিকাদের অনেকেই তখন অবলম্বন খুঁজতে বাবুদের কাছে সন্তানলাভের প্রার্থনা জানাত। কিন্তু, তৎকালীন সমাজে গণিকাদের সন্তানদের কোনও স্বীকৃতি ছিল না। তাই বাবু মহাজনেরা এই গণিকাপল্লিতে ন্যাংটো কার্তিক বা খোকা কার্তিকের পুজোর প্রচলন করেছিলেন। সেই তখন থেকেই চুনুরিপাড়ার বারবনিতারা মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়ার আশায় ন্যাংটো কার্তিকের পুজো করত। এখনও এই এলাকায় সন্তানের আশায় শিশুকার্তিকের পুজো করার রীতি রয়েছে। জনশ্রুতি আছে, এই পুজোকে কেন্দ্র করেই জমিদারদের ও বণিকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হত। কালক্রমে সেই প্রতিযোগিতাই কার্তিক লড়াই নামে সুপরিচিত হয়ে ওঠে।

কাটোয়ার কার্তিক লড়াই আজও এক ঐতিহ্য। জানা গেছে, কাটোয়ায় ও পানুহাট মিলে প্রায় দেড়শোখানা বারোয়ারি পুজো হয়। থিম ও আলোকসজ্জায় একে অপরের মধ্যে প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে। পুজোর পরদিন শোভাযাত্রা বের হয়। প্রায় ৯০টি কমিটি একসঙ্গে শোভাযাত্রা করে। শোভাযাত্রা শেষে যে যাঁর মণ্ডপে আবার প্রতিমা নিয়ে চলে যায়। পরে তারা নিজের নিজের সুবিধা অনুযায়ী বিসর্জন করে। প্রতিবছর এখানকার কার্তিক পুজো দেখতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অগণিত দর্শনার্থীদের ঢল নামে।

উত্তর দমদম পুরসভায় চেয়ারম্যান সহ ২১ কাউন্সিলরের গণ ইস্তফা

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গৌড়ের রামকেলি মেলার প্রস্তুতি বৈঠক

‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে কারা বেআইনিভাবে টাকা পেয়েছেন, তালিকা তৈরির নির্দেশ মুখ্যসচিবের

বিশাখাপত্তনমে স্টিল প্ল্যান্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে মৃত্যু ৮ শ্রমিকের

ভেঙে দেওয়া হল কলকাতা পুর বোর্ড, বসানো হল প্রশাসক

সংসদীয় দলের নেতৃত্বে কে? ঝামেলা শুরু তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের শিবিরে

শতাব্দীর বাড়িতে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠক, আচমকা হাজির শুভেন্দুও

ধুলিয়ানে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রাণের ত্রিপল উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

‘নিয়ম না মেনে পুশব্যাক মানা হবে না’, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চিঠি তারেক সরকারের

সুথার-সুন্দরের ভেল্কিতে আফগানদের দুরমুশ করে জিতল টিম ইন্ডিয়া

অবিলম্বে ইরান ছাড়ুন, ইজরায়েলের হামলার পরেই স্বদেশি নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

তৃণমূলের পার্টি অফিসে আস্ত গেস্ট হাউস! মিলল কন্ডোম ও বস্তা ভর্তি শাড়ি

‘লোভী-গদ্দার-ভীতুরা বিজেপিতে যোগ দিন’, কাকলিদের নিশানা মহুয়ার

মৃত্যুর ২০দিন পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তোলা হল বধূর মৃতদেহ