ছুটি মাত্র চারদিন, পুজোর ঠিকানা হোক এই তিন পাহাড়ি গ্রাম

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর হাতে গোনা আর কয়েকদিন বাকি, তারপরেই বেজে উঠবে পুজোর ঢাক। এমনিতেই আকাশে বাতাসে যেন ছড়িয়ে পড়েছে পুজোর গন্ধ। মা দুর্গা আসছেন। আগমনীর আগমনের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন সবাই। পুজোতে কলকাতার রূপ একদম ভিন্ন। বর্তমানে অবশ্য কলকাতা,শহরতলী বা মফস্বল সব জায়গাতেই থিমের খেলা। এ বলে ওকে দেখ, ও বলে তাকে। সব জায়গাতেই প্রতিযোগিতা। ফুচকা, রোল, বিরিয়ানি, চাইনিজের মতো হরেক রকমের খাওয়া দাওয়ার মাঝে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখার আনন্দই আলাদা। তবে সকলে তো ভিড়ভাট্টা পছন্দ করেন না। আবার অনেকেই রয়েছেন যারা পুজোর কয়েকটা দিনই ছুটি পান। তারা আবার ঘুরে আসতে চান নিরালা নিরিবিলি একটু অফ বিট জায়গা থেকে। আর অফ বিট মানেই পাহাড়। যারা চলতি বছর পুজোয় উত্তরবঙ্গ যাবেন বলে ভাবছেন তাদের আর চিন্তা নেই। ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে বরং ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই তিন অচেনা জায়গা থেকে।

ঘন জঙ্গলে ঢাকা ডুয়ার্সের প্যারেন

ডুয়ার্স সবাই চেনেন, কিন্তু প্যারেনের নাম ক’জন জানেন? অনেকেই বলবেন এরকম কোনও জায়গা আবার আছে নাকি? অবশ্যই রয়েছে। জঙ্গল ঘেরা একটি ছোট্ট জায়গা হল প্যারেন। এর ঠিক কাছেই ভুটান বর্ডার। পাশেই রয়েছে জলঢাকা নদী। মূলত নদী উপত্যকাতেই গড়ে উঠেছে প্যারেন। ঝালং যাওয়ার পথে এই প্যারেন জায়গাটি পাবেন। ডুয়ার্স তো এমনিতেই সবুজ, তাই যারা সবুজের মাঝে পুজোর ছুটি কাটাতে চান তারা অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন প্যারেন থেকে। যারা যারা ডুয়ার্সে গিয়ে ঝালং বা বিন্দুর মতন জায়গায় রাত কাটিয়েছেন, এবার একরাত থেকে আসুন প্যারেন থেকে। হলফ করে বলতে পারি একটুও ঠকবেন না। প্যারেনের নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশন হল নিউ মাল জংশন। এখান থেকে প্যারেন ৪৫ কিলোমিটারের রাস্তা। পশ্চিমবঙ্গ বনদফতরের একটি কটেজ রয়েছে। এটাই এখানকার একমাত্র থাকার জায়গা। তাই যদি পুজোর ভিড়ে যেতে চান, তাহলে এখন থেকেই বুকিং করে ফেলুন। না হলে পরে কিন্তু থাকার জায়গা নাও পেতে পারেন।

শুভ্রশিখর নিদ্রিত বুদ্ধের স্থান ধোত্রে

উত্তরবঙ্গে গিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে যদি ভালভাবে দেখা না হয় তাহলে যেন মন ভরে না। তাই যারা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে চান তাঁরা পৌঁছে যান ধোত্রে। এখানে একরাত কাটান। যদি সান্দাকফু নাও যান তাহলে ধোত্রেতে রাত কাটাতে পারেন। এই পাহাড়ি গ্রাম থেকে সাদা ধবধবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। ধোত্রের রাতের আকাশের আকর্ষণ হল মিল্কিওয়ে। অনিন্দ্য সুন্দর এই গ্রামে গেলে দেখতে পাবেন কিভাবে ধাপে ধাপে গড়ে উঠেছে জলবসতি, তৈরি হয়েছে কৃষি জমি। এক পাশে পাহাড় আর এক পাশে ঘন জঙ্গল- এই হল ধোত্রের অবস্থান। হাতে যদি আরেকটু বেশি সময় থাকে তাহলে ধোত্রে থেকে ঘুরে নিতে পারেন টংলুও। মানেভঞ্জন থেকে ধোত্রে প্রায় ১৯ কিলোমিটারের রাস্তা। কিন্তু রাস্তা খুব একটা ভাল নয়। মানেভঞ্জন থেকে ধোত্রে পৌঁছতে এক ঘন্টা সময় লাগে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন বা দার্জিলিং মোড় থেকেও ধোত্রে যাওয়ার শেয়ার গাড়ি পাওয়া যায়। এই গ্রামে থাকার জন্য একাধিক হোমস্টে পেয়ে যাবেন। তাই থাকা খাওয়া নিয়ে কোনও চিন্তা নেই।

ঝান্ডিতে মহানন্দার সূর্যোদয় দেখে জীবন সার্থক হোক

উত্তরবঙ্গ অনেকেই গিয়েছেন, কিন্তু ঝান্ডির নাম ক’জন শুনেছেন তা হাতে গুনে বলা যায়। ঘন সবুজ জঙ্গল আর কাঞ্চনজঙ্ঘা- একইসঙ্গে এমন দৃশ্য দেখা যায় এই ঝান্ডি থেকে। সবুজের বুক চিরে এখানে বয়ে চলে মহানন্দা নদী থেকে সূর্যোদয় দেখতে বহু মানুষ ভিড় জমান এখানে। কালিম্পং এর লাভা, লোলেগাঁও, রিশপও এখান থেকে ঘুরে দেখা যায়। ঘুরে দেখতে পারেন গরুবাথান, সামাবিয়ং চা বাগান, ডালিম ফোর্ট। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ঝান্ডির দূরত্ব ৮৪ কিলোমিটার।

স্বামীকে ছাড়তে নারাজ, পুলিশের সামনে মেয়েকে কুপিয়ে খুন করল পাষণ্ড বাবা

নেপালে রহস্যমৃত্যু খান স্যারের কোচিংয়ে তাণ্ডব চালানো এক অভিযুক্তের

পুকুরে মাছ ধরতে নেমে মিলল প্লাস্টিকের প্যাকেটে মোড়া আগ্নেয়াস্ত্র, চাঞ্চল্য গোসাবায়

হট ফেভারিট তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে চমক অস্ট্রেলিয়ার

চিলি চিকেন আর নয়, ঘরেই বানান নতুন স্বাদের ‘রুবি চিকেন’

নির্ধারিত সময়ের ১৭ মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে গেলেন অভিষেক

গণপিটুনিতে হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল দেরাদুন, রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

অভেন ছাড়াই ম্যাঙ্গো চিজ কেক কীভাবে বানাবেন জেনে নিন

গুরবাজের শতরান বিফলে, গিল-রাহুলের চওড়া ব্যাটে আফগান বধ টিম ইন্ডিয়ার

মমতাকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন ডিগবাজিতে পারদর্শী মানস ভুঁইয়া

গুরবাজের ঝোড়ো শতরান, জিততে শুভমনদের চাই ১৯৫ রান

‘তৃণমূলের ২২ সাংসদ আমার সঙ্গে,’ জোর গলায় দাবি কাকলির

দুপুরের মেনুতে আনুন বদল, বানিয়ে ফেলুন বিটরুট ডাল ঢোকলি

মাথা থেকে বেচারামের হাত সরতেই গ্রেফতার সিঙ্গুরের তৃণমূল নেতা