৩৫০ বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়িতে কাত্যায়নীর আরাধনা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিপুর : কাত্যায়নীর ব্রত করে ফিরে পেয়েছিলেন বাড়ির ইষ্ট দেবতা রাধারমনকে। তারপর থেকেই সাড়ে ৩০০ বছরের চিরাচরিত নিয়ম মেনে পূজিত হয়ে আসছেন নদিয়ার শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়ির দেবী কাত্যায়নী। কথিত আছে, এই বড় গোস্বামী বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রী রাধারমন জিউ আগে দলগোবিন্দ রূপে পূজিত হতেন। এই বাড়ির সঙ্গে পরতে পরতে জড়িয়ে গিয়েছে ইতিহাস।

মানসিংহ যখন বাংলা আক্রমণ করেন তখন যশোরের বারো ভুঁইয়া পুরী উদ্ধার করেন। পুরীতে একটি শিব মূর্তি, একটি শ্রীকৃষ্ণের একক বিগ্রহ দোলগোবিন্দকে পান। সেই বিগ্রহ নিয়ে যশোরের বারো ভুঁইয়া নিজের রাজপ্রাসাদে স্থাপন করেন। পুনরায় যখন মুঘলরা আক্রমণ করে তখন সেই বিগ্রহের মানহানি হওয়ার আশঙ্কায় রাজ পরিবারের বসন্ত রায় তাঁর গুরুদেব মথুরেশ গোস্বামীর হাতে এই বিগ্রহ তুলে দেন। তখন সুদুর যশোর থেকে সেই বিগ্রহ শান্তিপুরের গোস্বামী বাড়িতে নিয়ে আসেন মথুরেশ। স্থাপন করেন একক বিগ্রহকে।

কিছুদিনের মধ্যেই সেই বিগ্রহ অন্তরিত হন অর্থাৎ চুরি যায়। এরপর গোস্বামী বাড়ির সকলেই ভেঙে পড়েন। কি করলে বিগ্রহকে ফিরে পাওয়া যাবে তা যখন বুঝতে পারছেন না কেউ তখন হঠাৎই সকলের শ্রীমদ্ভগবত গীতার একটি গল্পের কথা মনে পড়ে। গীতায় লিখিত রয়েছে কাত্যায়নীর ব্রত করে বৃন্দাবনের গোপিনীরা শ্রীকৃষ্ণকে পেয়েছিলেন। সেই পন্থা অনুসরণ করে গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় দেবী কাত্যায়নীর ব্রত।

দেবী স্বপ্নাদেশ দিয়ে জানান নদিয়ার দিগনগরে পতিত রয়েছে বিগ্রহ। তৎকালীন নদিয়ারাজের সহযোগিতায় সেই দলগোবিন্দ বিগ্রহ উদ্ধার হয়। তখন থেকেই দেবী কাত্যায়নীর ব্রত এবং পুজো চলে আসছে চিরাচরিত রীতি মেনে। জানা যায়, প্রথমে দেবীর কোন রূপ ছিল না। পরবর্তীতে স্থাপন করা হয় মাতৃ মূর্তি। দেবী মূর্তিতে রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য। দেবীর আট হাত শিশু কন্যার ন্যায় প্রতীকী, মহিষাসুরকে দমনের জন্য দেবীর এক হাতে রয়েছে ত্রিশূল। দেবী মূর্তি মাটির সাজে সজ্জিত। অন্যান্য মূর্তির তুলনায় দেবী কাত্যয়িনীর মূর্তিতে রয়েছে আরও বিশেষ  বৈশিষ্ট্য।

কার্তিক, গণেশ পাশে না থেকে থাকেন বিপরীতে। ষষ্ঠী থেকে শুরু হয় বোধন পুজো। বাল্য ভোগ সহ ৩৬ ব্যঞ্জনের ভোগ নিবেদন করা হয় দেবীকে। অষ্টমীতে হয় সন্ধিপুজো। বৈষ্ণব মতে দেবীর আরাধনা হাওয়াই নেই কোনও বলির প্রথা। সমাজের মঙ্গল কামনার জন্য গোস্বামী পরিবার করে থাকেন মঙ্গলারতি। দেবীর পুজোয় পুরুষের থেকে নারীদের ভূমিকাই বেশি। দেবীর সমস্ত ভোগ রান্না করেন বাড়ির বধূরা। ৩৫০ বছরের প্রাচীন এই পুজোতে নেই কোনও আড়ম্বর। শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবের মতোই গোস্বামী বাড়ির দেবী কাত্যায়নীর ব্রত করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অসংখ্য পুন্যার্থীরা।

নীতীশ পুত্র বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিশান্তের যোগাভ্যাস হাসির রোল তুলল নেট দুনিয়ায়

কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলমগ্ন তিলোত্তমা, চাঁদনি চকে গাছ পড়ে বন্ধ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ

গরমে চুল সামলাতে নাজেহাল? সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন ৭ ট্রেন্ডি হেয়ার অ্যাক্সেসরিজ

ফের ধাক্কা খেলেন মমতা, বিদ্রোহী শিবিরে ইটাহারের বিধায়ক

দুর্নীতির অভিযোগে কাঠগড়ায় স্পেনের ফার্স্ট লেডি, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল আদালত

আলুর খোসা আর ফেলবেন না, ৮ রেসিপি বানিয়ে প্রিয়জনকে চমকে দিন

কাবাবপ্রেমী! ঘরেই বানিয়ে ফেলুন অপূর্ব স্বাদের মাটন গোলা কাবাব

তিলোত্তমায় যোগ দিবস পালন করে গর্বিত মোদি, শহরবাসীকে ধন্যবাদও জানালেন প্রধানমন্ত্রী

‘বাংলা ভারতের পুনর্জাগরণকে গতি দিয়েছে’, গার্ডেনরিচ থেকে বললেন মোদি

মাত্র ১১ বলে ৫০ রান, দ্রুততম অর্ধশতরান করে বিশ্বরেকর্ড বৈভবের

‘যোগ এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব’, রেড রোডের মঞ্চ থেকে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

রবিবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে সরকারি বাস, মৃত ২

রায়নার দাপুটে তৃণমূল নেতা বামদেব মণ্ডলকে গ্রেফতার করল পুলিশ

‘বাড়িতে ডেকে জিন্সের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে…’, নামী কোরিওগ্রাফারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নেটপ্রভাবীর