চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

২৭৩ জন Observer’র পর্যবেক্ষণে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিটি নির্বাচনেই নির্বাচন কমিশনের তরফে নিযুক্ত করা হয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষককে। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব থাকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওপরে। সেই দুই নির্বাচনে তাঁরাই পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেন। আবার পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন(Panchayat Election) হয় রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের হাত ধরে। তাই ওই দুই নির্বাচনের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ঠিক এবারে যেমনটি হল। রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন(West Bengal State Election Commission) ২৭৩জন পর্যবেক্ষক বা Observer নিযুক্ত করেছে। এদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে তাঁদের প্রশিক্ষণ(Training) পর্ব। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে এই পর্যবেক্ষকেরা কে কোন দায়িত্বে থাকছেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে এই পর্যবেক্ষকদের প্রত্যেককেই ২টি করে ব্লকের দায়িত্ব দেওয়া হবে। সেই সব ব্লকে নির্বাচনে ভোটগ্রহণের(Voting) ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হলে এই পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন সুন্দরবনের মানুষদের জন্য GPS যুক্ত Boat Clinic, উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত আধিকারিকদের এই পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গণনাপর্ব সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্ত আধিকারিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। এবং এই সমস্ত আধিকারিক নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে কাজ করবেন। মূলত এ বারের ভোটের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে বিশেষ সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের। ২৭৩ জন আধিকারিক প্রশিক্ষণ নিলেও ১৬ জন আধিকারিককে Reserve-এ রাখা হয়েছে। এই ১৬ জন আধিকারিককে Reserve-এ রাখার কারণ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হলেই এই আধিকারিকদের ব্যবহার করা হবে। কোনও ক্ষেত্রে কোনও ব্লকের দায়িত্বে থাকা পর্যবেক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়লে Reserve-এ থাকা আধিকারিক তাঁর দায়িত্ব সামলাবেন।

আরও পড়ুন রাজ্যের ডাকে সাড়া, বাংলার ১২ হাজার সংস্থার কর মীমাংসা

তবে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঠিক কবে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল। কেননা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে ৮ জুলাই। কিন্তু পরে বিরোধীরা কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক দাবি নিয়ে মামলা দায়ের করে। সেই সব দাবির মধ্যে ছিল মনোনয়ন পর্বের সময় ও দিন বাড়ানো এবং ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে আগামিকাল। সেখানেই শুনানি চলাকালে আদালত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে প্রস্তাব দেয় ভোট পিছিয়ে ১৪ জুলাই করতে এবং মনোনয়নের সময়সীমা ২১ জুন পর্যন্ত করতে। সেই সঙ্গে বেলা ৩টের মধ্যে মনোনয়ন দাখিলের সময় না রেখে তা যেন বিকাল ৫টা অবধি করা হয়। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। তাঁদের দাবি আইন মেনে মনোনয়ন দাখিলের সময় ১ দিন বাড়ানো যেতে পারে। ভোট পিছিয়ে দিতে গেলে নতুন করে আবারও বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। এই অবস্থায় আদালত মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে। ফলে ভোট ঠিক কবে হবে তা নিয়ে একটা প্রশ্ন ঝুলেই থাকছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ডি ককের দুরন্ত শতরান, পঞ্জাবকে ১৯৬ রানের লক্ষ্য দিল মুম্বই

‘লুকসেট’ হয়ে গিয়েছে, এবার আদৃতর সঙ্গে জুটিতে সুস্মিতা, কোথায় দেখা যাবে তাঁদের?

একপেশে ম্যাচে লখনউকে দুরমুশ করে জয়ী বিরাটরা

ধামশা-মাদলের তালে তালে অভিনব প্রচারে বিধাননগরের বাম প্রার্থী

‘মামলা করায় স্পেশ্যাল ডিগ্রি রয়েছে শুভেন্দুর’, তোপ নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের

ভারতের সর্বোচ্চ উচ্চতার হ্রদ কোনটি এবং সেখানে কীভাবে পৌঁছাবেন?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ