আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

গণেশকে একদন্ত বলা হয় কেন! জেনে নিন এর পেছনে ৩ কাহিনী

courtesy google

নিজস্ব প্রতিনিধি : ত্যাগের দিক থেকে গণেশের নামই আগে আসে। বিভিন্ন নামে পরিচিত দেবতা গণেশ।কখনো তাঁকে সিদ্ধিদাতা বলা হয়, আবার কখনো তাঁকে বিঘ্নহর্তা বলা হয়। এছাড়াও বক্রতুন্ড, একদন্ত, সিদ্ধি বিনায়ক, গজানন, ধ্রুম্রকেতু সহ একাধিক নাম রয়েছে দেবতা গণেশের। তবে আপনি কী জানেন গণেশকে একদন্ত কেন বলা হয় ? এর পেছনে বর্ণিত রয়েছে বহু কাহিনী। তবে জেনে নিন গণশের আরেক নাম একদন্ত কেন।

মহাভারত রচনার : গণেশের এক দাঁত ভাঙা কেন এই নিয়ে নানান কাহিনী উল্লেখিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি হল মহাভারতের রচনা। ব্যাসদেবের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে, মহাভারত লেখার অনুরোধে রাজি হয়েছিলেন ভগবান গণেশ। কিন্তু শর্ত দিয়েছিলেন, একবার লেখা শুরু করলে, তিনি থামবেন না। হঠাৎই বেশ কিছুটা অংশ লেখার মাঝেই গনেশজির পালকের কলম ভেঙে যায়। কিন্তু সেই সময় কলমের জন্য লেখা আটকে দেওয়া বা নতুন কলমের জন্য অপেক্ষা করা- দুটোই করতে গেলে, মহাভারত লেখাতে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই গণেশ ঠাকুর কোনো কিছুর পরোয়া না করেই, নিজ শরীরের ক্ষতি করে তাঁর একটি দাঁত ভেঙে দেন। সেটিকেই কলমের মতো ব্যবহার করে মুহুর্ত মাত্র সময় নষ্ট না করে রচনা এগিয়ে নিয়ে যান। এই ঘটনা প্রমাণ করেছিল তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতির প্রতি কতটা নিস্বার্থ ও তারঁ অনুগতদের প্রতি তিনি কতটা ত্যাগ করতে পারেন। সেই থেকে তাঁর নাম দেওয়া হয় একদন্ত।

পরশুরামের ঘটনা : ত্রেতা যুগে ভগবান বিষ্ণুর অবতার শ্রী পরশুরাম শিবের উপাসনা করে শিবের কাছ থেকে দিব্য পরশু বা কুঠার পান। এর সাহায্যে তিনি যুদ্ধে জয়লাভ করেন। যুদ্ধে জয়লাভ করার পর তিনি মহাদেব শিবকে কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য কৈলাশের উদ্দেশ্যে গমন করেন। কিন্তু কৈলাশেরদ্বারে ছিলেন পাহারায় ছিলেন শ্রী গনেশ।পিতা মহাদেবের আদেশ ছিল যে কেউ যাতে তখন প্রবেশ করতে না পারে।পরশুরাম গণেশের বাধায় ক্রুদ্ধ হয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। তখন গণেশের উদ্দেশ্যে কুঠার ছুঁড়ে মারেন। তখন গণেশের দিকে ধেয়ে আসা এই কুঠার দেখে ঠিক চিনতে পারেন গণেশ। তিনি বুঝতে পারেন এই কুঠার তাঁর পিতা মহাদেবের দেওয়া। তাই যাতে পিতার অস্ত্রের অসম্মান না হয় তাই তিনি সেই অস্ত্রের আঘাত নিজের শরীরে ধারণ করে নেন। ফলে কুঠারের আঘাতে তাঁর একটি দাঁত ভেঙে যায়। মনে করা হয়, গণেশের ভাঙ্গা দাঁতটি অহংকার ও বুদ্ধির প্রতীক আর সম্পূর্ণ দাঁতটি ভক্তি ও শ্রদ্ধার প্রতীক।

ত্রিলোক পরিক্রমার কাহিনী : অন্য একটি কাহিনী অনুসারে,একবার দেবতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়েছিল যে কোন দেবতা শ্রেষ্ঠ। তখন দেবতারা সকলে নিজ নিজ বাহনে চেপে ত্রিলোক পরিক্রমা করতে বের হন। কথা ছিল, যে আগে ত্রিলোক পরিক্রমা করবে সেই বিজয়ী।কিন্তু গণেশ তাঁর বাহনে চেপে মাতা-পিতা (শিব-পার্বতী) যেখানে ছিলেন সেখানে গেলেন। পিতা-মাতাকে তিন বার পরিক্রমা করে ফিরে এলেন। এদিকে কার্তিক ময়ূরে চড়ে ত্রিলোক পরিক্রমা করে এসে গণেশকে বসে বসে লাড্ডু খেতে দেখে ভীষণ ক্রুদ্ধ হলেন। রেগে গিয়ে গণেশকে প্রহার করেন। ফলে তাঁর এক দাঁত ভেঙে যায়। এই ঘটনা প্রমাণ করেছিল যে পিতা মাতাই হল ত্রিলোক। সমগ্র সুখ, সম্পদ পিতামাতার চরনে বিরাজমান।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লোকাল ট্রেনেই মিলল ‘ফ্লাইট’-এর আমেজ! ইনফ্লুয়েন্সারের ‘এয়ার হোস্টেস’ হওয়ার ভিডিও ভাইরাল

ভাইরাল চিনা বিড়ালের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ৪২ লক্ষ! ১,১০০টি পথবিড়ালকে বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি হাসপাতালের

অফিসে ভুলেও মুখ খুলবেন না এই বিষয়গুলো নিয়ে! ভাইরাল অ্যামাজন কর্মীর ভিডিও

চল্লিশ পেরোলেই কেন বাড়াতে হবে প্রোটিন, সুস্থ বার্ধক্যের চাবিকাঠি জানুন

মস্তিতে ব্যস্ত সবাই, আচমকা সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অতিথির উপরে ছুরি নিয়ে হামলা তরুণীর

হাজার চেষ্টা করেও স্মোকি আই লুক করতে পারছেন না? সহজ উপায়ের হদিশ রইল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ